বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Mizolastine

  • 4 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 3 টি কোম্পানি

ব্যবহার

মিজোলাস্টিন একটি দীর্ঘক্ষণ কার্যকর অ্যান্টিহিস্টামিন, যা প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের মৌসুমি ও সারাবছরের অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা চুলকানো, চোখ চুলকানো ও পানি পড়া) এবং আমবাত (অ্যালার্জিজনিত চুলকানিযুক্ত ফোলা ফুসকুড়ি) এর উপসর্গ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

কীভাবে কাজ করে

অ্যালার্জির সময় শরীর হিস্টামিন নিঃসরণ করে, যা চুলকানি, হাঁচি, ফোলা ও লালচে ভাব ঘটায়। মিজোলাস্টিন হিস্টামিনের H1 রিসেপ্টর বন্ধ করে এবং আরও কিছু প্রদাহজনক সংকেত কমায়। খুব অল্প পরিমাণ মস্তিষ্কে পৌঁছায় বলে পুরনো অ্যান্টিহিস্টামিনের চেয়ে ঘুমঘুম ভাব কম হয়। মডিফাইড-রিলিজ ট্যাবলেটটি ২৪ ঘণ্টা কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী: দিনে ১ বার ১০ mg। ট্যাবলেট পানি দিয়ে আস্ত গিলে ফেলুন; গুঁড়া করবেন বা চিবাবেন না। খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া খাওয়া যায়। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সুপারিশ করা হয় না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, এরিথ্রোমাইসিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন বা মুখে বা ইনজেকশনে দেওয়া অন্য ম্যাক্রোলাইডের সাথে খাওয়া যাবে না, কারণ মাত্রা বেড়ে হৃৎস্পন্দনের সমস্যা হতে পারে।
  • কিছু অ্যান্টি-অ্যারিদমিক (অ্যামিওডারোন, সোটালল), কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক ও সিসাপ্রাইডের মতো QT ব্যবধান বাড়ানো ঔষধ এড়িয়ে চলুন।
  • সিমেটিডিন, সাইক্লোস্পোরিন ও নিফেডিপিন: সাবধানে ব্যবহার করুন।
  • অ্যালকোহল: ঘুমঘুম ভাব বাড়াতে পারে।

কারা খাবেন না

  • মিজোলাস্টিন বা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।
  • লিভারের উল্লেখযোগ্য রোগ থাকলে।
  • উল্লেখযোগ্য হৃদরোগ, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের ইতিহাস, ধীর হৃৎস্পন্দন বা দীর্ঘ QT ব্যবধান থাকলে বা সন্দেহ হলে।
  • রক্তে পটাশিয়াম কম বা অন্য লবণের ভারসাম্যহীনতা থাকলে।
  • উপরে উল্লেখিত প্রতিক্রিয়াকারী ঔষধের সাথে।
  • গর্ভাবস্থায়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে ঘুমঘুম ভাব বা ক্লান্তি, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ডায়রিয়া, পেটব্যথা, বমিভাব এবং ক্ষুধা বেড়ে ওজন বাড়া। কম দেখা যায় নিম্ন রক্তচাপ, উদ্বেগ, গাঁট বা মাংসপেশিতে ব্যথা এবং লিভার পরীক্ষার পরিবর্তন। কদাচিৎ হৃৎস্পন্দনে প্রভাব ফেলতে পারে।

বুক ধড়ফড়, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, অজ্ঞান হওয়া, অথবা শ্বাসকষ্টসহ মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে, ব্যবহার করবেন না। মিজোলাস্টিন বুকের দুধে যায়, তাই স্তন্যদানকালে সুপারিশ করা হয় না।

সতর্কতা

  • বয়স্করা ঘুমঘুম ভাব ও হৃৎপিণ্ডের প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারেন।
  • বেশিরভাগ মানুষের ঘুম পায় না, তবে গাড়ি চালানো বা যন্ত্র চালানোর আগে এটি আপনার ওপর কী প্রভাব ফেলে তা দেখে নিন।
  • শুরুর আগে হৃৎপিণ্ডের যেকোনো সমস্যার কথা চিকিৎসককে জানান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবনে ঘুমঘুম ভাব ও হৃৎস্পন্দনের গোলমাল হতে পারে। দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন; হৃৎপিণ্ড পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যান্টিহিস্টামিন (H1 রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Mizolastine এর ব্র্যান্ড

4 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।