বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Meningococcal Polysaccharide Vaccine

  • 1 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 1 টি কোম্পানি

ব্যবহার

মেনিনগোকক্কাল পলিস্যাকারাইড ভ্যাকসিন (গ্রুপ A, C, W-১৩৫ ও Y) মেনিনগোকক্কাল রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এটি একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যা মেনিনজাইটিস (মস্তিষ্কের আবরণের সংক্রমণ) ও রক্তে সংক্রমণ (সেপটিসেমিয়া) ঘটাতে পারে। হজ ও উমরাহ যাত্রী, রোগটি বেশি দেখা যায় এমন এলাকায় ভ্রমণকারী, প্লীহা কাজ করে না এমন ব্যক্তি, ল্যাবরেটরি কর্মী এবং প্রাদুর্ভাবের সময় ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

এই ভ্যাকসিনে মেনিনগোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার চারটি গ্রুপের বাইরের আবরণ থেকে নেওয়া বিশুদ্ধ শর্করা অংশ (পলিস্যাকারাইড) থাকে। এটি নিজে সংক্রমণ ঘটাতে পারে না। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এই অংশগুলো চিনতে শেখে এবং সাধারণত প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সুরক্ষাদায়ী অ্যান্টিবডি তৈরি করে। পলিস্যাকারাইড ভ্যাকসিনের সুরক্ষা কয়েক বছর থাকে এবং ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দুর্বল হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

চিকিৎসক বা নার্স জাতীয় সূচি বা ভ্রমণের শর্ত অনুযায়ী একটি ইনজেকশন হিসেবে, সাধারণত চামড়ার নিচে, এই ভ্যাকসিন দেন। বুস্টার ডোজের প্রয়োজন ও সময় স্বাস্থ্যকর্মী ঠিক করেন। সাধারণত ভ্রমণের অন্তত ১০ দিন আগে দেওয়া হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় এমন ঔষধ, যেমন উচ্চমাত্রার কর্টিকোস্টেরয়েড, ক্যান্সারের চিকিৎসা বা ইমিউনোসাপ্রেস্যান্ট, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কমাতে পারে। সাধারণত একই দিনে অন্য ভ্যাকসিনের সাথে ভিন্ন জায়গায় দেওয়া যায়। আপনার সব ঔষধের কথা টিকাদানকারীকে জানান।

কারা খাবেন না

আগের ডোজে বা ভ্যাকসিনের কোনো উপাদানে মারাত্মক অ্যালার্জি হয়ে থাকলে দেওয়া যাবে না। উচ্চ জ্বর বা তীব্র অসুস্থতার সময় সাধারণত টিকা পিছিয়ে দেওয়া হয়; সামান্য সর্দি থাকলে পিছানোর দরকার নেই।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা, লাল হওয়া ও ফোলা, হালকা জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও খিটখিটে ভাব সাধারণ, যা সাধারণত ১ থেকে ২ দিনে সেরে যায়।

টিকার পর মুখ বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট, সারা শরীরে র‍্যাশ, অজ্ঞান হওয়া, খুব বেশি জ্বর বা খিঁচুনি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। ইনজেকশনের পর সাধারণত প্রায় ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

মেনিনগোকক্কাল রোগের প্রকৃত ঝুঁকি থাকলে, যেমন হজযাত্রার আগে বা প্রাদুর্ভাবের সময়, চিকিৎসকের পরামর্শে গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এই ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে।

সতর্কতা

রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা আগে টিকায় প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে টিকাদানকারীকে জানান। যেকোনো ভ্যাকসিনের মতো সবাই পুরোপুরি সুরক্ষিত নাও হতে পারেন, তাই উচ্চ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হওয়া বা চাপ দিলেও মিলিয়ে যায় না এমন র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। ইনজেকশনের সময় অজ্ঞান ভাব হতে পারে; এমন লাগলে বসে বা শুয়ে পড়ুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

স্বাস্থ্যকর্মীরা একটি মাপা ডোজ দেন বলে মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। একটি অতিরিক্ত ডোজে গুরুতর ক্ষতি আশা করা হয় না।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ভ্যাকসিন (ব্যাকটেরিয়াল পলিস্যাকারাইড, মেনিনগোকক্কাল)।

সংরক্ষণ

ফ্রিজে ২ থেকে ৮°C তাপমাত্রায় রাখুন, জমাবেন না। আলো থেকে দূরে রাখুন। গুলে নেওয়ার পর প্যাকে লেখা সময়ের মধ্যে ব্যবহার করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Meningococcal Polysaccharide Vaccine যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

1 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।