বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Risedronate Sodium

  • 5 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 4 টি কোম্পানি

ব্যবহার

রাইসেড্রোনেট সোডিয়াম মেনোপজের পর নারী ও পুরুষদের অস্টিওপোরোসিস (হাড় পাতলা ও দুর্বল হয়ে যাওয়া) এবং দীর্ঘদিন স্টেরয়েড খাওয়ার কারণে হওয়া অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি মেরুদণ্ড ও কোমরের হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমায়। হাড়ের পেজেট রোগেও এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

রাইসেড্রোনেট একটি বাইফসফোনেট। এটি হাড়ের সাথে লেগে থাকে এবং যে কোষগুলো (অস্টিওক্লাস্ট) হাড় ক্ষয় করে তাদের কাজ ধীর করে দেয়। ফলে হাড় গঠন হাড় ক্ষয়ের চেয়ে এগিয়ে থাকে এবং সময়ের সাথে হাড় ঘন ও মজবুত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

অস্টিওপোরোসিসে প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা দিনে ১ বার ৫ mg, সপ্তাহে ১ বার ৩৫ mg অথবা মাসে ১ বার ১৫০ mg, চিকিৎসকের নির্দেশমতো। পেজেট রোগে সাধারণত দিনে ৩০ mg করে ২ মাস। সকালে খালি পেটে, পুরো এক গ্লাস সাধারণ পানি দিয়ে (মিনারেল ওয়াটার, চা, কফি, দুধ বা জুস নয়) খান এবং খাবার, পানীয় বা অন্য ঔষধের অন্তত ৩০ মিনিট আগে খান। বসে বা দাঁড়িয়ে আস্ত ট্যাবলেট গিলে ফেলুন এবং অন্তত ৩০ মিনিট শুয়ে পড়বেন না। বেশিরভাগ রোগীর চিকিৎসকের পরামর্শমতো পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি প্রয়োজন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম বা জিংকযুক্ত পণ্য, অ্যান্টাসিড ও দুধ: শোষণ বাধা দেয়, তাই দিনের অন্য সময়ে খান।
  • অ্যাসপিরিন ও এনএসএআইডি ব্যথানাশক: পাকস্থলী ও খাদ্যনালির জ্বালা বাড়াতে পারে।

কারা খাবেন না

  • রক্তে ক্যালসিয়াম কম থাকলে।
  • ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে না পারলে।
  • গুরুতর কিডনি রোগ থাকলে।
  • খাদ্যনালি সরু হওয়া বা অ্যাকালেসিয়ার মতো সমস্যা থাকলে।
  • গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে।
  • রাইসেড্রোনেটে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বুক জ্বালা, বদহজম, পেটব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, বমিভাব, মাথাব্যথা এবং হাড়, গিঁট বা মাংসপেশিতে ব্যথা বেশি দেখা যায়। মাসিক মাত্রায় কয়েক দিন ফ্লুর মতো উপসর্গ হতে পারে।

বুকে তীব্র ব্যথা বা গিলতে ব্যথা, কালো পায়খানা বা রক্তবমি, চোয়ালে ব্যথা বা মুখের ঘা না শুকানো, উরু, কোমর বা কুঁচকিতে নতুন ব্যথা, চোখে ব্যথা বা লাল হওয়া, অথবা গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় রাইসেড্রোনেট ব্যবহার করা উচিত নয়।

সতর্কতা

শুরু করার আগে রক্তে কম ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ঠিক করে নিতে হবে। চিকিৎসার আগে দাঁতের পরীক্ষা করান ও মুখ পরিষ্কার রাখুন, কারণ কদাচিৎ চোয়ালের হাড়ের ক্ষতি (অস্টিওনেক্রোসিস) হতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে বিরল ধরনের উরুর হাড় ভাঙার খবর পাওয়া গেছে। কয়েক বছর পর চিকিৎসক চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করবেন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে রক্তে ক্যালসিয়াম কমে যেতে পারে ও পেটের সমস্যা হতে পারে। ঔষধকে বেঁধে ফেলতে এক গ্লাস দুধ বা অ্যান্টাসিড দিন এবং চিকিৎসা নিন। বমি করাবেন না, রোগীকে সোজা করে রাখুন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

বাইফসফোনেট; হাড়ক্ষয় প্রতিরোধক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Risedronate Sodium এর ব্র্যান্ড

4 টি ব্র্যান্ড

Risedronate Sodium যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

1 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।