বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Arofil

Theophylline

  • প্রস্তুতকারক Incepta Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ৪টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট
  • ট্যাবলেট (Sustained Release)

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Theophylline 300 mgট্যাবলেট · ৩০ স্ট্রিপ প্যাক৳৭০.৫০স্ট্রিপ (৩০টি)প্রতি ইউনিট: ৳২.৩৫
Theophylline 400 mgট্যাবলেট · ৩০ স্ট্রিপ প্যাক৳৮৯.৪০স্ট্রিপ (৩০টি)প্রতি ইউনিট: ৳২.৯৮
Theophylline 400 mgট্যাবলেট (Sustained Release)দাম শীঘ্রই
Theophylline 300 mgট্যাবলেট (Sustained Release)দাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Theophylline

ব্যবহার

হাঁপানি ও সিওপিডি (দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগ, যেমন ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস ও এমফাইসিমা) এ বুকে সাঁই সাঁই শব্দ ও শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ ও উপশমে থিওফাইলিন ব্যবহার হয়। সাধারণত শুধু ইনহেলারে লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে না এলে এটি যোগ করা হয়। হঠাৎ হাঁপানির টান উঠলে তাৎক্ষণিক উপশমের ঔষধ এটি নয়।

কীভাবে কাজ করে

থিওফাইলিন মিথাইলজান্থিন গ্রুপের ঔষধ। এটি শ্বাসনালীর চারপাশের পেশি শিথিল করে শ্বাসনালী চওড়া করে (ব্রঙ্কোডাইলেশন), সামান্য প্রদাহ কমায় এবং শ্বাসের পেশিকে কাজ করতে সাহায্য করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

থিওফাইলিনের উপকারী ও ক্ষতিকর মাত্রার মধ্যে ফারাক খুব কম, তাই ডাক্তার প্রত্যেকের জন্য আলাদা মাত্রা ঠিক করেন, প্রায়ই রক্তের মাত্রা পরীক্ষা করে।

  • দীর্ঘক্ষণ কাজ করা (SR বা CR) ট্যাবলেট, প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত শুরুতে ১২ ঘণ্টা পরপর ২০০ mg, তারপর ফলাফল ও রক্তের মাত্রা অনুযায়ী ডাক্তার ঠিক করেন (প্রায়ই ১২ ঘণ্টা পরপর ৩০০ থেকে ৪০০ mg)।
  • সাধারণ ট্যাবলেট, ক্যাপসুল ও সিরাপ, এবং শিশু, বয়স্ক ও লিভার বা হৃদরোগের রোগীদের সব মাত্রা: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

দীর্ঘক্ষণ কাজ করা ট্যাবলেট আস্ত গিলে খান; গুঁড়ো করবেন না বা চিবাবেন না। প্রতিদিন একই সময়ে খান। ডাক্তারকে না জিজ্ঞেস করে দীর্ঘক্ষণ কাজ করা থিওফাইলিনের ব্র্যান্ড বা ধরন বদলাবেন না, কারণ এগুলো আলাদাভাবে ঔষধ ছাড়ে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

অনেক ঔষধ থিওফাইলিনের মাত্রা বদলে দেয়:

  • মাত্রা বাড়ায় (বিষক্রিয়ার ঝুঁকি): সিপ্রোফ্লক্সাসিন, ইরিথ্রোমাইসিন, ক্লারিথ্রোমাইসিন, ফ্লুভক্সামিন, সিমেটিডিন, অ্যালোপুরিনল, ফ্লুকোনাজল, ভেরাপামিল, ডিলটিয়াজেম, প্রোপ্রানোলল ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি। জ্বর ও ফ্লুর মতো ভাইরাস সংক্রমণেও মাত্রা বাড়তে পারে।
  • মাত্রা কমায় (কাজ কমে): রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন, ফেনোবার্বিটাল, সেন্ট জনস ওয়র্ট এবং ধূমপান।
  • প্রোপ্রানোললের মতো বিটা ব্লকার হাঁপানি বাড়াতে পারে। সালবিউটামল ও স্টেরয়েডের সাথে রক্তে পটাশিয়াম অনেক কমে যেতে পারে।
  • বেশি ক্যাফেইন (চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ায়।

কারা খাবেন না

  • থিওফাইলিন, অ্যামিনোফাইলিন বা অন্য জান্থিন ঔষধে এলার্জি
  • তীব্র পরফাইরিয়া

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, পেটের অস্বস্তি, মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা, বুক ধড়ফড় করা, হাত কাঁপা ও বেশি প্রস্রাব।

বারবার বমি, খুব দ্রুত, জোরে বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, খিঁচুনি, বিভ্রান্তি বা তীব্র অস্থিরতা (এগুলো প্রায়ই রক্তে মাত্রা বেশি হওয়ার লক্ষণ), অথবা চিকিৎসা সত্ত্বেও শ্বাসকষ্ট বাড়লে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় শুধু ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে খাবেন; মাত্রা ও রক্তের মাত্রা আরও ঘন ঘন পরীক্ষা করা লাগতে পারে। থিওফাইলিন বুকের দুধে যায় এবং শিশুকে খিটখিটে করতে পারে; দুধ খাওয়ানোর আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন, এবং পরামর্শ দিলে দুধ খাওয়ানোর ঠিক পরে ঔষধ খান।

সতর্কতা

  • হৃদরোগ বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েডের অতিসক্রিয়তা, মৃগী, পেটে আলসার, লিভারের রোগ বা জ্বর থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • ধূমপান শুরু বা বন্ধ করলে ডাক্তারকে জানান; ধূমপান ছাড়লে রক্তে মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে।
  • বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা ও প্রায়ই কম মাত্রা দরকার।
  • হঠাৎ টানের জন্য উপশমকারী ইনহেলার সাথে রাখুন।
  • রক্তে মাত্রা দেখতে পরীক্ষা লাগতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবন বিপজ্জনক; তীব্র বমি, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, পটাশিয়াম কমে যাওয়া, খিঁচুনি ও অজ্ঞান হওয়া ঘটতে পারে। দীর্ঘক্ষণ কাজ করা ট্যাবলেটে লক্ষণ অনেক ঘণ্টা পরে দেখা দিতে পারে। ভালো লাগলেও সাথে সাথে হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

মিথাইলজান্থিন ব্রঙ্কোডাইলেটর (শ্বাসনালী প্রসারক)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Theophylline এর সব ব্র্যান্ড

Theophylline এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।