বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Sulphamethoxazole

  • 194 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 151 টি কোম্পানি

ব্যবহার

সালফামেথক্সাজল একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা প্রায় সবসময় ট্রাইমেথোপ্রিমের সাথে একসাথে দেওয়া হয় (এই মিশ্রণকে কো-ট্রাইমক্সাজল বলে)। মূত্রনালির সংক্রমণ, কিছু বুক ও কানের সংক্রমণ, কিছু ব্যাকটেরিয়াজনিত ডায়রিয়া এবং এইচআইভি আক্রান্তদের মতো দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের নিউমোসিস্টিস নিউমোনিয়ার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

সালফামেথক্সাজল সালফোনামাইড শ্রেণির ঔষধ। ব্যাকটেরিয়ার বেড়ে ওঠার জন্য দরকারি ফলিক অ্যাসিড তৈরিতে এটি বাধা দেয়। ট্রাইমেথোপ্রিম একই প্রক্রিয়ার পরের ধাপ আটকায়, তাই দুটি একসাথে আলাদাভাবের চেয়ে বেশি কার্যকর।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত ১২ ঘণ্টা পরপর ৮০০ mg সালফামেথক্সাজল ও ১৬০ mg ট্রাইমেথোপ্রিম (একটি ডাবল-স্ট্রেংথ ট্যাবলেট বা দুটি সাধারণ ট্যাবলেট)। কোর্স কতদিন হবে তা সংক্রমণের ওপর নির্ভর করে, প্রায়ই ৩ থেকে ১৪ দিন।
  • নিউমোসিস্টিসের চিকিৎসা বা প্রতিরোধ এবং শিশু: ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী।
  • ইনজেকশন: হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স দেন।

খাবারের সাথে খান এবং বেশি করে পানি পান করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

এটি ওয়ারফারিন (রক্তপাতের ঝুঁকি), ফেনিটোইন এবং গ্লিবেনক্লামাইডের মতো ডায়াবেটিসের ট্যাবলেটের (রক্তে সুগার কমে যাওয়া) প্রভাব বাড়াতে পারে। মেথোট্রেক্সেট বা পাইরিমেথামিনের সাথে রক্তের গুরুতর সমস্যা হতে পারে। এনালাপ্রিলের মতো এসিই ইনহিবিটর, স্পাইরোনোল্যাকটোন বা পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্টের সাথে রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে যেতে পারে। ডিগক্সিনের মাত্রা বাড়াতে এবং সাইক্লোস্পোরিনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

কারা খাবেন না

  • সালফোনামাইড (সালফা ঔষধ) বা ট্রাইমেথোপ্রিমে এলার্জি থাকলে।
  • লিভারের গুরুতর রোগ, অথবা কিডনির গুরুতর রোগ যেখানে রক্তে ঔষধের মাত্রা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়।
  • ফলিক অ্যাসিডের অভাবজনিত রক্তস্বল্পতা।
  • ৬ সপ্তাহের কম বয়সী শিশু।
  • পরফাইরিয়া রোগ।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধামন্দা, র‍্যাশ ও চুলকানি।

ফোসকা, চামড়া ওঠা বা মুখে ঘা সহ র‍্যাশ হলে (বিশেষ করে জ্বরের সাথে), ত্বক বা চোখ হলুদ হলে, অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তপাত হলে, গলাব্যথা, জ্বর বা মুখের ঘা না সারলে, তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হলে, অথবা মুখ ফুলে গেলে বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে সাধারণত এটি এড়ানো হয়, কারণ এটি ফলিক অ্যাসিডের বিপরীতে কাজ করে; প্রসবের কাছাকাছি সময়েও এড়ানো হয়, কারণ নবজাতকের জন্ডিস হতে পারে। তবে লাভ ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে ডাক্তার দিতে পারেন। শিশু অপরিণত (প্রিম্যাচিউর), জন্ডিস আক্রান্ত, অসুস্থ বা জি৬পিডি ঘাটতিযুক্ত হলে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এটি এড়িয়ে চলুন; অন্যথায় ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

বয়স্কদের গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি। জি৬পিডি ঘাটতি থাকলে লোহিত কণিকা ভেঙে যেতে পারে। কিডনি বা লিভারের রোগ, হাঁপানি বা গুরুতর এলার্জি থাকলে ডাক্তারকে জানান। বেশি করে পানি পান করুন, কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন, আর দীর্ঘ কোর্সে রক্ত পরীক্ষা লাগতে পারে। এইচআইভি আক্রান্তদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা ও বিভ্রান্তি হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা নিন। দীর্ঘদিন বেশি মাত্রায় খেলে রক্তকণিকা তৈরিতে প্রভাব পড়তে পারে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

সালফোনামাইড অ্যান্টিবায়োটিক (ট্রাইমেথোপ্রিমের সাথে ফোলেট-বিরোধী মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহৃত)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Sulphamethoxazole যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

194 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।