বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Spironolactone

  • 63 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 39 টি কোম্পানি

ব্যবহার

স্পাইরোনোল্যাকটোন একটি প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ (ডায়ুরেটিক), যা শরীরে পটাসিয়াম ধরে রাখে। এটি ব্যবহার হয়:

  • হার্ট ফেইলিওরে, সাধারণত অন্য হৃদরোগের ঔষধের সাথে
  • লিভারের রোগ (পেটে পানি), কিডনির রোগ (নেফ্রোটিক সিনড্রোম) বা হার্ট ফেইলিওরের কারণে শরীরে পানি জমায় (ইডিমা)
  • নিয়ন্ত্রণে কঠিন উচ্চ রক্তচাপে
  • প্রাইমারি হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজমে (অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি অতিরিক্ত অ্যালডোস্টেরন হরমোন তৈরি করলে)
  • বিশেষজ্ঞের পরামর্শে: নারীদের অতিরিক্ত লোম ও ব্রণে

কীভাবে কাজ করে

এটি অ্যালডোস্টেরন হরমোনকে বাধা দেয়, যা কিডনিকে লবণ ও পানি ধরে রাখতে বলে। ফলে কিডনি বেশি লবণ ও পানি বের করে দেয় কিন্তু পটাসিয়াম রেখে দেয়। এতে ফোলা ও রক্তচাপ কমে এবং হার্ট সুরক্ষিত থাকে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক, সাধারণ মাত্রা (সঠিক মাত্রা ডাক্তার ঠিক করেন):

  • হার্ট ফেইলিওর: দিনে ১ বার ২৫ mg, কখনও বাড়িয়ে ৫০ mg
  • উচ্চ রক্তচাপ: দিনে ২৫ থেকে ১০০ mg
  • ইডিমা ও পেটে পানি: প্রায়ই দিনে ১০০ mg, ডাক্তার প্রয়োজনমতো বদলান
  • হাইপারঅ্যালডোস্টেরনিজম, ত্বকের সমস্যা ও শিশু: ডাক্তারের নির্দেশমতো

খাবারের সাথে, সম্ভব হলে সকালে খান। পটাসিয়াম ও কিডনির রক্ত পরীক্ষা দরকার, বিশেষ করে প্রথম কয়েক সপ্তাহে ও মাত্রা বদলানোর পর।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • পটাসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, পটাসিয়ামযুক্ত বিকল্প লবণ, এবং অন্য পটাসিয়াম ধরে রাখা ডায়ুরেটিক (যেমন অ্যামিলোরাইড, ট্রায়ামটেরিন বা এপলেরেনোন): পটাসিয়াম বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি
  • ACE ইনহিবিটর (যেমন এনালাপ্রিল, রামিপ্রিল) ও ARB (যেমন লোসার্টান): প্রায়ই একসাথে দেওয়া হয়, তবে ঘন ঘন পটাসিয়াম পরীক্ষা দরকার
  • ট্রাইমেথোপ্রিম, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস ও হেপারিন: পটাসিয়াম বাড়াতে পারে
  • আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক ও অন্যান্য NSAID ব্যথানাশক: পটাসিয়াম বাড়াতে, কিডনির ক্ষতি করতে ও কার্যকারিতা কমাতে পারে
  • ডিজক্সিন ও লিথিয়াম: এদের মাত্রা বাড়তে পারে

কারা খাবেন না

  • রক্তে পটাসিয়াম বেশি থাকলে
  • কিডনির গুরুতর অকার্যকারিতা বা প্রস্রাব না হলে
  • অ্যাডিসনস রোগ (অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির অকার্যকারিতা)
  • এপলেরেনোন খেলে
  • স্পাইরোনোল্যাকটোনে এলার্জি থাকলে

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: পুরুষের স্তন বড় হওয়া বা ব্যথা, নারীদের অনিয়মিত মাসিক বা স্তনে ব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, পেটের অস্বস্তি, ডায়রিয়া ও পায়ে টান ধরা।

নিচের যেকোনোটি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • মাংসপেশিতে দুর্বলতা, অবশ ভাব বা ঝিমঝিম, ধীর বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন (পটাসিয়াম বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ)
  • তীব্র মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়া, বিভ্রান্তি বা খুব কম প্রস্রাব (পানিশূন্যতা বা কিডনির সমস্যা)
  • ত্বকে ফোসকা বা চামড়া উঠে যাওয়া, বা মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া
  • ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভের শিশুর যৌন বিকাশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে গর্ভাবস্থায় এটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না; ডাক্তার একান্ত প্রয়োজন মনে করলেই দেওয়া হয়। ত্বকের সমস্যার জন্য খাওয়া সন্তান ধারণের বয়সী নারীরা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করবেন। এর একটি ভাঙা অংশ সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে যায়; দুধ খাওয়ানোর আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

সতর্কতা

  • নিয়মিত পটাসিয়াম, সোডিয়াম ও কিডনির রক্ত পরীক্ষা দরকার।
  • ডাক্তার না বললে পটাসিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা বিকল্প লবণ খাবেন না।
  • বমি বা ডায়রিয়া হলে এবং পানি খেতে না পারলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন, কারণ ঔষধ সাময়িক বন্ধ রাখার দরকার হতে পারে।
  • বয়স্ক এবং ডায়াবেটিস বা কিডনির রোগীদের পটাসিয়াম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি।
  • মাথা ঘোরাতে পারে; গাড়ি চালানোর সময় সাবধান থাকুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

ঘুম ঘুম ভাব, বিভ্রান্তি, বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, পানিশূন্যতা ও পটাসিয়াম বেড়ে যেতে পারে। দ্রুত ডাক্তার বা হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

পটাসিয়াম-স্পেয়ারিং ডায়ুরেটিক (অ্যালডোস্টেরন অ্যান্টাগনিস্ট)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Spironolactone এর ব্র্যান্ড

13 টি ব্র্যান্ড

Spironolactone যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

50 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।