বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Sparfloxacin

  • 34 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 32 টি কোম্পানি

ব্যবহার

স্পারফ্লক্সাসিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা ডাক্তার উপযুক্ত মনে করলে জীবাণুঘটিত সংক্রমণে দেন, প্রধানত:

  • সমাজে ছড়ানো নিউমোনিয়া।
  • জীবাণুর কারণে ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের হঠাৎ বেড়ে যাওয়া।
  • জীবাণুঘটিত সাইনুসাইটিস।

সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এটি কাজ করে না। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে সাধারণত অন্য অ্যান্টিবায়োটিক উপযুক্ত না হলে এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

স্পারফ্লক্সাসিন একটি ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক। জীবাণুর জিনগত উপাদান কপি করতে যে এনজাইম (DNA জাইরেজ ও টপোআইসোমারেজ IV) লাগে, এটি সেগুলো আটকে দেয়, ফলে জীবাণু মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত প্রথম দিন ৪০০ mg, তারপর দিনে একবার ২০০ mg, মোট প্রায় ১০ দিন, অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। কিডনির সমস্যা থাকলে ডাক্তার কম মাত্রা ঠিক করবেন। এক গ্লাস পানি দিয়ে খাবারের আগে বা পরে খান। ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • অ্যান্টাসিড, আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সুক্রালফেট শোষণ কমায়: এগুলোর অন্তত ৪ ঘণ্টা আগে স্পারফ্লক্সাসিন খান।
  • অ্যামিওডারোন, সোটালল, ইরাইথ্রোমাইসিন, কিছু মানসিক রোগের ঔষধ ও কিছু বিষণ্ণতার ঔষধের মতো হৃৎস্পন্দনের ছন্দে প্রভাব ফেলা ঔষধ: বিপজ্জনক হৃৎছন্দের ঝুঁকি; একসাথে এড়িয়ে চলুন।
  • আইবুপ্রোফেনের মতো NSAID: খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়ে।
  • প্রেডনিসোলনের মতো স্টেরয়েড: টেন্ডনের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
  • ওয়ারফারিন: এর কাজ বেড়ে যেতে পারে।

কারা খাবেন না

  • স্পারফ্লক্সাসিন বা সিপ্রোফ্লক্সাসিন, লেভোফ্লক্সাসিনের মতো অন্য কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকে এলার্জি থাকলে।
  • ইসিজিতে দীর্ঘ QT থাকলে, পরিবারে এর ইতিহাস থাকলে, অথবা পটাশিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কম থাকলে এবং তা ঠিক করা না হলে।
  • আগে কুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিকে টেন্ডনের সমস্যা হয়ে থাকলে।
  • ১৮ বছরের কম বয়সী, গর্ভবতী ও বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরা।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: রোদে ত্বকের প্রতিক্রিয়া (তীব্র রোদে পোড়া, লাল হওয়া, ফোসকা), বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেটব্যথা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ঘুমের সমস্যা।

দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, টেন্ডনে (প্রায়ই গোড়ালিতে) ব্যথা, ফোলা বা ছিঁড়ে যাওয়ার অনুভূতি, তীব্র পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া, খিঁচুনি, হাত-পায়ে অবশ ভাব বা জ্বালা, হঠাৎ মেজাজ বদল বা বিভ্রান্তি, ফোসকা পড়া র‍্যাশ, অথবা মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে খাওয়া বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় খাবেন না, কারণ এটি গর্ভের শিশুর গড়ে ওঠা অস্থিসন্ধির ক্ষতি করতে পারে। এটি বুকের দুধে যায়, তাই বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও খাবেন না; ডাক্তার অন্য অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন।

সতর্কতা

চিকিৎসার সময় এবং শেষ হওয়ার পর অন্তত ৫ দিন রোদ ও সানল্যাম্প এড়িয়ে চলুন; ত্বক ঢেকে রাখুন ও ছায়ায় থাকুন। হৃদরোগ, মৃগী, মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস, ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যা থাকলে, অথবা বয়স ৬০ এর বেশি হলে ডাক্তারকে জানান। বয়স্ক ও স্টেরয়েড খান এমন মানুষের টেন্ডনের ক্ষতির ঝুঁকি বেশি। মাথা ঘোরাতে পারে, তাই গাড়ি চালাতে সাবধান থাকুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে বিপজ্জনক হৃৎছন্দ, খিঁচুনি ও তীব্র পেটের গোলমাল হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিবায়োটিক (ফ্লুরোকুইনোলোন)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Sparfloxacin এর ব্র্যান্ড

34 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।