বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Capecitin

Capecitabine

  • প্রস্তুতকারক Aristopharma Limited
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Capecitabine 500 mgট্যাবলেট · ১০'s Strip৳১,২০০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳১২০বাজার দর

ঔষধটি সম্পর্কে

Capecitabine

ব্যবহার

ক্যাপেসিটাবিন মুখে খাওয়ার একটি ক্যান্সারের ঔষধ। এটি ব্যবহার হয়:

  • অপারেশনের পর কোলন ক্যান্সারে, এবং অগ্রসর কোলন বা রেক্টাম (কোলোরেক্টাল) ক্যান্সারে, একা বা অন্য ঔষধের সাথে।
  • রেডিওথেরাপির সাথে রেক্টাম ক্যান্সারে।
  • অগ্রসর স্তন ক্যান্সারে, একা বা ডোসেট্যাক্সেলের সাথে।
  • অগ্রসর পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর ক্যান্সারে, অন্য ক্যান্সারের ঔষধের সাথে।

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ (অনকোলজিস্ট) এটি দেন ও পর্যবেক্ষণ করেন।

কীভাবে কাজ করে

ক্যাপেসিটাবিন একটি "প্রোড্রাগ", অর্থাৎ খাওয়ার সময় এটি নিষ্ক্রিয় থাকে এবং শরীরে, বিশেষ করে টিউমারের ভেতরে, ফ্লুরোইউরাসিলে পরিণত হয়। ফ্লুরোইউরাসিল ক্যান্সার কোষকে ডিএনএ তৈরি করতে দেয় না, ফলে কোষগুলো বাড়তে ও বিভাজিত হতে পারে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ডাক্তার যেভাবে দিয়েছেন ঠিক সেভাবে খাবেন। শরীরের আকার (বডি সারফেস এরিয়া), কিডনির অবস্থা ও অন্য চিকিৎসা অনুযায়ী মাত্রা ঠিক করা হয়।

  • সাধারণত দিনে দুইবার, প্রায় ১২ ঘণ্টা পরপর খেতে হয়; প্রায়ই ১৪ দিন খাওয়ার পর ৭ দিন বিরতি (২১ দিনের চক্র)। রেডিওথেরাপির সাথে বিরতি ছাড়া প্রতিদিন খাওয়া লাগতে পারে।
  • খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে পানি দিয়ে পুরোটা গিলে খান।
  • একটি ডোজ বাদ পড়লে বাড়তি ডোজ খাবেন না; পরের ডোজ নির্ধারিত সময়ে খান।
  • পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে ডাক্তার মাত্রা কমাতে বা কিছুদিন বন্ধ রাখতে পারেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ব্রিভুডিন (হার্পিস জোস্টারের ঔষধ) ক্যাপেসিটাবিনের সাথে বা এর ৪ সপ্তাহের মধ্যে কখনোই খাবেন না; এতে মৃত্যুঝুঁকি আছে।
  • ওয়ারফারিন: রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে; রক্ত জমাট বাঁধার পরীক্ষা (INR) ঘনঘন করতে হয়।
  • ফেনিটোইন: এর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে; পরীক্ষা লাগতে পারে।
  • ফোলিনিক এসিড কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দুটোই বাড়াতে পারে।
  • অ্যালোপিউরিনল এর কার্যকারিতা কমাতে পারে, তাই সাধারণত একসাথে দেওয়া হয় না।

কারা খাবেন না

  • ক্যাপেসিটাবিন বা ফ্লুরোইউরাসিলে এলার্জি থাকলে।
  • শরীরে DPD এনজাইম (যা ঔষধটি ভাঙে) একেবারে না থাকলে।
  • কিডনির গুরুতর সমস্যা থাকলে।
  • গত ৪ সপ্তাহে ব্রিভুডিন খেয়ে থাকলে।
  • রক্তকণিকা খুব কম থাকলে, লিভারের গুরুতর সমস্যায়, গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, বমি, মুখে ঘা, ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা, পেটব্যথা, এবং হাত-পায়ের সমস্যা (হাতের তালু ও পায়ের তলা লাল হওয়া, ফোলা, ব্যথা বা চামড়া উঠে যাওয়া)। এটি রক্তকণিকা কমাতে পারে, ফলে সংক্রমণ ও রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

নিচের যে কোনোটি হলে ঔষধ বন্ধ করে সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন বা দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • দিনে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ বা তার বেশি বার ডায়রিয়া, বা রাতে ডায়রিয়া।
  • ২৪ ঘণ্টায় একাধিকবার বমি।
  • ৩৮°C বা বেশি জ্বর, কাঁপুনি বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ।
  • মুখে এমন ব্যথাযুক্ত ঘা যে খেতে বা পান করতে পারছেন না।
  • হাত বা পায়ে ব্যথাযুক্ত ফোলা বা ফোসকা।
  • বুকে ব্যথা, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে, বা ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ক্যাপেসিটাবিন গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। নারীরা চিকিৎসার সময় ও শেষ ডোজের পর ৬ মাস কার্যকর জন্মনিরোধক ব্যবহার করবেন; যে পুরুষের সঙ্গী গর্ভধারণ করতে পারেন, তিনি চিকিৎসার সময় ও পরের ৩ মাস জন্মনিরোধক ব্যবহার করবেন। চিকিৎসার সময় ও শেষ ডোজের পর ২ সপ্তাহ বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

  • শুরু করার আগে DPD ঘাটতির পরীক্ষা করা হতে পারে, কারণ DPD কম থাকলে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।
  • নিয়মিত কিডনি, রক্তকণিকা ও লিভারের পরীক্ষা করা হয়।
  • বয়স্ক এবং হৃদরোগ, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে বাড়তি সতর্কতা দরকার।
  • ডায়রিয়া বা বমি হলে পানিশূন্যতা এড়াতে প্রচুর পানি পান করুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, মুখে ঘা, রক্তপাত ও রক্তকণিকা বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান এবং ঔষধের প্যাকেট সাথে নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী ঔষধ; অ্যান্টিমেটাবোলাইট (ফ্লুরোপাইরিমিডিন)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মূল প্যাকেটেই রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Capecitabine এর সব ব্র্যান্ড

Capecitabine এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।