বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Atosiban EVER

Atosiban

  • প্রস্তুতকারক ZAS Corporation
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • IV ইনফিউশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Atosiban Acetate 37.5 mg/5 mlIV ইনফিউশনদাম শীঘ্রই
Atosiban Acetate 6.75 mg/0.9 mlIV ইনফিউশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Atosiban

ব্যবহার

অ্যাটোসিবান হাসপাতালে ব্যবহৃত একটি ঔষধ, যা গর্ভাবস্থার প্রায় ২৪ থেকে ৩৩ সপ্তাহের মধ্যে নিয়মিত প্রসব বেদনা শুরু হওয়া প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের সময়ের আগে প্রসব কিছুটা পিছিয়ে দিতে দেওয়া হয়। কয়েক দিন সময় পেলে কর্টিকোস্টেরয়েডের মতো ঔষধ দিয়ে শিশুর ফুসফুস পরিপক্ব করা বা নবজাতক সেবাসহ হাসপাতালে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।

কীভাবে কাজ করে

প্রসবের সময় অক্সিটোসিন নামের প্রাকৃতিক হরমোন জরায়ুর পেশি সংকুচিত করে। অ্যাটোসিবান এই হরমোনের রিসেপ্টর আটকে দেয়, ফলে সংকোচনের তীব্রতা ও সংখ্যা কমে এবং জরায়ু শিথিল হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

অ্যাটোসিবান কেবল হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স শিরায় ইনজেকশন এবং তারপর স্যালাইনের মতো ইনফিউশন হিসেবে দেন, সাধারণত সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত। মাত্রা ও সময়কাল প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ঠিক করেন এবং পুরো সময় মা ও শিশুকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সংকোচন আবার শুরু হলে আরেকটি কোর্স দেওয়া হতে পারে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

উল্লেখযোগ্য কোনো ঔষধ প্রতিক্রিয়া সুপরিচিত নয়। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া প্রসব বেদনা থামানোর অন্য ঔষধের সাথে সাধারণত একসাথে দেওয়া হয় না। চিকিৎসক দল অন্যান্য সব ঔষধ যাচাই করবেন।

কারা খাবেন না

গর্ভাবস্থার ২৪ সপ্তাহের আগে বা ৩৩ সপ্তাহের পরে, ৩০ সপ্তাহের পর আগাম পানি ভেঙে গেলে, শিশুর হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিক হলে, জরায়ু থেকে রক্তপাতের কারণে তাৎক্ষণিক প্রসব দরকার হলে, একলাম্পসিয়া বা গুরুতর প্রি একলাম্পসিয়ায় প্রসব দরকার হলে, গর্ভে শিশু মারা গেলে, জরায়ুতে সংক্রমণের সন্দেহ থাকলে, প্লাসেন্টা প্রিভিয়া বা প্লাসেন্টা আলাদা হয়ে গেলে, অথবা অ্যাটোসিবানে অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা হয় না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মায়ের ক্ষেত্রে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে বমিভাব, বমি, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, গরম লাগা, বুক ধড়ফড়, রক্তচাপ কমে যাওয়া, রক্তে শর্করা বাড়া এবং ইনজেকশনের জায়গায় প্রতিক্রিয়া। কম ক্ষেত্রে জ্বর, অনিদ্রা, চুলকানি ও ফুসকুড়ি হতে পারে।

বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, তীব্র মাথা ঘোরা, বেশি রক্তপাত, অথবা মুখ বা গলা ফোলা হলে সঙ্গে সঙ্গে নার্স বা ডাক্তারকে জানান। হাসপাতালে এগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

অ্যাটোসিবান শুধু গর্ভাবস্থায় সময়ের আগে প্রসব বেদনার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ব্যবহৃত হয়। সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যেতে পারে; শিশুর জন্মের পর এটি ব্যবহারের জন্য নয়।

সতর্কতা

যমজ বা একাধিক শিশুর গর্ভাবস্থা, লিভার বা কিডনির সমস্যা, অথবা পানি ভেঙে গেলে সতর্কতা দরকার। চিকিৎসার সময় শিশুর হৃৎস্পন্দন এবং মায়ের সংকোচন ও রক্তপাত পর্যবেক্ষণ করা হয়। সংকোচন না থামলে অন্য ব্যবস্থা বিবেচনা করা হবে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবনের ঘটনা খুব কম জানা আছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয় বলে বেশি হলে ইনফিউশন বন্ধ করে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অক্সিটোসিন রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট (প্রসব বেদনা প্রশমক বা টোকোলাইটিক)

সংরক্ষণ

হাসপাতালের ঔষধ: প্যাকের নির্দেশনা অনুযায়ী রাখুন, সাধারণত ফ্রিজে ২ থেকে ৮°C তাপমাত্রায়, জমাবেন না। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Atosiban এর সব ব্র্যান্ড

Atosiban এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।