বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Magnesium Hydroxide

  • 232 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 143 টি কোম্পানি

ব্যবহার

  • অ্যান্টাসিড হিসেবে, বুক জ্বালা, অ্যাসিডিটি ও টক ঢেকুর কমাতে। প্রায়ই অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইডের সাথে, আবার কখনও পেট ফাঁপার জন্য সিমেথিকোনের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়।
  • জোলাপ হিসেবে (মিল্ক অফ ম্যাগনেশিয়া নামে পরিচিত), মাঝেমধ্যে হওয়া কোষ্ঠকাঠিন্যে।

কীভাবে কাজ করে

ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড একটি ক্ষার, যা পাকস্থলীর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে জ্বালাপোড়া কমায়। বেশি মাত্রায় এটি অন্ত্রে পানি টেনে আনে, ফলে মল নরম হয় এবং সাধারণত কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পায়খানা হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

বিভিন্ন পণ্যের শক্তি আলাদা, তাই লেবেল বা ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

  • অ্যান্টাসিড (প্রাপ্তবয়স্ক): সাধারণত ৫ থেকে ১০ ml সাসপেনশন, বা ১ থেকে ২টি চুষে বা চিবিয়ে খাওয়ার ট্যাবলেট, খাবারের পরে ও ঘুমানোর আগে বা উপসর্গ হলে, দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার। সাসপেনশন ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন; ট্যাবলেট পুরোপুরি চিবিয়ে খান।
  • জোলাপ (প্রাপ্তবয়স্ক): প্রায়ই সাধারণ সাসপেনশনের (প্রতি ৫ ml এ ৪০০ mg) ৩০ থেকে ৪৫ ml, রাতে ঘুমানোর আগে একবারে, এক গ্লাস পানির সাথে।
  • শিশু: শুধু ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড অনেক ঔষধের শোষণ কমায়, যেমন ডক্সিসাইক্লিন ও অন্যান্য টেট্রাসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও অন্যান্য কুইনোলোন, আয়রন, লেভোথাইরক্সিন, ডিগক্সিন, কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, গ্যাবাপেন্টিন ও বিসফসফোনেট। অন্য ঔষধ এর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে বা পরে খান (কুইনোলোনের ক্ষেত্রে ৪ ঘণ্টা)। এটি এন্টেরিক কোটেড ট্যাবলেটকে পাকস্থলীতেই আগেভাগে গলিয়ে দিতে পারে।

কারা খাবেন না

  • কিডনির গুরুতর রোগে।
  • অন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে, বা অজানা কারণে তীব্র পেটব্যথা থাকলে, বিশেষ করে বমিভাব, বমি বা জ্বরসহ (অ্যাপেন্ডিসাইটিস হতে পারে)।
  • ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ডায়রিয়া ও পেটে মোচড় দেওয়া ব্যথা সবচেয়ে বেশি হয়। কিডনির সমস্যা থাকলে রক্তে ম্যাগনেশিয়াম জমে দুর্বলতা, ঝিমুনি, নিম্ন রক্তচাপ ও হৃদ্‌স্পন্দন ধীর হতে পারে।

তীব্র পেটব্যথা, কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, রক্তবমি, ঝিমুনি বা ধীর শ্বাসের সাথে প্রবল পেশি দুর্বলতা, অথবা তীব্র এলার্জি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

মাঝেমধ্যে অ্যান্টাসিড হিসেবে ব্যবহার গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সাধারণত গ্রহণযোগ্য ধরা হয়। নিয়মিত বা জোলাপ হিসেবে ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • কিডনির রোগে ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাবধানে ব্যবহার করুন।
  • ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এক সপ্তাহের বেশি জোলাপ হিসেবে ব্যবহার করবেন না।
  • বুক জ্বালা ২ সপ্তাহের বেশি থাকলে, অথবা ওজন কমা, গিলতে কষ্ট, বমি বা কালো পায়খানা হলে ডাক্তার দেখান।
  • জোলাপ হিসেবে খেলে যথেষ্ট পানি পান করুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা হতে পারে। কিডনি দুর্বল হলে রক্তে ম্যাগনেশিয়াম বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে দুর্বলতা, বিভ্রান্তি ও ধীর হৃদ্‌স্পন্দন হতে পারে। চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টাসিড; অসমোটিক জোলাপ।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। সাসপেনশন ফ্রিজে জমাবেন না এবং ঢাকনা শক্ত করে বন্ধ রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Magnesium Hydroxide এর ব্র্যান্ড

30 টি ব্র্যান্ড

Magnesium Hydroxide যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

202 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।