ঔষধের ব্র্যান্ড

Amiject 500

Amikacin

  • প্রস্তুতকারক Beacon Pharmaceuticals PLC
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Amikacin 500 mg/2 mlDGDA 341-0005-023ইনজেকশনদাম শীঘ্রই

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

ঔষধটি সম্পর্কে

Amikacin

ব্যবহার

অ্যামিকাসিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক, যা হাসপাতালে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে ব্যবহার হয়, বিশেষ করে অন্য অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না এমন গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে। যেমন রক্তের সংক্রমণ (সেপসিস), বুকের গুরুতর সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া, জটিল প্রস্রাবনালি ও কিডনির সংক্রমণ, পেটের ভেতরের সংক্রমণ, হাড় ও জয়েন্টের সংক্রমণ, পোড়া বা অপারেশনের পরের সংক্রমণ এবং নবজাতকের গুরুতর সংক্রমণ। ঔষধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মা ও কিছু মাইকোব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণে অন্য ঔষধের সাথে মিলিয়েও এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

অ্যামিকাসিন একটি অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন তৈরির অংশে (রাইবোজোম) যুক্ত হয়ে যায়, ফলে ব্যাকটেরিয়া ত্রুটিপূর্ণ প্রোটিন বানায় এবং মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

অ্যামিকাসিন শিরায় (স্যালাইনের মাধ্যমে) বা মাংসপেশিতে ইনজেকশন হিসেবে ডাক্তার বা নার্স দেন, সাধারণত হাসপাতালে। মাত্রা শরীরের ওজন ও কিডনির কার্যক্ষমতা অনুযায়ী ঠিক করা হয় এবং প্রায়ই দিনে ১ বার দেওয়া হয়। চিকিৎসার সময় রক্তে ঔষধের মাত্রা ও কিডনির কাজ পরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজনে মাত্রা বদলানো হয়। চিকিৎসা সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিন, যক্ষ্মায় আরও বেশি, প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

কিডনি বা কানের ক্ষতি করতে পারে এমন অন্য ঔষধের সাথে, যেমন ভ্যানকোমাইসিন, কলিস্টিন, অ্যামফোটেরিসিন বি, সিসপ্লাটিন, সাইক্লোসপোরিন এবং ফ্রুসেমাইডের মতো শক্তিশালী প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধের সাথে ব্যবহারে কিডনি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে। অজ্ঞান করার সময় ব্যবহৃত মাংসপেশি শিথিলকারক ঔষধের প্রভাব বাড়াতে পারে। একই স্যালাইন ব্যাগে পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক মেশানো যাবে না, এতে এটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারে।

কারা খাবেন না

অ্যামিকাসিন বা অন্য কোনো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডে (যেমন জেন্টামাইসিন বা স্ট্রেপ্টোমাইসিন) এলার্জি থাকলে, এবং মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিসে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

প্রধান ঝুঁকি কিডনির ক্ষতি, কানে কম শোনা বা কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ, এবং ভারসাম্যের সমস্যা (মাথা ঘোরা, টলমল ভাব)। বেশি মাত্রা, দীর্ঘ চিকিৎসা, বেশি বয়স, পানিশূন্যতা বা আগে থেকে কিডনির রোগ থাকলে এগুলোর সম্ভাবনা বেশি। অন্যান্য: র‍্যাশ, জ্বর, বমিভাব ও ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা। কদাচিৎ শ্বাসের মাংসপেশি দুর্বল হতে পারে।

কানে কম শুনলে, কানে ভোঁ ভোঁ বা ভারী ভাব হলে, মাথা ঘুরলে, প্রস্রাব অনেক কমে গেলে, মাংসপেশি দুর্বল লাগলে বা শ্বাসকষ্ট হলে, অথবা মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে সঙ্গে সঙ্গে নার্স বা ডাক্তারকে জানান।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড গর্ভের শিশুর শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে, তাই গর্ভাবস্থায় শুধু প্রাণঘাতী সংক্রমণে, নিরাপদ বিকল্প না থাকলে, এটি ব্যবহার করা হয়। খুব অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায় এবং শিশুর শরীরে খুব কম শোষিত হয়; দুধ খাওয়ানো চলবে কি না ডাক্তার ঠিক করবেন।

সতর্কতা

কিডনির রোগ, শ্রবণ বা ভারসাম্যের সমস্যা, পারকিনসন রোগ, অথবা পরিবারে অ্যামিনোগ্লাইকোসাইডে শ্রবণশক্তি হারানোর ইতিহাস থাকলে ডাক্তারকে জানান। নিষেধ না থাকলে চিকিৎসার সময় যথেষ্ট পানি পান করুন। চিকিৎসার আগে, সময় ও পরে শ্রবণ ও কিডনির পরীক্ষা করা হতে পারে। কোর্স শেষ হওয়ার পরেও কখনও শ্রবণশক্তির ক্ষতি দেখা দিতে পারে; কোনো পরিবর্তন হলে জানান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত হলে কিডনির ক্ষতি, শ্রবণ ও ভারসাম্যের সমস্যা এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়, কখনও ঔষধ বের করতে ডায়ালাইসিস লাগে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। হাসপাতালের কর্মীরা ইনজেকশন সংরক্ষণ ও প্রস্তুত করেন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Amikacin এর সব ব্র্যান্ড

Amikacin এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।