বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Trifarotene

  • 4 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 4 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ট্রাইফারোটিন একটি প্রেসক্রিপশনভিত্তিক ক্রিম, যা প্রাপ্তবয়স্ক ও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের মুখ এবং শরীরের ধড় অংশে (বুক, কাঁধ ও পিঠ) ব্রণ (অ্যাকনি ভালগারিস) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড (কমেডোন) এবং লাল, প্রদাহযুক্ত ব্রণ, দুটোতেই সাহায্য করে।

কীভাবে কাজ করে

ট্রাইফারোটিন চতুর্থ প্রজন্মের ত্বকে ব্যবহারের রেটিনয়েড, যা ভিটামিন A সম্পর্কিত ঔষধ। এটি মূলত ত্বকের RAR-গামা নামের রিসেপ্টরে কাজ করে। এতে লোমকূপের ভেতরে ত্বকের কোষ ঝরে পড়ার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়, ফলে লোমকূপ বন্ধ হওয়ার প্রবণতা কমে এবং প্রদাহ কমে। বিদ্যমান বন্ধ লোমকূপ ধীরে ধীরে পরিষ্কার হয় এবং নতুন ব্রণ কম ওঠে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

দিনে ১ বার, সন্ধ্যায়, পরিষ্কার ও শুকনো ত্বকে ব্যবহার করুন। মুখের পুরো আক্রান্ত অংশে পাতলা স্তর (মুখের জন্য প্রায় একটি মটরদানা পরিমাণ) এবং বুক, কাঁধ বা পিঠের আক্রান্ত অংশে পাতলা স্তর লাগান, চিকিৎসকের নির্দেশমতো। চোখ, ঠোঁট, নাকের ভেতর ও কাটা ত্বক এড়িয়ে চলুন এবং লাগানোর পর হাত ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে ময়েশ্চারাইজার এবং দিনে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। উন্নতি দেখতে সাধারণত ৪ থেকে ১২ সপ্তাহ লাগে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একই সময়ে অন্য জ্বালাপোড়া সৃষ্টিকারী ত্বকের পণ্য, যেমন অন্য রেটিনয়েড, উচ্চমাত্রার বেনজয়েল পারক্সাইড, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড পিল, কড়া স্ক্রাব, অ্যাস্ট্রিনজেন্ট, অ্যালকোহলযুক্ত পণ্য ব্যবহার এবং চিকিৎসাধীন অংশে ওয়াক্সিং এড়িয়ে চলুন।
  • খুব সামান্য শোষিত হয় বলে মুখে খাওয়ার ঔষধের সাথে উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া আশা করা হয় না।

কারা খাবেন না

  • ট্রাইফারোটিন বা ক্রিমের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।
  • গর্ভাবস্থায় এবং যাঁরা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বিশেষ করে প্রথম ২ থেকে ৪ সপ্তাহে ত্বকে জ্বালাপোড়া সাধারণ: লাল হওয়া, শুষ্কতা, আঁশ ওঠা, হুল ফোটানো বা জ্বালা এবং চুলকানি। সহজে রোদে পোড়া হতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে এসব সাধারণত কমে যায়; চিকিৎসক কিছুদিন কম ঘন ঘন ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন।

মুখ, ঠোঁট, চোখ বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট হলে বা ত্বকে তীব্র ফোসকা বা জ্বালাপোড়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করবেন না: মুখে খাওয়ার রেটিনয়েড জন্মগত ত্রুটি ঘটায় বলে জানা আছে, এবং ত্বক দিয়ে খুব সামান্য ট্রাইফারোটিন শোষিত হলেও এটি সুপারিশ করা হয় না। গর্ভধারণ করলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের কাছে যান। স্তন্যদানকালে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন এবং শিশুর সংস্পর্শ এড়াতে বুকের অংশে লাগাবেন না।

সতর্কতা

  • সান ল্যাম্প এড়িয়ে চলুন, রোদে কম থাকুন এবং SPF ৩০ বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
  • কাটা, ছড়ে যাওয়া, একজিমা বা রোদে পোড়া ত্বকে লাগাবেন না।
  • চোখ, মুখ ও নাকের ভেতরে লাগা এড়িয়ে চলুন; লাগলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • নির্দেশের বেশি ব্যবহার করবেন না: এতে দ্রুত কাজ হয় না, বরং জ্বালা বাড়ে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি লাগালে ত্বক বেশি লাল হওয়া, চামড়া ওঠা ও অস্বস্তি হতে পারে। হালকা সাবান ও পানি দিয়ে জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। ক্রিম গিলে ফেললে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ত্বকে ব্যবহারের রেটিনয়েড (ব্রণনাশক প্রস্তুতি)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে রাখুন, জমাবেন না, টিউবের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Trifarotene এর ব্র্যান্ড

4 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।