বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Imidafenacin

  • 2 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 1 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ইমিডাফেনাসিন প্রাপ্তবয়স্কদের ওভারঅ্যাকটিভ ব্লাডার (অতি সক্রিয় মূত্রথলি) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এই অবস্থায় হঠাৎ তীব্রভাবে প্রস্রাবের বেগ আসে, দিনে ও রাতে বারবার প্রস্রাব হয়, আর কখনো টয়লেটে পৌঁছানোর আগেই প্রস্রাব বেরিয়ে যায়।

কীভাবে কাজ করে

ইমিডাফেনাসিন একটি অ্যান্টিমাসকারিনিক ঔষধ। মূত্রথলির পেশিকে সংকুচিত হওয়ার সংকেত দেয় এমন মাসকারিনিক রিসেপ্টরকে (প্রধানত এম৩ ও এম১) এটি বাধা দেয়। এতে মূত্রথলি শিথিল হয়, বেশি প্রস্রাব ধরে রাখতে পারে এবং হঠাৎ বেগ ও প্রস্রাব বেরিয়ে যাওয়া কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা ০.১ mg দিনে ২ বার, সকালের নাশতা ও রাতের খাবারের পরে। যথেষ্ট কাজ না হলে ডাক্তার মাত্রা বাড়িয়ে ০.২ mg দিনে ২ বার করতে পারেন। পানি দিয়ে ট্যাবলেট গিলে খান। পূর্ণ উপকার পেতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। লিভার বা কিডনির রোগে কম মাত্রা বা বাড়তি সতর্কতা লাগতে পারে; ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভিরের মতো শক্তিশালী সিওয়াইপি৩এ৪ বাধাদানকারী ঔষধ ইমিডাফেনাসিনের মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • অক্সিবিউটিনিন, কিছু অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যামিট্রিপটাইলিনের মতো ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট ও কিছু অ্যান্টিসাইকোটিকের মতো অন্য অ্যান্টিকোলিনার্জিক ঔষধ মুখ শুকানো, কোষ্ঠকাঠিন্য ও প্রস্রাব আটকে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ায়।
  • মেটোক্লোপ্রামাইড বা ডমপেরিডনের মতো পাকস্থলী দ্রুত খালি করার ঔষধের কাজ এটি কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • প্রস্রাব আটকে থাকলে (মূত্রথলি খালি করতে না পারলে)।
  • অনিয়ন্ত্রিত অ্যাঙ্গেল ক্লোজার গ্লুকোমা থাকলে।
  • পাকস্থলী বা অন্ত্রে বাধা, প্যারালাইটিক ইলিয়াস, অথবা গুরুতর আলসারেটিভ কোলাইটিস বা টক্সিক মেগাকোলন থাকলে।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস থাকলে।
  • গুরুতর হৃদরোগ বা লিভারের গুরুতর সমস্যা থাকলে।
  • ইমিডাফেনাসিনে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঝাপসা দেখা, চোখ শুষ্ক হওয়া ও পেটে অস্বস্তি। কম দেখা যায়: প্রস্রাব করতে কষ্ট, মাথা ঘোরা, ঘুম ঘুম ভাব, মাথাব্যথা, র‍্যাশ ও চুলকানি। বিরল: প্রস্রাব আটকে যাওয়া, অ্যাঙ্গেল ক্লোজার গ্লুকোমা, লিভারের সমস্যা ও হৃৎস্পন্দনে পরিবর্তন।

প্রস্রাব করতে না পারলে, ঝাপসা দেখার সাথে হঠাৎ চোখে ব্যথা, তীব্র পেটব্যথা বা কয়েক দিন পায়খানা না হলে, ত্বক বা চোখ হলুদ হলে, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, অথবা মুখ বা গলা ফুলে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের তথ্য খুব কম, তাই ডাক্তার প্রয়োজন মনে না করলে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এটি সুপারিশ করা হয় না।

সতর্কতা

প্রোস্টেট বড় এমন পুরুষ বা যাদের প্রস্রাবের ধারা দুর্বল, তাদের সাবধানে ব্যবহার করতে হবে, কারণ প্রস্রাব আটকে যেতে পারে। বয়স্ক, হৃৎস্পন্দনের সমস্যা, ডিমেনশিয়া বা ধীর অন্ত্রের চলাচল থাকলেও সাবধানতা দরকার। এটি ঝাপসা দেখা ও ঘুম ঘুম ভাব আনতে পারে, তাই গাড়ি চালানোর সময় সাবধান থাকুন। চিকিৎসার আগে ডাক্তার প্রস্রাবের সংক্রমণের মতো অন্য কারণ বাদ দেবেন। এটি ঘাম কমাতে পারে, তাই গরমে শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়া এড়িয়ে চলুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত হলে তীব্র অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব দেখা দিতে পারে: মুখ খুব শুকিয়ে যাওয়া, মুখ লাল হওয়া, দ্রুত হৃৎস্পন্দন, বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন, জ্বর ও প্রস্রাব করতে না পারা। জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

মূত্রনালির অ্যান্টিস্প্যাজমোডিক, অ্যান্টিমাসকারিনিক

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Imidafenacin এর ব্র্যান্ড

2 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।