কী কাজে ব্যবহার হয়
গ্লিক্লাজাইড অগ্ন্যাশয় থেকে বেশি ইনসুলিন বের হতে সাহায্য করে টাইপ 2 ডায়াবেটিসে রক্তের সুগার কমায়। খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের সাথে, একা বা অন্য ডায়াবেটিসের ঔষধের সাথে এটি ব্যবহার হয়।
কীভাবে খাবেন
সাধারণ ট্যাবলেট: সাধারণত দিনে 40 mg থেকে 80 mg সকালের নাস্তার সাথে, দরকার হলে ডাক্তার বাড়ান; বেশি মাত্রা সকাল ও রাতের খাবারের সাথে ভাগ করে খেতে হয়। MR ট্যাবলেট: সাধারণত দিনে একবার 30 mg থেকে 120 mg নাস্তার সাথে, আস্ত গিলে। ঔষধ খাওয়ার পর খাবার বাদ দেবেন না।
কারা খাবেন না
টাইপ 1 ডায়াবেটিস, ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস, গুরুতর কিডনি বা লিভারের রোগ থাকলে, গ্লিক্লাজাইড বা সালফোনাইলইউরিয়ায় এলার্জি থাকলে, মাইকোনাজল খেলে, অথবা গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময় খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
প্রধান ঝুঁকি সুগার কমে যাওয়া (হাইপোগ্লাইসেমিয়া): ঘাম, কাঁপুনি, ক্ষুধা, বুক ধড়ফড়, বিভ্রান্তি বা মাথা ঘোরা। সঙ্গে সঙ্গে মিষ্টি কিছু খান বা পান করুন এবং ডাক্তারকে জানান। অন্যান্য: পেটের অস্বস্তি, ওজন বাড়া ও ত্বকে র্যাশ।
সতর্কতা
বয়স্কদের, খাবার বাদ দিলে, অ্যালকোহল পান করলে, ভারী ব্যায়ামে, বা কিডনি বা লিভারের সমস্যায় সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি। নিয়মিত সুগার মাপুন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
সুপারিশ করা হয় না। সাধারণত এর বদলে ইনসুলিন দেওয়া হয়; ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
মাইকোনাজল, ফ্লুকোনাজল, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যাসপিরিন জাতীয় ব্যথার ঔষধ ও অ্যালকোহল সুগার বেশি কমিয়ে দিতে পারে। স্টেরয়েড সুগার বাড়াতে পারে। বিটা-ব্লকার সুগার কমার সতর্ক লক্ষণ লুকিয়ে ফেলতে পারে।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।