বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Viamin D

  • 4 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 4 টি কোম্পানি

ব্যবহার

ভিটামিন ডি (সাধারণত কোলেক্যালসিফেরল বা ভিটামিন ডি৩) ভিটামিন ডি এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় এবং এর ফলে হওয়া হাড়ের সমস্যা, যেমন শিশুদের রিকেটস ও প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওম্যালেশিয়া (নরম হাড়), চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। অস্টিওপোরোসিস (হাড় পাতলা হওয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় প্রায়ই ক্যালসিয়ামের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়। কম রোদ পাওয়া, গাঢ় ত্বক, বেশি বয়স, স্থূলতা বা শোষণ কমে যাওয়ার মতো অবস্থায়ও এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

ভিটামিন ডি লিভার ও পরে কিডনিতে সক্রিয় রূপ ক্যালসিট্রায়লে পরিণত হয়। ক্যালসিট্রায়ল অন্ত্র থেকে খাবারের ক্যালসিয়াম ও ফসফেট শোষণে সাহায্য করে এবং রক্তে ক্যালসিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে, যা শক্ত হাড় ও দাঁত এবং সুস্থ পেশি ও স্নায়ুর জন্য দরকার। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও সহায়তা করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সাধারণ প্রতিরোধের জন্য প্রাপ্তবয়স্করা দিনে সাধারণত ৪০০ থেকে ১,০০০ IU (১০ থেকে ২৫ মাইক্রোগ্রাম) নেন, অথবা লেবেলের নির্দেশমতো। নিশ্চিত ঘাটতির চিকিৎসায় অল্প সময়ের জন্য বেশি দৈনিক বা সাপ্তাহিক মাত্রা দেওয়া হয়, যা কেবল চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নিতে হবে, এরপর প্রায়ই রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা চলে। শিশুদের মাত্রা বয়স অনুযায়ী। ভালো শোষণের জন্য কিছুটা চর্বিযুক্ত খাবারের সাথে খান।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইডের মতো থায়াজাইড মূত্রবর্ধক ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের সাথে রক্তে ক্যালসিয়াম বাড়াতে পারে। ক্যালসিয়াম বেশি হলে ডিগক্সিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অরলিস্ট্যাট, কোলেস্টাইরামিন, মিনারেল অয়েল, ফেনিটোইন, কার্বামাজেপিন, ফেনোবারবিটাল ও রিফাম্পিসিন ভিটামিন ডি এর মাত্রা কমাতে পারে। স্টেরয়েড এর কার্যকারিতা কমায়।

কারা খাবেন না

রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে, ভিটামিন ডি এর মাত্রা বেশি থাকলে, ক্যালসিয়ামযুক্ত কিডনির পাথর বা গুরুতর কিডনির রোগ থাকলে (বিশেষজ্ঞের প্রেসক্রিপশন ছাড়া), অথবা কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে খাবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

স্বাভাবিক মাত্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিরল। দীর্ঘদিন বেশি খেলে রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে বমিভাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামন্দা, পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব, দুর্বলতা, বিভ্রান্তি ও কিডনির পাথর হতে পারে।

তীব্র বমি, বিভ্রান্তি, প্রচণ্ড পিপাসা, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, তীব্র দুর্বলতা, অথবা মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ভিটামিন ডি গুরুত্বপূর্ণ; সাধারণ সাপ্লিমেন্ট মাত্রা (প্রায়ই দিনে ৪০০ থেকে ৬০০ IU) সুপারিশ করা হয়। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া উচ্চমাত্রা নেবেন না। বুকের দুধ খাওয়া শিশুর চিকিৎসকের পরামর্শে আলাদা ভিটামিন ডি ড্রপ লাগতে পারে।

সতর্কতা

অতিরিক্ত ভিটামিন ডি যেন না হয়, তাই সব সাপ্লিমেন্ট ও ভিটামিনযুক্ত খাবারের লেবেল মিলিয়ে দেখুন। কিডনির রোগ, সারকয়েডোসিস ও ক্যালসিয়াম বাড়ায় এমন অন্যান্য রোগে সাবধানে ব্যবহার করুন। দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রা নিলে রক্তের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি পরীক্ষা করা দরকার।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবনে রক্তে ক্যালসিয়াম বেড়ে বমিভাব, বমি, বিভ্রান্তি, পিপাসা, হৃৎস্পন্দনের সমস্যা ও কিডনির ক্ষতি হয়। খাওয়া বন্ধ করে চিকিৎসা নিন, বিশেষ করে শিশু বেশি খেয়ে ফেললে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ভিটামিন (চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ডি)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Viamin D যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

4 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।