বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Varicella Virus Vaccine

  • 3 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 2 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ভ্যারিসেলা ভাইরাস টিকা জলবসন্ত (ভ্যারিসেলা) থেকে সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত প্রায় ১২ মাস বয়স থেকে শিশুদের, এবং যেসব কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কের আগে জলবসন্ত হয়নি বা টিকা নেননি তাদের দেওয়া হয়, বিশেষ করে যাদের সংক্রমণ বা জটিলতার ঝুঁকি বেশি, যেমন স্বাস্থ্যকর্মী, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের ঘনিষ্ঠজন এবং গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন এমন নারী।

কীভাবে কাজ করে

টিকায় ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাসের জীবন্ত কিন্তু দুর্বল রূপ থাকে। এটি কোনো অসুখ ঘটায় না বা খুব হালকা অসুখ ঘটায়, কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভাইরাসটি চিনতে এবং এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি ও প্রতিরোধী কোষ তৈরি করতে শেখায়। পরে জলবসন্তের সংস্পর্শে এলে শরীর তা প্রতিরোধ করতে পারে, অথবা অসুখ সাধারণত অনেক হালকা হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ডাক্তার বা নার্স টিকাটি চামড়ার নিচে (কিছু পণ্যে মাংসপেশিতে) ইনজেকশন হিসেবে দেন, সাধারণত বাহুর উপরের অংশে বা উরুতে। সাধারণত ২ ডোজ সুপারিশ করা হয়, যার ব্যবধান জাতীয় সূচি বা ডাক্তার ঠিক করেন। জলবসন্তের সংস্পর্শে আসার পর অসুখ প্রতিরোধ বা হালকা করতে ডাক্তারের পরামর্শে দ্রুত এটি দেওয়া যেতে পারে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

রেই সিনড্রোমের ঝুঁকির কারণে শিশু ও কিশোরদের টিকার পর ৬ সপ্তাহ অ্যাসপিরিন ও অন্যান্য স্যালিসাইলেট এড়িয়ে চলুন। রক্তজাত পণ্য ও ইমিউনোগ্লোবুলিন টিকার কার্যকারিতা কমাতে পারে, তাই ডাক্তারকে সময় পরিকল্পনা করতে হবে। একই দিনে না দিলে হামের উপাদানযুক্ত টিকা ও ভ্যারিসেলা টিকার মধ্যে অন্তত ৪ সপ্তাহ ব্যবধান রাখতে হয়। টিকার কাছাকাছি সময়ে অ্যাসাইক্লোভিরের মতো অ্যান্টিভাইরাল খেলে টিকার প্রভাব কমতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় এমন কোনো ঔষধ খেলে ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

নিচের ক্ষেত্রে টিকা দেওয়া যাবে না:

  • গর্ভবতী নারী
  • লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা, চিকিৎসাহীন বা অগ্রসর এইচআইভি, অথবা উচ্চমাত্রার কর্টিকোস্টেরয়েড, কেমোথেরাপি বা অন্য রোগ প্রতিরোধ দমনকারী চিকিৎসার কারণে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল
  • আগের ডোজে বা জেলাটিন ও নিওমাইসিনসহ কোনো উপাদানে যাদের গুরুতর অ্যালার্জি হয়েছে
  • চিকিৎসাহীন সক্রিয় যক্ষ্মা বা উচ্চ জ্বর থাকলে (টিকা পিছিয়ে দেওয়া হয়)

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা, লালচে ভাব বা ফোলা
  • হালকা জ্বর
  • কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইনজেকশনের জায়গায় বা অন্যত্র অল্প কয়েকটি দানার হালকা জলবসন্তের মতো র‍্যাশ
  • খিটখিটে ভাব বা ক্লান্তি

গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ (মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, সারা গায়ে চাকা চাকা র‍্যাশ), খিঁচুনি, উচ্চ জ্বর, অথবা সারা গায়ে ফোসকাযুক্ত র‍্যাশ হলে, বিশেষ করে দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারও ক্ষেত্রে, দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় এই টিকা দেওয়া যাবে না, এবং প্রতিটি ডোজের পর ১ মাস গর্ভধারণ এড়াতে হবে। বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরা সাধারণত টিকা নিতে পারেন, এবং প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন মায়েদের প্রসবের পর টিকা দেওয়া যেতে পারে।

সতর্কতা

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কোনো সমস্যা, সাম্প্রতিক রক্ত গ্রহণ বা চলমান ঔষধের কথা ডাক্তারকে জানান। বিরল ক্ষেত্রে টিকা নেওয়া ব্যক্তির র‍্যাশ হলে টিকার ভাইরাস অন্যের মধ্যে ছড়াতে পারে; র‍্যাশ শুকিয়ে খোসা না পড়া পর্যন্ত প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন গর্ভবতী নারী, প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন মায়ের নবজাতক এবং খুব দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। টিকা সবাইকে পুরোপুরি সুরক্ষা দেয় না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

টিকা স্বাস্থ্যকর্মীরা দেন বলে মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ভুল করে বাড়তি ডোজ দিলে গুরুতর ক্ষতি আশা করা হয় না; ডাক্তারকে জানান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ভাইরাল টিকা (জীবন্ত দুর্বলকৃত ভ্যারিসেলা টিকা)।

সংরক্ষণ

স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্যাকে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করে, পণ্যভেদে সাধারণত রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজারে, আলো থেকে দূরে। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Varicella Virus Vaccine এর ব্র্যান্ড

3 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।