বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Abeza

Abemaciclib

  • প্রস্তুতকারক Beacon Pharmaceuticals PLC
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Abemaciclib 150 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই
Abemaciclib 200 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Abemaciclib

ব্যবহার

অ্যাবেমাসিক্লিব একটি টার্গেটেড ক্যান্সারের ঔষধ, যা হরমোন রিসেপ্টর পজিটিভ (HR+) ও HER2 নেগেটিভ স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। অপারেশনের পর ফিরে আসার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক স্তন ক্যান্সারে হরমোন থেরাপির সাথে, এবং উন্নত বা ছড়িয়ে পড়া স্তন ক্যান্সারে লেট্রোজোল বা অ্যানাস্ট্রোজোলের মতো অ্যারোমাটাজ ইনহিবিটর বা ফুলভেস্ট্রান্টের সাথে এটি দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে অন্য চিকিৎসার পর একাই ব্যবহার করা হয়।

কীভাবে কাজ করে

ক্যান্সার কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভক্ত হয়। অ্যাবেমাসিক্লিব CDK4 ও CDK6 নামের দুটি এনজাইম আটকে দেয়, যেগুলো কোষ বিভাজনের সুইচের মতো কাজ করে। এগুলো বন্ধ করে এটি স্তন ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও বহুগুণন থামায়। ইস্ট্রোজেনের সংকেত বন্ধকারী হরমোন থেরাপির সাথে দিলে রোগ আরও ধীর করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের (অনকোলজিস্ট) ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ঠিক সেভাবে খান। এটি মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট, সাধারণত দিনে ২ বার প্রায় ১২ ঘণ্টা পরপর, খাবারের আগে বা পরে, আস্ত গিলে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে চিকিৎসক মাত্রা কমাতে বা বিরতি দিতে পারেন। আঙ্গুরফল (গ্রেপফ্রুট) বা এর রস খাবেন না। বমি হলে বা মাত্রা বাদ পড়লে পরের মাত্রা স্বাভাবিক সময়ে খান; অতিরিক্ত মাত্রা খাবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, ক্লারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভিরের মতো শক্তিশালী CYP3A4 ইনহিবিটর এবং গ্রেপফ্রুট অ্যাবেমাসিক্লিবের মাত্রা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক বাড়াতে পারে।
  • রিফাম্পিসিন, কারবামাজেপিন, ফেনিটয়েন ও সেন্ট জনস ওয়োর্ট এর কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • মেটফরমিন ও ডিগক্সিনের মতো কিছু ঔষধের মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • আপনার সব ঔষধ, ভেষজ পণ্য ও সাপ্লিমেন্টের কথা অনকোলজিস্টকে জানান।

কারা খাবেন না

অ্যাবেমাসিক্লিব বা ট্যাবলেটের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে খাবেন না। গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • পাতলা পায়খানা, খুব সাধারণ, বিশেষ করে প্রথম কয়েক সপ্তাহে
  • বমিভাব, বমি, পেটব্যথা, ক্ষুধামন্দা
  • শ্বেতকণিকা, লোহিতকণিকা বা প্লাটিলেট কমে যাওয়া, ফলে সংক্রমণ, ক্লান্তি বা কালশিটে দাগের ঝুঁকি
  • ক্লান্তি, মাথাব্যথা, চুল পাতলা হওয়া
  • রক্ত পরীক্ষায় লিভার এনজাইম বা ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি

পায়খানা নরম হওয়ার শুরুতেই চিকিৎসকের দেওয়া ডায়রিয়ারোধী ঔষধ শুরু করুন, প্রচুর পানি খান এবং চিকিৎসা দলকে জানান। ৩৮°C বা তার বেশি জ্বর বা কাঁপুনি, ২৪ ঘণ্টায় না কমা বা মাথা ঘোরানো সৃষ্টিকারী ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, কাশি বা বুকে ব্যথা (ফুসফুসে প্রদাহের সম্ভাবনা), পায়ে ব্যথা বা ফোলা বা হঠাৎ শ্বাসকষ্ট (রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা), ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া বা গাঢ় প্রস্রাব হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

অ্যাবেমাসিক্লিব গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণে সক্ষম নারীদের চিকিৎসাকালে ও শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ সপ্তাহ কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসাকালে ও শেষ মাত্রার পর অন্তত ৩ সপ্তাহ বুকের দুধ খাওয়াবেন না। এটি পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতায়ও প্রভাব ফেলতে পারে।

সতর্কতা

  • বিশেষ করে প্রথম কয়েক মাস নিয়মিত রক্তকণিকা ও লিভারের পরীক্ষা প্রয়োজন।
  • সংক্রমণের যেকোনো লক্ষণ দ্রুত জানান।
  • লিভার বা কিডনির রোগ এবং আগে রক্ত জমাট বাঁধার ইতিহাস থাকলে সাবধানতা প্রয়োজন।
  • ট্যাবলেট সাবধানে ধরুন; গুঁড়ো বা ভাগ করবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র ডায়রিয়া, ক্লান্তি ও রক্তকণিকা কমে যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসক বা হাসপাতালে যোগাযোগ করুন; ঔষধ শরীর থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী, CDK4 ও CDK6 ইনহিবিটর (টার্গেটেড ক্যান্সার থেরাপি)

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আসল প্যাকে, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Abemaciclib এর সব ব্র্যান্ড

Abemaciclib এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।