জেনেরিক ঔষধ

Tobramycin

  • 83 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 35 টি কোম্পানি

ব্যবহার

  • চোখের ড্রপ বা মলম: চোখ ওঠা, চোখের পাতার প্রদাহ (ব্লেফারাইটিস) ও কর্নিয়ার কিছু সংক্রমণের মতো ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখের সংক্রমণ
  • ইনজেকশন (হাসপাতালে): গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, বিশেষ করে সিউডোমোনাস জীবাণুর কারণে, যেমন রক্ত, ফুসফুস, প্রস্রাবের নালি, পেট, হাড় ও ত্বকের সংক্রমণ
  • শ্বাসের মাধ্যমে: সিস্টিক ফাইব্রোসিস রোগীদের ফুসফুসে দীর্ঘস্থায়ী সিউডোমোনাস সংক্রমণ, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে

কীভাবে কাজ করে

টোব্রামাইসিন একটি অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন তৈরির অংশে (রাইবোজোম) যুক্ত হয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া ত্রুটিপূর্ণ প্রোটিন তৈরি করে ও মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • চোখের ড্রপ, হালকা থেকে মাঝারি সংক্রমণ: সাধারণত আক্রান্ত চোখে প্রতি ৪ ঘণ্টা পরপর ১ বা ২ ফোঁটা। তীব্র সংক্রমণে শুরুতে প্রতি ঘণ্টায় ২ ফোঁটা, ভালো হতে থাকলে কম ঘনঘন, পরামর্শ অনুযায়ী।
  • চোখের মলম: নিচের পাতার ভেতরে প্রায় ১ সেমি লম্বা করে দিনে ২ বা ৩ বার, পরামর্শ অনুযায়ী।
  • ইনজেকশন: ডাক্তার বা নার্স দেন; মাত্রা ওজন ও কিডনির অবস্থার ওপর নির্ভর করে এবং রক্তে ঔষধের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়, ডাক্তারের নির্দেশমতো।
  • শ্বাসের মাধ্যমে: ডাক্তারের নির্দেশমতো।

ব্যবহারের আগে হাত ধুয়ে নিন এবং ড্রপারের মুখ চোখে লাগাবেন না। পরামর্শমতো পুরো সময় ব্যবহার করুন, চোখের জন্য সাধারণত প্রায় ৭ দিন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ইনজেকশন ও শ্বাসের ঔষধ: কিডনি বা শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে এমন ঔষধ, যেমন ফুরোসেমাইড, ভ্যানকোমাইসিন, অ্যামফোটেরিসিন বি, সিসপ্লাটিন ও সাইক্লোস্পোরিন, ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
  • চোখের ড্রপ: অন্য চোখের ড্রপ ব্যবহার করলে মাঝে অন্তত ৫ মিনিট ব্যবধান রাখুন।

কারা খাবেন না

  • টোব্রামাইসিন বা জেন্টামাইসিন, অ্যামিকাসিনের মতো অন্য অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডে এলার্জি থাকলে
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস থাকলে ইনজেকশন নয়

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

চোখের ড্রপ: অল্প সময়ের জ্বালা, চুলকানি, লাল হওয়া বা পানি পড়া, এবং চোখের পাতা ফোলা। ইনজেকশন: কিডনি ও অন্তঃকর্ণের ক্ষতি করতে পারে, ফলে কানে কম শোনা, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ বা মাথা ঘোরা। শ্বাসের মাধ্যমে: কাশি, গলার স্বর বদলে যাওয়া ও বুকে চাপ।

মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাস নিতে কষ্ট বা শ্বাস নেওয়ার পর শাঁ শাঁ শব্দ হলে, মারাত্মক র‍্যাশ হলে, চোখে ব্যথা বা দৃষ্টি খারাপ হতে থাকলে, নতুন করে কানে কম শুনলে বা ভোঁ ভোঁ শব্দ হলে, অথবা প্রস্রাব অনেক কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

চোখের ড্রপ খুব কম শোষিত হয়, তাই ডাক্তারের পরামর্শে গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ব্যবহার করা যায়। ইনজেকশন গর্ভের শিশুর শ্রবণশক্তি ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে, তাই গর্ভাবস্থায় শুধু একান্ত প্রয়োজনে দেওয়া হয়। ইনজেকশনের অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়; ডাক্তার পরামর্শ দেবেন।

সতর্কতা

  • চোখের সংক্রমণ চলাকালীন বা ড্রপ ব্যবহারের সময় কন্টাক্ট লেন্স পরবেন না।
  • পরামর্শের চেয়ে বেশি দিন চোখের ড্রপ ব্যবহার করবেন না, এতে ঔষধ-প্রতিরোধী জীবাণু বা ছত্রাক বাড়তে পারে।
  • কয়েক দিনে চোখ ভালো না হলে ডাক্তার দেখান।
  • ইনজেকশনের সময় কিডনির কার্যকারিতা, শ্রবণশক্তি ও রক্তে ঔষধের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি ফোঁটা চোখে দিলে সাধারণত ক্ষতি হয় না; পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। ইনজেকশন বেশি হলে কিডনি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি হতে পারে; হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং ডায়ালাইসিস লাগতে পারে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ফ্রিজে জমাবেন না। চোখের ড্রপ খোলার ৪ সপ্তাহ পর ফেলে দিন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Tobramycin এর ব্র্যান্ড

31 টি ব্র্যান্ড

Tobramycin যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

52 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।