বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Cilastatin

  • 15 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 12 টি কোম্পানি

ব্যবহার

সিলাস্টাটিন একা ব্যবহার হয় না। হাসপাতালে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় এটি সবসময় ইমিপেনেম অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়, যেমন পেটের ভেতরের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, প্রস্রাবের নালির জটিল সংক্রমণ, ত্বক, হাড় ও জোড়ার সংক্রমণ, জরায়ু ও তলপেটের সংক্রমণ, রক্তের সংক্রমণ, এবং শ্বেত রক্তকণিকা খুব কম থাকা অবস্থায় জ্বর।

কীভাবে কাজ করে

কিডনিতে ডিহাইড্রোপেপটাইডেজ-I নামে একটি এনজাইম থাকে, যা ইমিপেনেমকে দ্রুত ভেঙে ফেলে। সিলাস্টাটিন এই এনজাইম আটকে দেয়। ফলে শরীর ও প্রস্রাবে ইমিপেনেম কার্যকর মাত্রায় থাকে এবং কিডনিও কিছুটা সুরক্ষিত থাকে। সিলাস্টাটিনের নিজের ব্যাকটেরিয়া মারার ক্ষমতা নেই।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সিলাস্টাটিন ইমিপেনেমের সাথে সমান পরিমাণে মেশানো অবস্থায় আসে। ডাক্তার বা নার্স এটি শিরায় ধীরে ধীরে ড্রিপের মাধ্যমে দেন, সাধারণত প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পরপর। মাত্রা সংক্রমণ, ওজন ও কিডনির অবস্থার ওপর নির্ভর করে এবং ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী দেওয়া হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিড (সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট): ইমিপেনেমের সাথে দিলে ভ্যালপ্রোয়েটের মাত্রা হঠাৎ অনেক কমে গিয়ে খিঁচুনি হতে পারে, তাই সাধারণত একসাথে দেওয়া হয় না।
  • গ্যানসিক্লোভির: খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়ে।
  • প্রোবেনেসিড রক্তে মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলা করার ঔষধে বেশি নজর রাখতে হতে পারে।

কারা খাবেন না

সিলাস্টাটিন, ইমিপেনেম বা অন্য কোনো কার্বাপেনেমে এলার্জি থাকলে, অথবা কোনো পেনিসিলিন বা সেফালোস্পোরিনে আগে মারাত্মক এলার্জি (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস) হয়ে থাকলে এটি দেওয়া যাবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মূলত ইমিপেনেম মিশ্রণের: বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, র‍্যাশ, এবং ড্রিপের জায়গায় শিরায় ব্যথা বা ফোলা। রক্ত পরীক্ষায় লিভারের এনজাইম বা রক্তকণিকায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

নিচের যেকোনোটি হলে জরুরি চিকিৎসা নিন (সাথে সাথে ডাক্তার বা নার্সকে জানান):

  • খিঁচুনি, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি বা হ্যালুসিনেশন (যা নেই তা দেখা বা শোনা)
  • মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা চামড়ায় ফোসকা পড়া বা চামড়া উঠে যাওয়া
  • তীব্র, পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা
  • প্রস্রাব অনেক কমে যাওয়া

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় শুধু তখনই দেওয়া হয় যখন ডাক্তার মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়; বুকের দুধ খাওয়ানো চলবে কিনা ডাক্তার পরামর্শ দেবেন।

সতর্কতা

  • খিঁচুনি, মাথায় আঘাত, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের অন্য রোগের ইতিহাস থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • কিডনির রোগ থাকলে মাত্রা কমাতে হয়।
  • আগে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে এলার্জি হয়ে থাকলে জানান।
  • দীর্ঘ চিকিৎসায় রক্ত পরীক্ষা করতে হয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

হাসপাতালে দেওয়া হয় বলে মাত্রাতিরিক্ত হওয়া কম ঘটে। বেশি মাত্রায়, বিশেষ করে কিডনির সমস্যা থাকলে, খিঁচুনি, বিভ্রান্তি বা মাংসপেশি কাঁপা হতে পারে। চিকিৎসক দল সহায়ক চিকিৎসা দেন, এবং ডায়ালাইসিসে রক্ত থেকে ঔষধ বের করা যায়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

রেনাল ডিহাইড্রোপেপটাইডেজ প্রতিরোধক (কার্বাপেনেম অ্যান্টিবায়োটিক ইমিপেনেমের সাথে ব্যবহৃত)।

সংরক্ষণ

না খোলা ভায়াল ৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেশানোর পর হাসপাতালের কর্মীরা লিফলেটে লেখা সময়ের মধ্যে ব্যবহার করেন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Cilastatin যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

15 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।