বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Dronedarone

  • 1 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 1 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ড্রোনেডারোন প্যারক্সিসমাল বা পারসিস্টেন্ট অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন (মাঝে মাঝে হওয়া অনিয়মিত, প্রায়ই দ্রুত হৃৎস্পন্দন) আছে এমন প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাভাবিক ছন্দ ফেরানোর পর তা বজায় রাখতে এবং এ রোগে হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি কমাতে ব্যবহৃত হয়। স্থায়ী অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনে এটি ব্যবহার করা হয় না।

কীভাবে কাজ করে

ড্রোনেডারোন অ্যামিওডারোনের সাথে সম্পর্কিত একটি ছন্দনিয়ন্ত্রক (অ্যান্টিঅ্যারিদমিক) ঔষধ। এটি হৃৎপিণ্ডের কয়েকটি আয়ন চ্যানেল (পটাশিয়াম, সোডিয়াম ও ক্যালসিয়াম) এবং বিটা-অ্যাড্রেনার্জিক সংকেত আটকে দেয়, ফলে হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যক্রম স্থির হয় এবং হৃৎস্পন্দন ধীর হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: ৪০০ mg দিনে দুবার, একটি ট্যাবলেট সকালের খাবারের সাথে এবং একটি রাতের খাবারের সাথে, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশমতো। সাধারণত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এটি শুরু করেন ও পর্যবেক্ষণ করেন। সেবনকালে জাম্বুরা (গ্রেপফ্রুট) জুস খাবেন না। চিকিৎসকের সাথে কথা না বলে বন্ধ করবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভিরের মতো শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর, এবং QT ব্যবধান দীর্ঘ করে এমন ঔষধ (কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক, ইরিথ্রোমাইসিন, ক্লাস I বা III ছন্দনিয়ন্ত্রক) এর সাথে এটি দেওয়া যাবে না। এটি ডিগক্সিন, ডাবিগাট্রান, কিছু স্ট্যাটিন (সিমভাস্ট্যাটিন), ট্যাক্রোলিমাস ও সাইক্লোস্পোরিনের মাত্রা বাড়ায়। ওয়ারফারিনের সাথে দিলে ঘন ঘন INR পরীক্ষা দরকার। রিফাম্পিসিন, কার্বামাজেপিন ও ফেনিটয়েন এর কার্যকারিতা কমায়। বিটা ব্লকার এবং ভেরাপামিল ও ডিলটিয়াজেমের মতো ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের সাথে সাবধানতা দরকার।

কারা খাবেন না

  • স্থায়ী অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন।
  • গুরুতর বা সম্প্রতি খারাপ হওয়া হার্ট ফেইলিওর, বা হৃৎপিণ্ডের পাম্প করার ক্ষমতা কমে যাওয়া হার্ট ফেইলিওর।
  • আগে অ্যামিওডারোন সেবনে লিভার বা ফুসফুসের ক্ষতি হয়ে থাকলে।
  • হৃৎস্পন্দন মিনিটে ৫০ এর কম, বা পেসমেকার ছাড়া নির্দিষ্ট হার্ট ব্লক।
  • দীর্ঘ QT ব্যবধান।
  • গুরুতর লিভারের রোগ বা গুরুতর কিডনি সমস্যা।
  • গর্ভাবস্থা।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো ডায়রিয়া, বমিভাব, বমি, পেটব্যথা, ক্লান্তি, র‍্যাশ বা চুলকানি, ধীর হৃৎস্পন্দন এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিন (কিডনির একটি পরীক্ষা) বেড়ে যাওয়া।

শ্বাসকষ্ট বা পা ফোলা (হার্ট ফেইলিওরের লক্ষণ), ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব বা পেটের ডান উপরের দিকে ব্যথা (লিভারের ক্ষতির লক্ষণ), নতুন করে দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা শ্বাসকষ্ট (ফুসফুসের সমস্যা), অজ্ঞান হওয়া, বা খুব ধীর বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভের শিশুর ক্ষতি হতে পারে বলে গর্ভাবস্থায় ড্রোনেডারোন ব্যবহার করা যাবে না। গর্ভধারণে সক্ষম নারীদের কার্যকর জন্মনিরোধক ব্যবহার করা উচিত। সেবনকালে বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

চিকিৎসার আগে ও চলাকালে লিভার ও কিডনি পরীক্ষা এবং ইসিজি করা হয়। শুরুর আগে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম স্বাভাবিক থাকা উচিত। অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন স্থায়ী হয়ে গেলে ঔষধ বন্ধ করা উচিত। সেন্ট জনস ওয়ার্টসহ সব ভেষজ ও অন্য ঔষধের কথা চিকিৎসককে জানান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি সেবনে খুব ধীর হৃৎস্পন্দন, ছন্দের সমস্যা ও নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি চিকিৎসা নিন এবং ঔষধের প্যাকেট সাথে নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ছন্দনিয়ন্ত্রক (অ্যান্টিঅ্যারিদমিক) ঔষধ; অ্যামিওডারোন সম্পর্কিত বহু-চ্যানেল ব্লকার।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুষ্ক স্থানে, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Dronedarone এর ব্র্যান্ড

1 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।