বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

BETADERM CREAM

Betamethasone

  • ক্রিম

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Betamethasone 100 mg/100 gmক্রিমদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Betamethasone

ব্যবহার

বিটামেথাসন একটি শক্তিশালী কর্টিকোস্টেরয়েড (স্টেরয়েড), যা প্রদাহ কমাতে ব্যবহার হয়। ত্বকে (ক্রিম, মলম, লোশন) এটি একজিমা, ডার্মাটাইটিস, সোরিয়াসিস, এলার্জিজনিত র‍্যাশ ও পোকার কামড়ের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া হয়। প্রায়ই এর সাথে ক্লোট্রিমাজোলের মতো ছত্রাকনাশক, নিওমাইসিন বা জেন্টামাইসিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক, অথবা মোটা ও আঁশযুক্ত ত্বকের জন্য স্যালিসাইলিক এসিড থাকে। ট্যাবলেট ও ইনজেকশন গুরুতর এলার্জি, হাঁপানি, বাত ও অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগে, আর ড্রপ চোখ, কান বা নাকের প্রদাহে ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি আক্রান্ত জায়গায় শরীরের প্রদাহ ও রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া কমায়, ফলে লালচে ভাব, ফোলা, চুলকানি ও ব্যথা কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ত্বকে: দিনে ১ বা ২ বার শুধু আক্রান্ত জায়গায় পাতলা করে লাগান এবং পরে হাত ধুয়ে নিন। যত কম সময় দরকার তত কম সময় ব্যবহার করুন, ডাক্তার অন্য কিছু না বললে সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহের বেশি নয়। ডাক্তার না বললে মুখে, কুঁচকিতে, বগলে বা শিশুদের ব্যবহার করবেন না। ট্যাবলেট, ইনজেকশন এবং চোখ, কান বা নাকের ড্রপ: ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী। ইনজেকশন ডাক্তার বা নার্স দেন। কয়েক সপ্তাহের বেশি ট্যাবলেট খেলে হঠাৎ বন্ধ করবেন না; ডাক্তারের পরামর্শে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ত্বকের পণ্য সাধারণত অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া করে না। ট্যাবলেট বা ইনজেকশনের ক্ষেত্রে: অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন ও একই ধরনের ব্যথানাশক পেটে আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়; এটি রক্তে শর্করা বাড়িয়ে ডায়াবেটিসের ঔষধের কাজ কমাতে পারে; ফুরোসেমাইডের মতো প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধের সাথে পটাশিয়াম আরও কমতে পারে; ওয়ারফারিনের প্রভাব বদলাতে পারে; রিফাম্পিসিন, ফেনিটোইন ও কার্বামাজেপিন এর কাজ কমায়, আর রিটোনাভির, ইট্রাকোনাজোল ও ক্লারিথ্রোমাইসিন বাড়ায়। বেশি মাত্রায় খাওয়ার সময় জীবন্ত টিকা এড়িয়ে চলুন।

কারা খাবেন না

বিটামেথাসনে এলার্জি থাকলে। ত্বকে: চিকিৎসা না করা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ (যেমন জ্বরঠোসা, জলবসন্ত বা হারপিস জোস্টার), ব্রণ, রোসেসিয়া এবং মুখের চারপাশের পেরিওরাল ডার্মাটাইটিস নামের র‍্যাশে। মুখে খাওয়া বা ইনজেকশন: চিকিৎসা না করা গুরুতর সংক্রমণে, যদি না ডাক্তার অন্য সিদ্ধান্ত নেন।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ত্বকে: জ্বালা বা চিনচিন ভাব, আর দীর্ঘদিন বা বেশি ব্যবহারে ত্বক পাতলা হওয়া, ফাটা দাগ, ছোট রক্তনালি দেখা যাওয়া, সাদাটে দাগ ও ব্রণ। ট্যাবলেট ও ইনজেকশন: খিদে ও ওজন বাড়া, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ বাড়া, মেজাজ বা ঘুমের পরিবর্তন, সংক্রমণ বেশি হওয়া, আর দীর্ঘদিন ব্যবহারে হাড় দুর্বল হওয়া ও চোখের সমস্যা। গুরুতর এলার্জি, ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণের লক্ষণ (জ্বর, পুঁজ, লালচে ভাব ছড়ানো), হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তন, কালো পায়খানা বা রক্তবমি, বা মেজাজের তীব্র পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ডাক্তারের পরামর্শে ত্বকের পণ্য অল্প জায়গায় অল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করা যায়। বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে স্তনে লাগাবেন না। ট্যাবলেট ও ইনজেকশন গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শুধু তখনই দেওয়া হয়, যখন ডাক্তার মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি।

সতর্কতা

ডাক্তার না বললে লাগানো জায়গা আঁটসাঁট ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টিকে ঢাকবেন না, এতে বেশি ঔষধ শরীরে ঢোকে। চোখের পণ্য না হলে চোখ থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়। নতুন কোনো র‍্যাশে পরামর্শ ছাড়া কম্বিনেশন ক্রিম লাগাবেন না, কারণ স্টেরয়েড কিছু সংক্রমণ লুকিয়ে রাখতে বা বাড়াতে পারে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, গ্লুকোমা, পেপটিক আলসার বা যক্ষ্মার ইতিহাস থাকলে ট্যাবলেট বা ইনজেকশন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে নিতে হবে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

একবার বেশি ব্যবহার করলে ক্ষতির সম্ভাবনা কম। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত ব্যবহার, বিশেষ করে ট্যাবলেট বা বড় জায়গায় কড়া ক্রিম, শরীরের নিজস্ব স্টেরয়েড তৈরি কমিয়ে দিতে পারে এবং গোলগাল মুখ, ওজন বাড়া, রক্তে শর্করা বাড়া ও দুর্বল হাড়ের কারণ হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন; দীর্ঘদিনের ট্যাবলেট হঠাৎ বন্ধ করবেন না।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

কর্টিকোস্টেরয়েড (শক্তিশালী টপিক্যাল স্টেরয়েড; গ্লুকোকর্টিকয়েড)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Betamethasone এর সব ব্র্যান্ড

Betamethasone এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।