কী কাজে ব্যবহার হয়
ফেরাস ফিউমারেট একটি আয়রন সাপ্লিমেন্ট। আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহার হয়, যেমন গর্ভাবস্থায়, রক্তক্ষরণের পর বা মাসিকে বেশি রক্তপাত হলে। প্রায়ই ফলিক এসিডের সাথে থাকে।
কীভাবে খাবেন
ডাক্তার বা প্যাকের নির্দেশ অনুযায়ী খান, সাধারণত দিনে একবার। খালি পেটে, খাবারের 1 ঘণ্টা আগে সবচেয়ে ভালো শোষিত হয়; পেটে অস্বস্তি হলে খাবারের সাথে খান। কমলার রস বা অন্য ভিটামিন সি শোষণে সাহায্য করে। রক্তের মাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পরও সাধারণত প্রায় 3 মাস চালিয়ে যেতে হয়।
কারা খাবেন না
শরীরে আয়রন বেশি থাকলে (হিমোক্রোমাটোসিস), বারবার রক্ত নিতে হলে, বা আয়রনের ঘাটতি ছাড়া অন্য কারণে রক্তশূন্যতা হলে, ডাক্তার না বললে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা পাতলা পায়খানা। আয়রন খাওয়ার সময় কালো পায়খানা স্বাভাবিক ও ক্ষতিকর নয়। তরল আয়রন দাঁতে দাগ ফেলতে পারে; স্ট্র দিয়ে খান ও পরে কুলি করুন।
সতর্কতা
পাকস্থলীতে ঘা বা অন্ত্রের প্রদাহ থাকলে ডাক্তারকে জানান। পরীক্ষায় দরকার না দেখা গেলে দীর্ঘদিন আয়রন খাবেন না।
গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো
গর্ভাবস্থায় প্রায়ই ব্যবহার হয়, আর পরামর্শকৃত মাত্রায় বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় নিরাপদ।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
চা, কফি, দুধ, ক্যালসিয়াম ও এন্টাসিড আয়রনের শোষণ কমায়; অন্তত 2 ঘণ্টা ব্যবধানে খান। আয়রন টেট্রাসাইক্লিন, ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও লেভোথায়রক্সিনের শোষণ কমায়; এগুলোও ব্যবধানে খান।
মাত্রাতিরিক্ত সেবন
ছোট শিশুদের জন্য আয়রনের মাত্রাতিরিক্ত সেবন খুব বিপজ্জনক, কয়েকটি ট্যাবলেটও। তালাবন্ধ করে রাখুন। শিশু গিলে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।