বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Palbociclib

  • 15 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 11 টি কোম্পানি

ব্যবহার

প্যালবোসিক্লিব মুখে খাওয়ার একটি টার্গেটেড ক্যান্সারের ঔষধ। এটি হরমোন রিসেপ্টর-পজিটিভ (HR-পজিটিভ), HER2-নেগেটিভ স্তন ক্যান্সারে ব্যবহার হয়, যখন ক্যান্সার উন্নত পর্যায়ে থাকে বা শরীরের অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এটি হরমোন থেরাপির সাথে দেওয়া হয়: লেট্রোজোলের মতো অ্যারোমাটেজ ইনহিবিটর, অথবা ফুলভেস্ট্রান্ট। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এটি দেন এবং নজরে রাখেন।

কীভাবে কাজ করে

প্যালবোসিক্লিব CDK4 ও CDK6 নামের দুটি প্রোটিন আটকে দেয়, যা ক্যান্সার কোষকে বিভাজিত হতে সাহায্য করে। এগুলো আটকালে ক্যান্সারের বৃদ্ধি ধীর হয় বা থেমে যায়। হরমোন থেরাপির সাথে দিলে এটি শুধু হরমোন থেরাপির চেয়ে ভালো কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ঠিক যেভাবে ডাক্তার লিখে দিয়েছেন সেভাবে খান। সাধারণত ২১ দিন দিনে একবার খেতে হয়, তারপর ৭ দিন বিরতি; এভাবে ২৮ দিনে একটি চক্র। রক্তকণিকা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ডাক্তার মাত্রা কমাতে বা চিকিৎসা বিরতি দিতে পারেন।

  • প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে খান। ক্যাপসুল খাবারের সাথে খেতে হয়; ট্যাবলেট খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যায়। আপনার ঔষধের লিফলেট অনুসরণ করুন।
  • আস্ত গিলে খান; চিবাবেন, গুঁড়া করবেন বা খুলবেন না।
  • ডোজ বাদ পড়লে বা বমি হলে অতিরিক্ত ডোজ খাবেন না; পরের ডোজ স্বাভাবিক সময়ে খান।
  • জাম্বুরা (গ্রেপফ্রুট) ও এর রস এড়িয়ে চলুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ক্লারিথ্রোমাইসিন, ইট্রাকোনাজল, কিটোকোনাজল, রিটোনাভির ও ভোরিকোনাজলের মতো শক্তিশালী CYP3A প্রতিরোধক প্যালবোসিক্লিবের মাত্রা বাড়ায়; এগুলো এড়িয়ে চলতে হয় বা মাত্রা কমাতে হয়।
  • রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন ও সেন্ট জনস ওয়ার্ট এর মাত্রা কমায়, তাই এড়িয়ে চলা উচিত।
  • মিডাজোলাম, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস ও সিমভাস্টাটিনের মতো কিছু ঔষধের মাত্রা বাড়াতে পারে।

যে সব ঔষধ ও ভেষজ পণ্য খাচ্ছেন, তা বিশেষজ্ঞকে জানান।

কারা খাবেন না

  • প্যালবোসিক্লিব বা এর কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে
  • সেন্ট জনস ওয়ার্টযুক্ত পণ্য খেলে

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

খুব সাধারণ: শ্বেত রক্তকণিকা কমে যাওয়া (নিউট্রোপেনিয়া), সংক্রমণ, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, মুখে ঘা, চুল পাতলা হওয়া, ডায়রিয়া, রক্তস্বল্পতা, প্লাটিলেট কমে যাওয়া, র‍্যাশ ও ক্ষুধা কমে যাওয়া।

নিচের যেকোনোটি হলে জরুরি চিকিৎসা নিন:

  • জ্বর, কাঁপুনি বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ
  • নতুন বা বাড়তে থাকা কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা (ফুসফুসের প্রদাহ হতে পারে)
  • অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে দাগ
  • পায়ে ব্যথা, ফোলা বা গরম ভাব, বা হঠাৎ শ্বাসকষ্ট (রক্ত জমাট বাঁধার লক্ষণ হতে পারে)

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

প্যালবোসিক্লিব গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে এমন নারীদের চিকিৎসার সময় এবং শেষ ডোজের পর কয়েক সপ্তাহ, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, কার্যকর জন্মনিরোধ ব্যবহার করা উচিত। যেসব পুরুষের সঙ্গীর গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে, তাদেরও জন্মনিরোধ ব্যবহার করা উচিত। চিকিৎসার সময় এবং ডাক্তারের বলা সময় পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন না। এটি পুরুষের প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

সতর্কতা

  • প্রতিটি চক্রের আগে এবং চিকিৎসার শুরুতে আরও ঘন ঘন রক্তকণিকা পরীক্ষা করা হয়।
  • লিভার বা কিডনির সমস্যা, বা বর্তমানে কোনো সংক্রমণ থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • শ্বাসের কোনো সমস্যা হলে দ্রুত জানান।
  • ক্লান্তি হতে পারে; গাড়ি চালানোর সময় সাবধান থাকুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেয়ে ফেললে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন বা হাসপাতালে যান। বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও রক্তকণিকা কমে যাওয়া হতে পারে। নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই; সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী ঔষধ; CDK4/6 প্রতিরোধক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে, মূল প্যাকেটে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Palbociclib এর ব্র্যান্ড

15 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।