বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Bionex

Tranexamic Acid

  • প্রস্তুতকারক Biopharma Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ক্যাপসুল

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Tranexamic Acid 500 mgক্যাপসুল · ৭ x ৪ ব্লিস্টার প্যাক৳১৬০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳১৬

ঔষধটি সম্পর্কে

Tranexamic Acid

ব্যবহার

রক্তপাত কমাতে বা প্রতিরোধে ট্রানেক্সামিক অ্যাসিড ব্যবহার হয়। সাধারণ ব্যবহারগুলো হলো অতিরিক্ত মাসিক, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, দাঁত তোলা বা অপারেশনের পর রক্তপাত এবং কিছু রক্ত জমাট বাঁধার রোগে রক্তপাত। বংশগত এনজিওইডিমাতেও (বারবার ফুলে যাওয়া) এটি দেওয়া হয়। আঘাত, অপারেশন বা প্রসবের পর রক্তপাতে হাসপাতালে ইনজেকশন ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি একটি অ্যান্টিফাইব্রিনোলাইটিক। এটি রক্তের জমাট ভাঙার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বন্ধ করে, ফলে রক্তপাতের জায়গায় জমাট বেশিক্ষণ টিকে থাকে এবং দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • অতিরিক্ত মাসিক, প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত ১ g (২টি ৫০০ mg ট্যাবলেট) দিনে তিনবার, সর্বোচ্চ ৪ দিন, রক্তপাত শুরু হলে খাওয়া শুরু করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দিনে ৪ g এর বেশি খাবেন না।
  • অন্যান্য রক্তপাত (যেমন নাক দিয়ে রক্ত বা দাঁতের চিকিৎসার পর): সাধারণত ১ থেকে ১.৫ g দিনে দুই বা তিনবার, ডাক্তার যতদিন বলেন।
  • শিশু ও কিডনির সমস্যায়: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী; মাত্রা কম লাগতে পারে।
  • ইনজেকশন: হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স ধীরে শিরায় দেন।

ট্যাবলেট খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যায়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

হরমোনযুক্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ ঔষধ ও অন্য ইস্ট্রোজেন ঔষধের সাথে খেলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ফ্যাক্টর IX কমপ্লেক্সের মতো অন্য জমাট বাঁধানোর ঔষধের সাথে খাবেন না। লিউকেমিয়ার জন্য মুখে ট্রেটিনোইন খেলে ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

  • বর্তমানে রক্ত জমাট (যেমন পায়ের শিরায় জমাট, ফুসফুসে জমাট বা স্ট্রোক) থাকলে, বা আগে জমাট হয়ে থাকলে ডাক্তারের মূল্যায়ন ছাড়া।
  • গুরুতর কিডনির রোগ।
  • মস্তিষ্কের চারপাশের পর্দার নিচে রক্তক্ষরণ (সাবঅ্যারাকনয়েড হেমোরেজ)।
  • খিঁচুনির ইতিহাস থাকলে (ইনজেকশনের ক্ষেত্রে)।
  • ট্রানেক্সামিক অ্যাসিডে এলার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা এবং মাসিকের সময় কোমর বা পেটে ব্যথা। খুব কম: মাথা ঘোরা, ত্বকে এলার্জি এবং রঙ দেখায় পরিবর্তন।

এক পায়ে ব্যথা বা ফোলা, বুকে ব্যথা, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, কাশির সাথে রক্ত, মুখ, হাত বা পায়ে হঠাৎ দুর্বলতা বা অবশ ভাব, কথা বলতে কষ্ট, হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তন, খিঁচুনি, বা মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় শুধু ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করুন; প্রসবের সময়ের অতিরিক্ত রক্তপাতে হাসপাতালে এটি ব্যবহার হয়। বুকের দুধে সামান্য যায় এবং সাধারণত গ্রহণযোগ্য ধরা হয়, তবে আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

সতর্কতা

আগে রক্ত জমাট হয়ে থাকলে, কিডনির সমস্যা, অনিয়মিত মাসিক, প্রস্রাবে রক্ত বা মৃগীরোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান। অতিরিক্ত বা অনিয়মিত মাসিকের কারণ খুঁজে বের করতে ডাক্তার দেখানো উচিত। তিন মাসিকের পরও রক্তপাত না কমলে ডাক্তার দেখান। দীর্ঘদিন খেলে নিয়মিত চোখ পরীক্ষা লাগতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে যাওয়া ও খিঁচুনি হতে পারে; রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকিও আছে। দ্রুত চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিফাইব্রিনোলাইটিক (রক্তপাত রোধক) ঔষধ।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Tranexamic Acid এর সব ব্র্যান্ড

Tranexamic Acid এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।