বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Calcitriol

  • 29 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 19 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ক্যালসিট্রিওল হলো ভিটামিন ডি এর সক্রিয় রূপ। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে (ডায়ালাইসিস রোগীসহ) ক্যালসিয়াম কমে যাওয়া ও হাড়ের রোগ, প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির কম কাজ করা (হাইপোপ্যারাথাইরয়েডিজম), সাধারণ ভিটামিন ডি তে ভালো হয় না এমন কিছু রিকেটস, এবং কিছু ক্ষেত্রে মেনোপজের পর অস্টিওপোরোসিসে এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

সুস্থ কিডনি সাধারণ ভিটামিন ডি কে ক্যালসিট্রিওলে রূপান্তর করে। সরাসরি ক্যালসিট্রিওল খেলে কিডনি তৈরি করতে না পারলেও অন্ত্র ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণ করতে পারে এবং হাড় সুস্থ থাকে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা দেখে প্রত্যেকের জন্য আলাদা মাত্রা ঠিক করা হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত দিনে ০.২৫ mcg দিয়ে শুরু করা হয় এবং ডাক্তার ধীরে ধীরে মাত্রা বদলান। অস্টিওপোরোসিসে সাধারণ মাত্রা দিনে দুবার ০.২৫ mcg। ইনজেকশন ডাক্তার বা নার্স দেন, সাধারণত ডায়ালাইসিসের সময়, ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী। প্রতিদিন একই সময়ে ক্যাপসুল খান। নিয়মিত রক্তে ক্যালসিয়াম পরীক্ষা দরকার।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ডাক্তার না বললে একই সাথে অন্য ভিটামিন ডি জাতীয় ঔষধ (যেমন কোলেক্যালসিফেরল বা আলফাক্যালসিডল) খাবেন না।
  • থায়াজাইড ডাইইউরেটিক (যেমন হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড) ও ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট ক্যালসিয়াম অতিরিক্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • ক্যালসিয়াম বেশি হলে ডিগক্সিনের সাথে হৃৎস্পন্দনের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড ডায়ালাইসিস রোগীদের রক্তে ম্যাগনেসিয়াম বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • কোলেস্টাইরামিন শোষণ কমায়; কর্টিকোস্টেরয়েড, ফেনিটোইন ও ফেনোবার্বিটাল এর কাজ কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে, ভিটামিন ডি বিষক্রিয়ার লক্ষণ থাকলে, বা ক্যালসিট্রিওল বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সঠিক মাত্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম হয়। বেশিরভাগ সমস্যা হয় ক্যালসিয়াম বেশি বেড়ে গেলে: ক্লান্তি, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, মুখ শুকনো, পিপাসা, মুখে ধাতব স্বাদ, এবং পেশি বা হাড়ে ব্যথা।

নিচের যেকোনোটি হলে সাথে সাথে চিকিৎসা নিন:

  • বিভ্রান্তি, প্রচণ্ড ঘুম ঘুম ভাব বা প্রচণ্ড বমি।
  • অনিয়মিত বা খুব দ্রুত হৃৎস্পন্দন।
  • প্রচণ্ড পিপাসার সাথে প্রচুর প্রস্রাব হওয়া।
  • কোমরের পাশে বা পিঠে তীব্র ব্যথা (কিডনিতে পাথরের লক্ষণ হতে পারে)।
  • মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, বা মারাত্মক র‍্যাশ।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় শুধু ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে, নিয়মিত ক্যালসিয়াম পরীক্ষার সাথে ব্যবহার করুন। এটি বুকের দুধে যায়; বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ব্যবহার করলে ডাক্তার শিশুর ক্যালসিয়াম পরীক্ষা করতে পারেন।

সতর্কতা

  • ক্যালসিয়াম, ফসফেট ও কিডনির কার্যকারিতার রক্ত পরীক্ষাগুলো নিয়মিত করান।
  • খাবারে ক্যালসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম বা ফসফেট বাইন্ডার ট্যাবলেট নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন, এবং কিডনিতে পাথর বা হৃদরোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • যারা দীর্ঘ সময় নড়াচড়া করতে পারেন না (যেমন অপারেশনের পর), তাদের ক্যালসিয়াম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে রক্তে ক্যালসিয়াম বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যেতে পারে, সাথে বমি, বিভ্রান্তি, দুর্বলতা ও হৃৎস্পন্দনের সমস্যা হতে পারে। জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ভিটামিন ডি অ্যানালগ (সক্রিয় ভিটামিন ডি)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Calcitriol এর ব্র্যান্ড

22 টি ব্র্যান্ড

Calcitriol যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

7 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।