ব্যবহার
অ্যামলেক্সানক্স মুখে লাগানোর পেস্ট হিসেবে বারবার হওয়া অ্যাফথাস আলসার (সাধারণ ব্যথাযুক্ত মুখের ঘা) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোরদের ক্ষেত্রে। এটি ঘা দ্রুত সারাতে ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
কীভাবে কাজ করে
অ্যামলেক্সানক্স কিছু কোষকে হিস্টামিন ও ফোলা-ব্যথা সৃষ্টিকারী অন্যান্য রাসায়নিক নিঃসরণ থেকে বিরত রেখে মুখের আস্তরণের প্রদাহ ও অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া কমায়। এতে ঘা দ্রুত শুকায়।
মাত্রা ও সেবনবিধি
ঘা দেখা দেওয়ামাত্র শুরু করুন। জায়গাটি আলতোভাবে শুকিয়ে পরিষ্কার আঙুলের ডগায় প্রায় ০.৫ cm পেস্ট নিয়ে প্রতিটি ঘায়ে আলতো করে লাগান। দিনে ৪ বার ব্যবহার করুন: সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের পর এবং ঘুমানোর আগে, দাঁত ব্রাশ ও মুখ ধোয়ার পর। পরে হাত ধুয়ে নিন। ঘা সারা পর্যন্ত চালিয়ে যান; ১০ দিনেও না সারলে বা ব্যথা না কমলে চিকিৎসক বা দন্তচিকিৎসক দেখান।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অন্য ঔষধের সাথে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিক্রিয়া জানা নেই।
কারা খাবেন না
অ্যামলেক্সানক্স বা পেস্টের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
- লাগানোর জায়গায় সাময়িক জ্বালা, হুল ফোটানো ভাব বা ব্যথা
- কদাচিৎ ডায়রিয়া বা বমিভাব
- কদাচিৎ মুখে জ্বালাপোড়া বা র্যাশ
সারা শরীরে র্যাশ, ঠোঁট, জিভ বা গলা ফুলে যাওয়া, অথবা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো
তথ্য সীমিত। গর্ভাবস্থায় বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শুধু চিকিৎসক বা দন্তচিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন।
সতর্কতা
চোখে পেস্ট লাগাবেন না; লাগলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখের ঘা ২ থেকে ৩ সপ্তাহের বেশি থাকলে, ঘন ঘন ফিরে এলে, বা জ্বর, ওজন কমা বা অন্য লক্ষণের সাথে হলে চিকিৎসক বা দন্তচিকিৎসক দিয়ে পরীক্ষা করান, কারণ এর অন্য কারণ থাকতে পারে।
মাত্রাতিরিক্ত সেবন
অল্প পরিমাণ গিলে ফেললে সাধারণত ক্ষতি হয় না, তবে পেটের অস্বস্তি হতে পারে। বেশি পরিমাণ গিলে ফেললে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
থেরাপিউটিক শ্রেণি
মুখের প্রদাহনাশক ও অ্যান্টিঅ্যালার্জিক উপাদান (মুখের ঘায়ের চিকিৎসা)।
সংরক্ষণ
৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ব্যবহারের পর ক্যাপ বন্ধ করুন।
ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।