বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Cod Liver Oil

  • 89 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 73 টি কোম্পানি

ব্যবহার

কড লিভার অয়েল কড মাছের কলিজা থেকে পাওয়া মাছের তেল। এতে প্রাকৃতিকভাবে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (ইপিএ ও ডিএইচএ), ভিটামিন এ ও ভিটামিন ডি থাকে। এটি ব্যবহার হয়:

  • খাবারে তৈলাক্ত মাছ কম থাকলে সাধারণ স্বাস্থ্যের জন্য খাদ্য সম্পূরক হিসেবে।
  • হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখতে (ভিটামিন ডি) এবং স্বাভাবিক দৃষ্টি ও ত্বকের জন্য (ভিটামিন এ)।
  • কখনো কখনো আর্থ্রাইটিসে গাঁটের আড়ষ্টতা কমাতে, অন্য চিকিৎসার পাশাপাশি।
  • সুষম খাবারের অংশ হিসেবে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য।

কীভাবে কাজ করে

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের দেয়ালের অংশ হয় এবং প্রদাহ ও রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড নামের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি হাড়ের জন্য শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। কম আলোতে দেখার জন্য, সুস্থ ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ভিটামিন এ দরকার।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্ক: প্যাকেটের নির্দেশমতো, সাধারণত দিনে ১ থেকে ২টি ক্যাপসুল, অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ তরল তেল।
  • শিশু: শুধু শিশুদের জন্য তৈরি পণ্য ও পরিমাণ, প্যাকেটের বা ডাক্তারের নির্দেশমতো।

খাবারের সাথে বা পরে খান। নির্দেশিত মাত্রার বেশি খাবেন না, এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ভিটামিন এ বা ভিটামিন ডি আছে এমন অন্য সাপ্লিমেন্টের সাথে খাবেন না, কারণ এই ভিটামিনগুলো শরীরে জমে থাকে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ওয়ারফারিন, অ্যাসপিরিন ও ক্লোপিডোগ্রেলের মতো রক্ত পাতলা করার ঔষধ: বেশি মাত্রায় মাছের তেল রক্তপাতের ঝুঁকি সামান্য বাড়াতে পারে।
  • আইসোট্রেটিনয়েনের মতো ব্রণের ঔষধসহ অন্য ভিটামিন এ জাতীয় ঔষধ: ভিটামিন এ অতিরিক্ত হওয়ার ঝুঁকি।
  • অন্য ভিটামিন ডি বা ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট: ভিটামিন ডি বা ক্যালসিয়াম অতিরিক্ত হওয়ার ঝুঁকি।
  • অরলিস্ট্যাট এর ভিটামিনগুলোর শোষণ কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • মাছে বা ঔষধের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।
  • শরীরে ভিটামিন এ বা ভিটামিন ডি বেশি থাকলে, বা রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণত হালকা: মুখে মাছের গন্ধ, ঢেকুর, বুক জ্বালা, বমিভাব ও পাতলা পায়খানা। খাবারের সাথে খেলে বা ক্যাপসুল ফ্রিজে রাখলে উপকার হতে পারে।

দ্রুত চিকিৎসা নিন যদি গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ (মুখ, ঠোঁট বা গলা ফোলা, সারা শরীরে র‍্যাশ, শ্বাসকষ্ট), অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে, অথবা ভিটামিন এ বা ডি অতিরিক্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়, যেমন তীব্র মাথাব্যথা, ঝাপসা দেখা, বমি, প্রচণ্ড পিপাসা, বিভ্রান্তি বা হাড়ে ব্যথা।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভবতী নারীরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কড লিভার অয়েল খাবেন না, কারণ অতিরিক্ত ভিটামিন এ গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। সাধারণত ভিটামিন এ ছাড়া গর্ভাবস্থার জন্য তৈরি ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট ভালো। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় স্বাভাবিক মাত্রায় সাধারণত গ্রহণযোগ্য, তবে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন।

সতর্কতা

  • রক্তপাতজনিত রোগ থাকলে বা শিগগির অপারেশন থাকলে সাবধানে ব্যবহার করুন।
  • লিভারের রোগে এবং যারা আগে থেকেই ভিটামিন এ বা ডি খান তাদের সাবধান থাকতে হবে।
  • সব উৎস মিলিয়ে দৈনিক ভিটামিন এ ও ডি নিরাপদ সীমার মধ্যে রাখুন।
  • এটি সাপ্লিমেন্ট, ডাক্তারের দেওয়া চিকিৎসার বিকল্প নয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

নির্দেশের চেয়ে অনেক বেশি, বিশেষ করে দীর্ঘদিন খেলে ভিটামিন এ বা ভিটামিন ডি বিষক্রিয়া হতে পারে। এর লক্ষণ মাথাব্যথা, বমিভাব, বমি, ঝাপসা দেখা, ত্বক শুকনো হওয়া, গাঁট ও হাড়ে ব্যথা, প্রচণ্ড পিপাসা ও বিভ্রান্তি। খাওয়া বন্ধ করে চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

খাদ্য সম্পূরক (ভিটামিন এ ও ডি সহ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো ও তাপ থেকে দূরে রাখুন। তরল তেল খোলার পর শক্ত করে বন্ধ রাখুন; ফ্রিজে রাখা নিয়ে প্যাকেটের নির্দেশনা মানুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Cod Liver Oil এর ব্র্যান্ড

10 টি ব্র্যান্ড

Cod Liver Oil যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

79 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।