বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Suvorexant

  • 6 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 6 টি কোম্পানি

ব্যবহার

সুভোরেক্স্যান্ট প্রাপ্তবয়স্কদের অনিদ্রার চিকিৎসায় ব্যবহার হয়, যাদের ঘুমাতে যেতে অথবা ঘুম ধরে রাখতে অসুবিধা হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি একটি অরেক্সিন রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট। অরেক্সিন হলো মস্তিষ্কের এমন রাসায়নিক যা আপনাকে জাগ্রত ও সজাগ রাখে। অরেক্সিন রিসেপ্টর (OX1R ও OX2R) ব্লক করে এটি জাগরণের সংকেত কমিয়ে দেয়, ফলে ঘুম আসে ও বজায় থাকে; অনেক পুরনো ঘুমের ঔষধের মতো পুরো মস্তিষ্ককে নিস্তেজ করে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ শুরুর মাত্রা রাতে একবার ১০ mg, বিছানায় যাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে, এবং শুধু যদি ঘুম থেকে ওঠার আগে অন্তত ৭ ঘণ্টা সময় থাকে, অথবা চিকিৎসকের পরামর্শমতো। সর্বোচ্চ মাত্রা রাতে একবার ২০ mg। খাবারের সাথে বা পরপর খেলে ধীরে কাজ করতে পারে। এক রাতে একটির বেশি মাত্রা খাবেন না। কিছু ঔষধের সাথে কম মাত্রা ব্যবহার হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর (কিটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, ক্লারিথ্রোমাইসিন, রিটোনাভির): একসাথে সুপারিশ করা হয় না।
  • মাঝারি CYP3A4 ইনহিবিটর (ফ্লুকোনাজোল, ইরিথ্রোমাইসিন, ডিলতিয়াজেম, ভেরাপামিল, গ্রেপফ্রুটের রস): কম মাত্রা ব্যবহার হয়।
  • CYP3A4 ইনডিউসার (রিফাম্পিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন): কার্যকারিতা কমায়।
  • অ্যালকোহল, ওপিওয়েড, বেনজোডায়াজেপিন, অন্য ঘুমের ঔষধ ও অ্যান্টিহিস্টামিন: ঘুমঘুম ভাব ও অক্ষমতা বাড়ে; অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।
  • ডিগোক্সিন: মাত্রা বাড়তে পারে, পর্যবেক্ষণ লাগতে পারে।

কারা খাবেন না

  • নার্কোলেপসি রোগ থাকলে।
  • সুভোরেক্স্যান্ট বা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সবচেয়ে সাধারণ হলো পরদিন ঘুমঘুম ভাব। এছাড়া মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, অস্বাভাবিক স্বপ্ন, মুখ শুকানো ও ক্লান্তি হতে পারে। কম ক্ষেত্রে ঘুমের পক্ষাঘাত (ঘুমানোর বা জাগার সময় কিছুক্ষণ নড়তে বা কথা বলতে না পারা), ঘুম আসার সময় হ্যালুসিনেশন বা অল্পক্ষণের জন্য পায়ে দুর্বলতা হতে পারে।

আপনি বা অন্যরা জটিল ঘুমআচরণ (যেমন পুরোপুরি জেগে না উঠে হাঁটা, গাড়ি চালানো বা রান্না করা), নতুন বা বাড়তে থাকা বিষণ্নতা বা আত্মহত্যার চিন্তা, অস্বাভাবিক আচরণগত পরিবর্তন বা মারাত্মক অ্যালার্জির লক্ষণ লক্ষ্য করলে দ্রুত চিকিৎসা নিন বা ঔষধ বন্ধ করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের তথ্য কম; চিকিৎসক উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলেই ব্যবহার করুন। বুকের দুধে যায় কিনা জানা নেই। দুধ খাওয়ালে শিশুর অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাবের দিকে নজর রাখুন ও চিকিৎসককে জিজ্ঞাসা করুন।

সতর্কতা

পরদিন পুরোপুরি সজাগ মনে না হলে, বিশেষ করে ২০ mg খেলে, গাড়ি চালাবেন না বা পূর্ণ সতর্কতা দরকার এমন কাজ করবেন না। COPD বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো শ্বাসের সমস্যা, গুরুতর লিভারের রোগ, বিষণ্নতা বা মাদকাসক্তির ইতিহাস থাকলে সাবধানে ব্যবহার করুন। ৭ থেকে ১০ দিনে অনিদ্রা না কমলে চিকিৎসক দেখান, কারণ অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। এটি নিয়ন্ত্রিত ঔষধ হতে পারে, নিরাপদে রাখুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র ঘুমঘুম ভাব ও বিভ্রান্তি হতে পারে। বিশেষ করে অন্য ঘুমের ঔষধ বা অ্যালকোহল একসাথে খেলে জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ঘুমের ঔষধ (হিপনোটিক), ডুয়াল অরেক্সিন রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Suvorexant এর ব্র্যান্ড

6 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।