জেনেরিক ঔষধ

Aluminium Hydroxide

  • 141 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 109 টি কোম্পানি

ব্যবহার

অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড একটি অ্যান্টাসিড, যা বুকজ্বালা, অম্লজনিত বদহজম, টক ঢেকুর এবং পাকস্থলী ও ডিওডেনামের আলসারের ব্যথা কমাতে ব্যবহার হয়। এটি প্রায়ই ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইডের সাথে, আর কখনও পেটের গ্যাসের জন্য সিমেথিকোনের সাথে মিশিয়ে থাকে। কিডনি রোগে রক্তে ফসফেট বেশি হলে ডাক্তার নির্দেশমতো এটি দিতে পারেন।

কীভাবে কাজ করে

এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে, ফলে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা কমে। অন্ত্রে এটি খাবারের ফসফেটের সাথে যুক্ত হয়, ফলে কম ফসফেট শোষিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: পণ্যের লেবেলে লেখা মাত্রা অনুযায়ী, সাধারণত দুই খাবারের মাঝে বা খাবারের ১ থেকে ৩ ঘণ্টা পর ও ঘুমানোর আগে, অথবা উপসর্গ হলে খান। সাসপেনশন ব্যবহারের আগে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন; ট্যাবলেট ভালো করে চিবিয়ে খান। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ২ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করবেন না। কিডনি রোগে ফসফেট কমাতে এবং শিশুদের ক্ষেত্রে: ডাক্তারের নির্দেশমতো।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

অ্যান্টাসিড অনেক ঔষধের শোষণ কমায়, যেমন টেট্রাসাইক্লিন ও কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক (সিপ্রোফ্লক্সাসিন, লেভোফ্লক্সাসিন), আয়রন সাপ্লিমেন্ট, লেভোথাইরক্সিন, ডিগক্সিন, কিটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, বিসফসফোনেট ও গ্যাবাপেন্টিন। ডাক্তার অন্যভাবে না বললে অন্য ঔষধ অ্যান্টাসিডের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা পরে খান (কুইনোলোনের ক্ষেত্রে ৪ ঘণ্টা)। সাইট্রেটযুক্ত পণ্য বা পানিতে গোলানো ট্যাবলেটের সাথে একসাথে খাবেন না, এতে অ্যালুমিনিয়ামের শোষণ বাড়ে।

কারা খাবেন না

  • কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • রক্তে ফসফেট কম থাকলে।
  • পোরফাইরিয়া থাকলে।
  • মারাত্মক কিডনি রোগ থাকলে, যদি না ডাক্তার দেন।
  • শিশু (ইনফ্যান্ট), যদি না ডাক্তার দেন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: কোষ্ঠকাঠিন্য (ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত মিশ্র পণ্যে বরং ডায়রিয়া হতে পারে), বমি বমি ভাব ও চকের মতো স্বাদ। দীর্ঘদিন বা বেশি মাত্রায় খেলে ফসফেট কমে দুর্বলতা ও হাড়ে ব্যথা হতে পারে, আর কিডনি রোগীদের শরীরে অ্যালুমিনিয়াম জমতে পারে।

নিচের যেকোনোটি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • কালো আলকাতরার মতো পায়খানা, বা রক্তবমি বা কফির গুঁড়ার মতো বমি।
  • তীব্র বা একটানা পেটব্যথা, বা পেট ফুলে যাওয়ার সাথে তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য।
  • দীর্ঘদিন ব্যবহারে মাংসপেশি দুর্বলতা, হাড়ে ব্যথা বা বিভ্রান্তি।
  • মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, বা শ্বাসকষ্ট।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

সাধারণ মাত্রায় মাঝেমধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য ব্যবহার গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সাধারণত নিরাপদ বলে ধরা হয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বেশি মাত্রা বা দীর্ঘদিন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

সতর্কতা

কিডনি রোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য বা কম ফসফেটের খাদ্যাভ্যাস থাকলে এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাবধানে ব্যবহার করুন। উপসর্গ ২ সপ্তাহের বেশি থাকলে, বারবার ফিরে এলে, অথবা ওজন কমা, গিলতে কষ্ট, বমি বা কালো পায়খানা থাকলে ডাক্তার দেখান, কারণ এগুলোর পরীক্ষা দরকার হতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কদাচিৎ অন্ত্র আটকে যেতে পারে। কিডনি রোগীদের শরীরে অ্যালুমিনিয়াম জমে বিভ্রান্তি ও হাড়ের সমস্যা হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টাসিড (ফসফেট বাইন্ডার হিসেবেও ব্যবহৃত)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায় ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। সাসপেনশন ফ্রিজে জমাবেন না; বোতলের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Aluminium Hydroxide যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

141 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।