কী কাজে ব্যবহার হয়
হায়োসিন বাটাইলব্রোমাইড পাকস্থলী, অন্ত্র ও মূত্রথলির মাংসপেশি শিথিল করে। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS), পেট মোচড়ানো, মাসিকের ব্যথা ও মূত্রথলির খিঁচুনিতে ব্যথা কমায়।
কীভাবে খাবেন
প্রাপ্তবয়স্ক ও 12 বছর বা বেশি বয়সী: সাধারণত 10 mg থেকে 20 mg, দিনে সর্বোচ্চ 4 বার; দিনে 80 mg এর বেশি নয়। 6 থেকে 11 বছরের শিশু: 10 mg, দিনে সর্বোচ্চ 3 বার। পানি দিয়ে ট্যাবলেট আস্ত গিলে খান। ইনজেকশন শুধু ডাক্তার বা নার্স দেবেন।
কারা খাবেন না
হায়োসিনে এলার্জি থাকলে, ন্যারো-এঙ্গেল গ্লুকোমা, মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস, প্রস্টেট বড় হয়ে প্রস্রাবে কষ্ট, অন্ত্রে বাধা বা অন্ত্র খুব ফুলে যাওয়া (মেগাকোলন), বা দ্রুত হৃদস্পন্দন থাকলে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণত হালকা: মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, দ্রুত হৃদস্পন্দন, ঝাপসা দেখা ও প্রস্রাবে কষ্ট। চোখ লাল হয়ে ব্যথা ও দৃষ্টি কমে গেলে, বা এলার্জির লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
পেট ব্যথার সাথে জ্বর, পায়খানায় রক্ত, বমি, কারণ ছাড়া ওজন কমা, তীব্র বা বাড়তে থাকা ব্যথা থাকলে, বা 45 বছরের বেশি বয়সে নতুন লক্ষণ দেখা দিলে নিজে চিকিৎসা না করে আগে ডাক্তার দেখান। হৃদরোগ বা থাইরয়েডের অতিরিক্ত কাজ থাকলে ডাক্তারকে জানান।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
ডাক্তার না বললে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় খাবেন না।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
একই ধরনের প্রভাব আছে এমন ঔষধ, যেমন ট্রাইসাইক্লিক বিষণ্ণতার ঔষধ, কিছু অ্যান্টিহিস্টামিন ও অ্যান্টিসাইকোটিক, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে। এটি মেটোক্লোপ্রামাইড ও ডমপেরিডনের কাজ কমিয়ে দিতে পারে।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।