বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Pivmecillinam

  • 18 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 18 টি কোম্পানি

ব্যবহার

পিভমেসিলিনাম একটি পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক, যা মূলত মূত্রনালীর সংক্রমণে (UTI) ব্যবহার হয়, বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্কদের জটিলতাহীন সিস্টাইটিসে (মূত্রথলির সংক্রমণ)। সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়াজনিত অন্য সংক্রমণেও ডাক্তার এটি দিতে পারেন। সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এটি কাজ করে না।

কীভাবে কাজ করে

পিভমেসিলিনাম একটি “প্রোড্রাগ”: শোষিত হওয়ার পর শরীর এটিকে সক্রিয় অ্যান্টিবায়োটিক মেসিলিনামে রূপান্তর করে। মেসিলিনাম ই. কোলাইয়ের মতো অনেক ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর তৈরি বন্ধ করে দেয়, ফলে সেগুলো ফেটে মারা যায়। এটি প্রস্রাবে ভালো মাত্রায় জমা হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্কদের জটিলতাহীন সিস্টাইটিস: সাধারণত প্রথম ডোজ ৪০০ mg, তারপর ২০০ mg দিনে ৩ বার, মোট ৩ দিন। কোনো কোনো ডাক্তার ৪০০ mg দিনে ২ বা ৩ বার, ৩ থেকে ৫ দিন দেন। ব্যবস্থাপত্র মেনে চলুন।
  • অন্য সংক্রমণ ও শিশু: ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী।

ট্যাবলেট আস্ত এক গ্লাস পানি দিয়ে, খাবারের সময় বা পরপরই, সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে খান। শোয়ার ঠিক আগে খাবেন না, কারণ এতে খাদ্যনালীতে জ্বালা হতে পারে। ভালো বোধ করলেও পুরো কোর্স শেষ করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ভ্যালপ্রোয়েট (সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট বা ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিড): দুটিই শরীরে কার্নিটিন কমায়; একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
  • মেথোট্রেক্সেট: এর মাত্রা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়তে পারে।
  • প্রোবেনেসিড: পিভমেসিলিনামের মাত্রা বাড়ায়।
  • আপনি যত ঔষধ খান, সব ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

  • পিভমেসিলিনাম, মেসিলিনাম বা অন্য পেনিসিলিনে এলার্জি, বা সেফালোস্পোরিনে গুরুতর এলার্জি থাকলে।
  • জন্মগত কার্নিটিন ঘাটতি বা কার্নিটিনের উপর প্রভাব ফেলে এমন রোগ থাকলে।
  • খাদ্যনালী সরু বা বন্ধ হওয়া, বা গিলতে সমস্যা থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, বদহজম এবং যোনিতে ছত্রাক সংক্রমণ (থ্রাশ)। কম ক্ষেত্রে: বমি, পেটে ব্যথা, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা ও র‍্যাশ।

নিচের যেকোনোটি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • গুরুতর এলার্জির লক্ষণ: মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, সারা শরীরে র‍্যাশ বা ফোসকা।
  • চিকিৎসার সময় বা পরে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া।
  • বুকে ব্যথা বা গিলতে ব্যথা।
  • জ্বর, পিঠ বা পাঁজরে ব্যথা, বা বমি; এতে বোঝায় সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় পিভমেসিলিনাম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং শিশুর ক্ষতির কথা জানা নেই, তবে শুধু ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে খান। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়; সাধারণত বুকের দুধ খাওয়ানোর সাথে খাওয়া চলে, তবে শিশুর ডায়রিয়া বা মুখে ছত্রাক সংক্রমণ হলে ডাক্তারকে জানান।

সতর্কতা

  • বারবার বা দীর্ঘ কোর্সে কার্নিটিন কমে যেতে পারে, যাতে পেশিতে দুর্বলতা বা রক্তে শর্করা কমে যেতে পারে; ডাক্তার না বললে দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না।
  • ২ থেকে ৩ দিনে উপসর্গ না কমলে, বা কোর্স শেষের পরপরই আবার ফিরে এলে ডাক্তার দেখান।
  • কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • পুরুষ, শিশু, গর্ভবতী নারী এবং বারবার UTI হয় এমন ব্যক্তিরা নিজে চিকিৎসা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া ও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক (এমিডিনোপেনিসিলিন)।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Pivmecillinam এর ব্র্যান্ড

18 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।