জেনেরিক ঔষধ

Ceftazidime

  • 66 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 37 টি কোম্পানি

ব্যবহার

সেফটাজিডিম একটি ইনজেকশন অ্যান্টিবায়োটিক, যা হাসপাতালে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে ব্যবহার হয়, যেমন:

  • নিউমোনিয়া ও বুকের অন্যান্য সংক্রমণ, সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগীদের সংক্রমণসহ
  • জটিল মূত্রনালি ও কিডনির সংক্রমণ
  • পেটের ভেতরের সংক্রমণ
  • ত্বক, নরম টিস্যু, হাড় ও জোড়ার গুরুতর সংক্রমণ
  • মেনিনজাইটিস ও রক্তের সংক্রমণ (সেপটিসেমিয়া)
  • শ্বেত রক্তকণিকা খুব কম থাকা রোগীর জ্বর

সিউডোমোনাস নামের জীবাণুর বিরুদ্ধে এটি বিশেষভাবে কার্যকর, যা অনেক অ্যান্টিবায়োটিকে সারে না।

কীভাবে কাজ করে

এটি ব্যাকটেরিয়াকে কোষপ্রাচীর তৈরি করতে বাধা দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া ভেঙে মরে যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সেফটাজিডিম ডাক্তার বা নার্স শিরায় (স্যালাইন বা ধীরে ইনজেকশন) অথবা মাংসপেশিতে দেন। কত মাত্রায় ও কতবার দেওয়া হবে তা সংক্রমণ, ওজন ও কিডনির অবস্থা দেখে ডাক্তার ঠিক করেন। ডাক্তারের নির্দেশমতো ব্যবহার করুন। কিডনির সমস্যায় কম মাত্রা বা বেশি বিরতিতে দেওয়া হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন জেন্টামাইসিন ও অ্যামিকাসিন) ও শক্তিশালী প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ (যেমন ফুরোসেমাইড): কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই কিডনির পরীক্ষা করা হয়।
  • ক্লোরামফেনিকল: সেফটাজিডিমের কাজ কমাতে পারে; সাধারণত একসাথে দেওয়া হয় না।
  • মুখে খাওয়ার টাইফয়েড টিকা: অ্যান্টিবায়োটিক এর কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • প্রস্রাবে শর্করা মাপার কিছু পরীক্ষায় ভুল পজিটিভ ফল আসতে পারে।

কারা খাবেন না

সেফটাজিডিম বা অন্য সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিকে এলার্জি থাকলে দেওয়া যাবে না। পেনিসিলিন বা এ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকে আগে মারাত্মক এলার্জি হয়ে থাকলে সাধারণত এটি এড়ানো হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা বা ফোলা, ডায়রিয়া, র‍্যাশ এবং রক্ত পরীক্ষার ফলে পরিবর্তন। কম দেখা যায়: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং ছত্রাক সংক্রমণ।

নিচের যেকোনোটি হলে সাথে সাথে নার্স বা ডাক্তারকে জানান, বাড়িতে থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা সারা শরীরে র‍্যাশ
  • ত্বকে ফোসকা পড়া বা চামড়া উঠে যাওয়া
  • চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র বা রক্তমিশ্রিত পানির মতো পায়খানা
  • বিভ্রান্তি, ঝাঁকুনি বা খিঁচুনি, বিশেষ করে কিডনির রোগীদের

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে গর্ভাবস্থায় দেওয়া যেতে পারে। সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায়; সাধারণত দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যাওয়া যায়, তবে শিশুর ডায়রিয়া, র‍্যাশ বা মুখে ছত্রাক হলে ডাক্তারকে জানান।

সতর্কতা

  • কোনো এলার্জি, কিডনির রোগ বা আগে কোলাইটিসের মতো অন্ত্রের সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • দীর্ঘ চিকিৎসায় কিডনি ও রক্তকণিকার পরীক্ষা করা হতে পারে।
  • দীর্ঘদিন ব্যবহারে ছত্রাকের মতো অন্য জীবাণু বাড়তে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত হলে হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। বেশি মাত্রা, বিশেষ করে কিডনির সমস্যায়, মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে বিভ্রান্তি বা খিঁচুনি ঘটাতে পারে। প্রয়োজনে ডায়ালাইসিস করে ঔষধটি বের করা যায়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিবায়োটিক: তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন (ইনজেকশন)।

সংরক্ষণ

না খোলা ভায়াল ৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেশানোর পর দ্রুত ব্যবহার করতে হয়, অথবা লিফলেটের নির্দেশমতো রাখতে হয়।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ceftazidime এর ব্র্যান্ড

58 টি ব্র্যান্ড

Ceftazidime যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

8 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।