কী কাজে ব্যবহার হয়
কেটোরোলাক একটি শক্তিশালী নন-স্টেরয়েডাল প্রদাহনাশক ঔষধ (NSAID)। মাঝারি থেকে তীব্র ব্যথা, সাধারণত অপারেশনের পরের ব্যথা, অল্প সময়ের জন্য কমাতে ব্যবহার হয়। আর্থ্রাইটিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার জন্য নয়।
কীভাবে খাবেন
সাধারণত প্রথমে হাসপাতালে ইনজেকশন দেওয়া হয়, তারপর ট্যাবলেট দিয়ে চালানো হয়: প্রাপ্তবয়স্করা দরকার হলে প্রতি 4 থেকে 6 ঘণ্টা পরপর 10 mg, দিনে 40 mg এর বেশি নয়। ইনজেকশন ও ট্যাবলেট মিলিয়ে মোট চিকিৎসা 5 দিনের বেশি হবে না। ট্যাবলেট খাবার বা দুধের সাথে খান। চোখের ড্রপ শুধু চোখের ডাক্তারের নির্দেশমতো ব্যবহার করুন।
কারা খাবেন না
কেটোরোলাক, অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID এ এলার্জি থাকলে, পাকস্থলীর আলসার বা রক্তক্ষরণ থাকলে বা আগে হয়ে থাকলে, রক্তক্ষরণের রোগ, কিডনির সমস্যা, গুরুতর হার্ট ফেইলিউর বা পানিশূন্যতা থাকলে, বড় অপারেশনের আগে, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময়, এবং 16 বছরের কম বয়সে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ: পেট ব্যথা, বদহজম, বমিভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ঘুম ঘুম ভাব। কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, রক্তবমি, প্রস্রাব অনেক কমে যাওয়া, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা গুরুতর র্যাশ হলে সাথে সাথে চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
বেশিরভাগ ব্যথার ঔষধের চেয়ে এতে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বেশি, তাই নির্ধারিত মাত্রার বেশি বা 5 দিনের বেশি খাবেন না। বয়স্ক ও 50 kg এর কম ওজনের মানুষের সাধারণত কম মাত্রা লাগে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা, প্রসবের সময় বা স্তন্যদানের সময় ব্যবহার করবেন না।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অন্য NSAID, অ্যাসপিরিন, রক্ত পাতলা করার ঔষধ, প্রোবেনেসিড বা পেন্টক্সিফাইলিনের সাথে খাবেন না। রক্তচাপের ঔষধ, প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ, লিথিয়াম, মেথোট্রেক্সেট বা বিষণ্ণতার ঔষধ খেলে ডাক্তারকে জানান।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।