কী কাজে ব্যবহার হয়
প্যারাসিটামল জ্বর কমায় এবং হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা উপশম করে, যেমন মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা, পিরিয়ডের ব্যথা, শরীর ব্যথা ও টিকার পরের ব্যথা। এটি ফোলা কমায় না।
কীভাবে খাবেন
প্রাপ্তবয়স্ক ও 12 বছরের বেশি বয়সী: সাধারণত 500 mg থেকে 1 g (500 mg এর 1 থেকে 2টি ট্যাবলেট) দরকার হলে প্রতি 4 থেকে 6 ঘণ্টা পরপর। 24 ঘণ্টায় 4 g (500 mg এর 8টি ট্যাবলেট) এর বেশি খাবেন না, এবং দুই ডোজের মাঝে অন্তত 4 ঘণ্টা বিরতি দিন। যাদের ওজন কম, নিয়মিত অ্যালকোহল পান করেন বা লিভারের সমস্যা আছে, তাদের সর্বোচ্চ মাত্রা কম; ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
শিশু: সিরাপ, সাসপেনশন বা ড্রপ ব্যবহার করুন। ডোজ শিশুর ওজন অনুযায়ী ঠিক হয়, তাই ডাক্তারের পরামর্শ বা লিফলেট ঠিকমতো মানুন এবং সাথে দেওয়া মাপার কাপ বা ড্রপার ব্যবহার করুন।
এক্সটেন্ডেড রিলিজ (665 mg) ট্যাবলেট আলাদাভাবে খেতে হয়, সাধারণত প্রতি 8 ঘণ্টায় 2টি। আস্ত গিলে খান।
কারা খাবেন না
প্যারাসিটামলে এলার্জি থাকলে বা গুরুতর লিভারের রোগ থাকলে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ মাত্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব কম। কখনো কখনো ত্বকে র্যাশ, খুব কম ক্ষেত্রে ত্বকের গুরুতর প্রতিক্রিয়া বা রক্তের সমস্যা হতে পারে। র্যাশ, ত্বক উঠে যাওয়া বা ফোসকা হলে ঔষধ বন্ধ করে ডাক্তার দেখান।
সতর্কতা
অনেক সর্দি-কাশি ও ব্যথার ঔষধেও প্যারাসিটামল থাকে। লেবেল দেখে নিন, যাতে একসাথে দুটি না খান। জ্বর 3 দিনের বেশি বা ব্যথা 5 দিনের বেশি (শিশুদের 3 দিন) থাকলে ডাক্তার দেখান।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় প্যারাসিটামল প্রচলিতভাবে ব্যবহার হয়। যত কম মাত্রায় কাজ হয় ও যত কম সময় সম্ভব খান; বারবার দরকার হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
ওয়ারফারিন খেলে ডাক্তারকে জানান, কারণ নিয়মিত প্যারাসিটামল এর কাজ বাড়াতে পারে। কিছু খিঁচুনির ঔষধ ও নিয়মিত অ্যালকোহল পান লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
অতিরিক্ত মাত্রা
বেশি প্যারাসিটামল খেলে লিভারের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে, শুরুতে ভালো লাগলেও। বেশি খেয়ে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।