ব্যবহার
- ছোটখাটো কাটা, ছড়ে যাওয়া, আঁচড় ও ছোট পোড়া পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে।
- ছোট কোনো প্রসিডিউরের আগে ত্বক এবং হাত পরিষ্কার করতে।
- ক্রিম হিসেবে, ডায়াপার র্যাশ ও ত্বকের ছোটখাটো সংক্রমণে।
- শ্যাম্পু হিসেবে, খুশকি ও তৈলাক্ত, আঁশযুক্ত মাথার ত্বকের সমস্যায়।
অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণে এটি প্রায়ই ক্লোরহেক্সিডিনের সাথে থাকে।
কীভাবে কাজ করে
সেট্রিমাইড কোয়াটারনারি অ্যামোনিয়াম গোত্রের একটি অ্যান্টিসেপটিক। এটি ডিটারজেন্টের মতো কাজ করে: ব্যাকটেরিয়া ও কিছু ছত্রাকের বাইরের আবরণ নষ্ট করে সেগুলোকে মেরে ফেলে, আর ত্বক থেকে ময়লা ও তেলতেলে ভাব তুলতেও সাহায্য করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
শুধু ত্বকে ব্যবহারের জন্য। ঘন দ্রবণ ত্বক বা ক্ষতে ব্যবহারের আগে অবশ্যই লেবেলে লেখা নিয়মে পরিষ্কার পানিতে পাতলা করে নিতে হবে। সরাসরি ব্যবহারযোগ্য দ্রবণ পরিষ্কার তুলা বা গজ দিয়ে লাগান। ক্রিম: পরিষ্কার জায়গায় পাতলা করে, দিনে এক বা কয়েকবার, লেবেলের নির্দেশমতো। শ্যাম্পু: লেবেলের নির্দেশমতো ব্যবহার করুন।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
সাধারণ সাবান ও কিছু ক্লিনজার সেট্রিমাইডের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, তাই লাগানোর আগে ত্বক থেকে সাবান ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। একই ঔষধে না থাকলে অন্য অ্যান্টিসেপটিকের সাথে মেশাবেন না।
কারা খাবেন না
- সেট্রিমাইড বা ঔষধের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।
- চোখে, কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন কানে বা শরীরের ভেতরের গহ্বরে ব্যবহার করা যাবে না।
- খাওয়া যাবে না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ: ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, জ্বালা বা অস্বস্তি। বারবার ব্যবহারে অ্যালার্জিজনিত র্যাশ হতে পারে। বেশি ঘন দ্রবণ ত্বক পুড়িয়ে দিতে পারে।
মুখ বা গলা ফুলে গেলে বা শ্বাসকষ্ট হলে, ত্বকে তীব্র জ্বালা বা ফোসকা পড়লে, ভুল করে খেয়ে ফেললে, অথবা চোখে গেলে ধোয়ার পরও জ্বালা না কমলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো
অল্প জায়গায় ত্বকে ব্যবহার গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সাধারণত নিরাপদ ধরা হয়। দুধ খাওয়ানোর সময় বোঁটায় লাগাবেন না, অথবা খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
সতর্কতা
ঘন ঔষধ সবসময় সঠিকভাবে পাতলা করুন। চোখ থেকে দূরে রাখুন; চোখে গেলে অন্তত ১৫ মিনিট প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বড় পোড়া বা গভীর ক্ষতে ব্যবহার করবেন না; গভীর, ময়লাযুক্ত বা পশুর কামড়ের ক্ষত, অথবা লাল, ফোলা বা ব্যথাযুক্ত হয়ে ওঠা ক্ষতের জন্য ডাক্তার দেখান। বাতাস ঢুকতে পারে না এমন ব্যান্ডেজে ঢাকবেন না। পাতলা করা দ্রবণ সবসময় নতুন করে বানান, কারণ রেখে দিলে তা দূষিত হতে পারে।
মাত্রাতিরিক্ত সেবন
খেয়ে ফেললে মুখ ও গলায় জ্বালা, বমি বমি ভাব ও বমি হতে পারে; বেশি খেলে শ্বাসকষ্ট ও মাংসপেশির দুর্বলতা হতে পারে। জোর করে বমি করাবেন না। মুখ ধুয়ে দিন এবং জরুরি চিকিৎসা নিন।
থেরাপিউটিক শ্রেণি
ত্বকে ব্যবহারের অ্যান্টিসেপটিক ও জীবাণুনাশক (কোয়াটারনারি অ্যামোনিয়াম যৌগ)।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। পাত্রের মুখ শক্ত করে বন্ধ রাখুন। অ্যালকোহলযুক্ত ঔষধ আগুন থেকে দূরে রাখুন।
ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।