বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Fruquintinib

  • 1 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 1 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ফ্রুকুইন্টিনিব মুখে খাওয়ার একটি টার্গেটেড ক্যান্সারের ঔষধ। মেটাস্ট্যাটিক কোলোরেক্টাল ক্যান্সার (ছড়িয়ে পড়া অন্ত্রের ক্যান্সার) আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়, যাঁরা আগে ফ্লুরোপাইরিমিডিন, অক্সালিপ্লাটিন ও ইরিনোটেকানভিত্তিক কেমোথেরাপি, অ্যান্টি-ভিইজিএফ ঔষধ এবং প্রযোজ্য হলে অ্যান্টি-ইজিএফআর ঔষধের মতো প্রচলিত চিকিৎসা নিয়েছেন।

কীভাবে কাজ করে

টিউমার বাড়তে নতুন রক্তনালির প্রয়োজন হয়। ফ্রুকুইন্টিনিব একটি কাইনেজ ইনহিবিটর, যা ভিইজিএফ রিসেপ্টর ১, ২ ও ৩ বন্ধ করে দেয়। এই প্রোটিনগুলো শরীরকে নতুন রক্তনালি তৈরির সংকেত দেয়। সংকেত বন্ধ হলে টিউমারে রক্ত সরবরাহ কমে, ফলে এর বৃদ্ধি ও বিস্তার ধীর হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ফ্রুকুইন্টিনিব শুধু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসক যেভাবে বলেছেন ঠিক সেভাবে খান। সাধারণত নির্দিষ্ট কয়েক দিন দিনে একবার খেয়ে তারপর বিরতি দেওয়া হয়, এভাবে চক্রাকারে চলে। ক্যাপসুল পানি দিয়ে আস্ত গিলে ফেলুন, খাবারের আগে বা পরে, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে চিকিৎসক ঔষধ সাময়িক বন্ধ বা মাত্রা কমাতে পারেন। কোনো ডোজ বাদ পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ মানুন, একসাথে দুই ডোজ খাবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আপনি যেসব ঔষধ ও সাপ্লিমেন্ট খান সবই চিকিৎসককে জানান। রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটয়িন ও সেন্ট জনস ওয়ার্টের মতো শক্তিশালী এনজাইম বৃদ্ধিকারী ঔষধ ফ্রুকুইন্টিনিবের মাত্রা কমাতে পারে, তাই সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। ওয়ারফারিন, অ্যাসপিরিন বা অন্যান্য রক্ত পাতলাকারী ঔষধে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ক্যান্সার চিকিৎসক দলের সাথে কথা না বলে নতুন ঔষধ শুরু করবেন না।

কারা খাবেন না

ফ্রুকুইন্টিনিব বা ক্যাপসুলের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে খাবেন না। গর্ভাবস্থায় সাধারণত এটি ব্যবহার করা হয় না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে উচ্চ রক্তচাপ, প্রস্রাবে প্রোটিন, হাত ও পায়ের ত্বকের প্রতিক্রিয়া (হাতের তালু ও পায়ের তলায় লালচে ভাব, ব্যথা বা ফোসকা), ক্লান্তি, গলার স্বর বসে যাওয়া, ডায়রিয়া, মুখে ঘা, ক্ষুধামান্দ্য, ওজন কমা, পেটব্যথা, থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া এবং লিভার পরীক্ষার পরিবর্তন।

রক্তপাত বন্ধ না হলে, রক্তবমি বা কাশির সাথে রক্ত, কালো পায়খানা, পেটে তীব্র ব্যথা (অন্ত্র ফুটো হওয়ার আশঙ্কা), বুকে ব্যথা, শরীরের এক পাশ হঠাৎ দুর্বল হওয়া, বিভ্রান্তি বা দৃষ্টির পরিবর্তনসহ তীব্র মাথাব্যথা, অথবা খুব উচ্চ রক্তচাপ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ফ্রুকুইন্টিনিব গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণে সক্ষম নারীদের চিকিৎসার সময় এবং শেষ ডোজের পর চিকিৎসকের বলা সময় পর্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসার সময় এবং বন্ধ করার পর বিশেষজ্ঞের বলা সময় পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

নিয়মিত রক্তচাপ, প্রস্রাবে প্রোটিন, লিভার পরীক্ষা ও থাইরয়েড পরীক্ষা করা হবে। আগে রক্তপাত, রক্ত জমাট বাঁধা, হৃদরোগ বা সাম্প্রতিক অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে চিকিৎসককে জানান। পরিকল্পিত অস্ত্রোপচারের আগে সাধারণত ঔষধ বন্ধ রাখা হয় এবং ক্ষত সেরে গেলে আবার শুরু করা হয়। হাত বা পায়ের ত্বকে পরিবর্তন দেখা দিলে শুরুতেই জানান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেয়ে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন বা ঔষধের প্যাকেটসহ হাসপাতালে যান। নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই, উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী ঔষধ, ভিইজিএফ রিসেপ্টর টাইরোসিন কাইনেজ ইনহিবিটর।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো স্থানে, আলো থেকে দূরে, মূল প্যাকেটে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Fruquintinib এর ব্র্যান্ড

1 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।