ঔষধের ব্র্যান্ড

Acecard

Ramipril

  • প্রস্তুতকারক Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ৩টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Ramipril 5 mgDGDA 323-0081-022ট্যাবলেট১০'s Strip৳৮০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৮বাজার দর
Ramipril 1.25 mgDGDA 323-0079-022ট্যাবলেট১০'s Strip৳৩০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৩বাজার দর
Ramipril 2.5 mgDGDA 323-0080-022ট্যাবলেট১০'s Strip৳৫০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৫বাজার দর

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Ramipril

ব্যবহার

  • উচ্চ রক্তচাপ।
  • হার্ট ফেইলিউর, এবং হার্ট অ্যাটাকের পরে হার্ট ফেইলিউর।
  • যাদের ঝুঁকি বেশি, যেমন যাদের আগে থেকে হৃদরোগ বা রক্তনালির রোগ আছে বা ডায়াবেটিসের সাথে অন্য ঝুঁকি আছে, তাদের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে।
  • প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া কিডনির রোগ, ডায়াবেটিসজনিত কিডনির রোগসহ।

কীভাবে কাজ করে

রামিপ্রিল একটি এসিই ইনহিবিটর (অ্যাঞ্জিওটেনসিন কনভার্টিং এনজাইম ইনহিবিটর)। এটি অ্যাঞ্জিওটেনসিন টু নামের হরমোন তৈরি কমায়, যা রক্তনালি সরু করে। ফলে রক্তনালি ঢিলে হয়, রক্তচাপ কমে, হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ কমে এবং কিডনি সুরক্ষিত থাকে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • উচ্চ রক্তচাপ: সাধারণত দিনে একবার ১.২৫ থেকে ২.৫ mg দিয়ে শুরু করে ডাক্তার ধীরে ধীরে বাড়ান। সাধারণ মাত্রা দিনে একবার ২.৫ থেকে ৫ mg, সর্বোচ্চ দিনে ১০ mg।
  • হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ: সাধারণত দিনে একবার ২.৫ mg দিয়ে শুরু করে কয়েক সপ্তাহে দিনে একবার ১০ mg পর্যন্ত, ডাক্তারের নির্দেশমতো।
  • হার্ট ফেইলিউর ও হার্ট অ্যাটাকের পরে: কম মাত্রায় শুরু করে ডাক্তারের নির্দেশমতো ঠিক করা হয়।
  • বয়স্ক ও কিডনির সমস্যা থাকলে সাধারণত কম মাত্রা লাগে।

প্রতিদিন একই সময়ে পানি দিয়ে গিলে খান, খাবারের আগে বা পরে। শুরু করার আগে ও চিকিৎসার সময় ডাক্তার সাধারণত কিডনির কার্যক্ষমতা ও রক্তে পটাশিয়াম পরীক্ষা করেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট, লবণের বিকল্প, স্পাইরোনোল্যাকটোন, অ্যামিলোরাইড ও ট্রাইমেথোপ্রিম রক্তে পটাশিয়াম বিপজ্জনক মাত্রায় বাড়াতে পারে।
  • আইবুপ্রোফেন ও ডাইক্লোফেনাকের মতো ব্যথানাশক এর কাজ কমাতে ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে।
  • প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ (ডাইইউরেটিক) খেলে রামিপ্রিল শুরুর সময় রক্তচাপ অনেক কমে যেতে পারে।
  • এটি রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • কিডনি ও পটাশিয়ামের সমস্যার কারণে লোসার্টান জাতীয় ঔষধ (অ্যাঞ্জিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার) বা অ্যালিসকিরেনের সাথে একসাথে সাধারণত দেওয়া হয় না।
  • মারাত্মক ফোলাভাবের ঝুঁকির কারণে স্যাকুবিট্রিল-ভালসার্টান রামিপ্রিলের ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে খাওয়া যাবে না।
  • ইনসুলিন ও ডায়াবেটিসের ট্যাবলেট: শুরুর দিকে রক্তে শর্করা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কমতে পারে।

কারা খাবেন না

  • রামিপ্রিল বা অন্য কোনো এসিই ইনহিবিটরে অ্যালার্জি থাকলে।
  • আগে কখনও অ্যাঞ্জিওইডিমা (হঠাৎ মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা বা গলা ফুলে যাওয়া) হয়ে থাকলে।
  • গর্ভাবস্থায়।
  • গত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে স্যাকুবিট্রিল-ভালসার্টান খেয়ে থাকলে।
  • ডায়াবেটিস বা কিডনির দুর্বলতা থাকলে অ্যালিসকিরেনের সাথে।
  • দুই কিডনির রক্তনালিই সরু হয়ে থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: শুকনো, খুসখুসে কাশি যা সহজে যায় না, মাথা ঘোরা (বিশেষ করে প্রথম কয়েক ডোজের পর), মাথাব্যথা, ক্লান্তি, রক্তে পটাশিয়াম বেড়ে যাওয়া ও কিডনির পরীক্ষায় পরিবর্তন।

মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা বা গলা ফুলে গেলে বা শ্বাস নিতে বা গিলতে কষ্ট হলে (চিকিৎসার যেকোনো সময় হতে পারে), অজ্ঞান হয়ে গেলে, ত্বক বা চোখ হলুদ হলে, পেটে তীব্র ব্যথা হলে, প্রস্রাব অনেক কমে গেলে, বা জ্বর ও গলাব্যথা না কমলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থা: খাওয়া যাবে না। এটি গর্ভের শিশুর মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, বিশেষ করে প্রথম তিন মাসের পরে। গর্ভবতী হলে বা গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে সাথে সাথে ডাক্তারকে জানান, যাতে ঔষধ বদলানো যায়। বুকের দুধ: পরামর্শ দেওয়া হয় না, বিশেষ করে নবজাতক বা অপরিণত শিশুর ক্ষেত্রে; ডাক্তার আরও উপযুক্ত ঔষধ বেছে দিতে পারেন।

সতর্কতা

বমি, ডায়রিয়া হলে বা ঠিকমতো পানি না খেলে রক্তচাপ বেশি কমে যেতে পারে ও কিডনির ক্ষতি হতে পারে; ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন, তিনি কয়েক দিন বন্ধ রাখতে বলতে পারেন। অপারেশন বা অ্যানেসথেসিয়ার আগে ডাক্তার বা দাঁতের ডাক্তারকে জানান। কিডনি বা লিভারের রোগে সাবধানে ব্যবহার করতে হয়। মাথা ঘুরলে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ান। রক্ত পরীক্ষার সময়মতো করান। ডাক্তারের সাথে কথা না বলে ঔষধ বন্ধ করবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে রক্তচাপ খুব কমে যাওয়া, প্রচণ্ড মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়া, হৃৎস্পন্দন ধীর হওয়া ও কিডনির সমস্যা হতে পারে। পা উঁচু করে শুয়ে পড়ুন এবং জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

এসিই ইনহিবিটর (রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঔষধ)।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ramipril এর সব ব্র্যান্ড

Ramipril এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।