বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Potassium Bicarbonate

  • 32 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 29 টি কোম্পানি

ব্যবহার

পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট সাধারণত এফারভেসেন্ট ট্যাবলেটে থাকে, প্রায়ই পটাশিয়াম সাইট্রেটের সাথে। এটি রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়া (হাইপোক্যালেমিয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়, যেমন প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ, বমি বা পাতলা পায়খানার কারণে হলে। প্রস্রাবের অম্লতা কমাতেও এটি ব্যবহার হয়, যা কিছু ধরনের কিডনির পাথর প্রতিরোধে ও কিছু অ্যাসিডোসিসের চিকিৎসায় সাহায্য করে।

কীভাবে কাজ করে

এটি পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে, যা হার্টের স্বাভাবিক ছন্দ, মাংসপেশির শক্তি ও স্নায়ুর সংকেতের জন্য দরকার। বাইকার্বোনেট অংশ অম্ল নিষ্ক্রিয় করে রক্ত ও প্রস্রাবের অম্লতা কমায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। মাত্রা রক্তের পটাশিয়াম ও চিকিৎসার কারণের উপর নির্ভর করে, এবং রক্ত পরীক্ষার পর ডাক্তার তা বদলান। এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট এক গ্লাস পানিতে (বা লেবেলের নির্দেশমতো) পুরোপুরি গলিয়ে, বুদবুদ থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করে খাবারের পর খান। ট্যাবলেট আস্ত গিলবেন বা চিবাবেন না। শিশু: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

কিছু ঔষধও পটাশিয়াম বাড়ায়, একসাথে খেলে বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছাতে পারে: পটাশিয়াম স্পেয়ারিং ডাইউরেটিক (স্পাইরোনোল্যাকটোন, এপলেরেনোন, অ্যামিলোরাইড, ট্রায়ামটেরিন), ACE ইনহিবিটর (যেমন এনালাপ্রিল, র্যামিপ্রিল), ARB (যেমন লসারটান), ফাইনেরেনোন, ট্রাইমেথোপ্রিম, হেপারিন, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস ও NSAID ব্যথানাশক। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া পটাশিয়ামযুক্ত বিকল্প লবণ ব্যবহার করবেন না।

কারা খাবেন না

  • রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে (হাইপারক্যালেমিয়া)।
  • গুরুতর কিডনি বিকলতা, বা এমন অবস্থা যেখানে শরীর ঠিকমতো পটাশিয়াম বের করতে পারে না, যেমন চিকিৎসাহীন অ্যাডিসনস রোগ।
  • তীব্র পানিশূন্যতা, বা অ্যালকালোসিস (রক্ত বেশি ক্ষারীয়)।
  • কোনো উপাদানে এলার্জি।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বমি বমি ভাব, বমি, পেটের অস্বস্তি, পেটে গ্যাস, ঢেঁকুর ও পাতলা পায়খানা সবচেয়ে সাধারণ; ভালোভাবে গলিয়ে খাবারের পর খেলে এগুলো কম হয়।

জরুরি চিকিৎসা নিন যদি: পায়ে দুর্বলতা বা ভারী লাগা, ঝিমঝিম বা অবশ ভাব, অনিয়মিত বা ধীর হৃৎস্পন্দন, বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হওয়া (উচ্চ পটাশিয়ামের লক্ষণ); অথবা তীব্র পেটব্যথা, রক্তবমি বা কালো পায়খানা।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

পটাশিয়াম শরীর ও খাবারের স্বাভাবিক উপাদান। ডাক্তারের পরামর্শে এবং রক্তের মাত্রা পরীক্ষা করে গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এটি ব্যবহার করা যায়।

সতর্কতা

  • নিয়মিত পটাশিয়াম ও কিডনির রক্ত পরীক্ষা দরকার।
  • বয়স্ক এবং কিডনির রোগ, হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস থাকলে বাড়তি সাবধানতা দরকার।
  • দীর্ঘসময় বমি বা পাতলা পায়খানা হলে, বা স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হলে ডাক্তারকে জানান।
  • কিছু এফারভেসেন্ট ট্যাবলেটে সোডিয়াম থাকে; লবণ কম খাওয়ার পরামর্শ থাকলে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

অতিরিক্ত পটাশিয়াম বিপজ্জনক হৃৎস্পন্দন ঘটাতে পারে এবং জীবনের জন্য হুমকি হতে পারে। বেশি খেয়ে ফেললে বা উচ্চ পটাশিয়ামের লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট (ইলেকট্রোলাইট পূরণ; প্রস্রাবের অম্লতা কমানোর ঔষধ)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করতে টিউবের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Potassium Bicarbonate যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

32 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।