বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Cefa-4

Cefepime

  • প্রস্তুতকারক Popular Pharmaceuticals PLC
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ৩টি মাত্রা ও ধরন
  • IM/IV ইনজেকশন
  • IV ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Cefepime Hydrochloride 500 mg/vialIM/IV ইনজেকশনদাম শীঘ্রই
Cefepime Hydrochloride 2 gm/vialIV ইনজেকশনদাম শীঘ্রই
Cefepime Hydrochloride 1 gm/vialIM/IV ইনজেকশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Cefepime

ব্যবহার

সেফেপিম একটি ইনজেকশন অ্যান্টিবায়োটিক, যা হাসপাতালে গুরুতর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে ব্যবহার হয়, যেমন:

  • নিউমোনিয়া (ফুসফুসের সংক্রমণ)।
  • জটিল মূত্রনালি ও কিডনির সংক্রমণ।
  • ত্বক ও নরম টিস্যুর গুরুতর সংক্রমণ।
  • পেটের ভেতরের জটিল সংক্রমণ, সাধারণত মেট্রোনিডাজলের সাথে।
  • রক্তে শ্বেতকণিকা খুব কমে গেলে জ্বর (ফেব্রাইল নিউট্রোপেনিয়া)।
  • রক্তের সংক্রমণ (সেপটিসেমিয়া)।

কীভাবে কাজ করে

সেফেপিম চতুর্থ প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর তৈরি বন্ধ করে দিয়ে ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে। হাসপাতালের অনেক সংক্রমণের জন্য দায়ী সিউডোমোনাসসহ নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে এটি কাজ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সেফেপিম ডাক্তার বা নার্স শিরায় (কখনও মাংসপেশিতে) ইনজেকশন হিসেবে দেন। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পরপর ১ থেকে ২ g, তবে সংক্রমণের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী ডাক্তারের নির্দেশমতো দেওয়া হয়। শিশুদের মাত্রা ওজন অনুযায়ী ঠিক করা হয়। কিডনির সমস্যা থাকলে মাত্রা কমানো হয়। কত দিন চলবে তা ডাক্তার ঠিক করেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • জেন্টামাইসিন ও অ্যামিকাসিনের মতো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক এবং ফ্রুসেমাইডের মতো কড়া ডাইইউরেটিক কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে; কিডনির কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
  • কুম্বস টেস্ট ও প্রস্রাবে শর্করার কিছু পরীক্ষার ফল প্রভাবিত হতে পারে।
  • মুখে খাওয়ার জীবন্ত টাইফয়েড টিকার কার্যকারিতা কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • সেফেপিম বা অন্য কোনো সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে।
  • আগে পেনিসিলিন বা কার্বাপেনেমে মারাত্মক অ্যালার্জি (যেমন অ্যানাফাইল্যাক্সিস) হয়ে থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা বা ফোলা, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, র‍্যাশ, মাথাব্যথা ও লিভারের রক্ত পরীক্ষায় পরিবর্তন।

মারাত্মক অ্যালার্জির লক্ষণ (মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে পড়া), তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া (চিকিৎসার কয়েক সপ্তাহ পরেও হতে পারে), বিভ্রান্তি, ঝাঁকুনি, খিঁচুনি বা চেতনা কমে যাওয়া, অথবা ফোসকা পড়া বা চামড়া উঠে যাওয়া র‍্যাশ হলে সাথে সাথে নার্স বা ডাক্তারকে জানান বা জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থা: স্পষ্টভাবে প্রয়োজন হলে সাধারণত গ্রহণযোগ্য ধরা হয়; ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেবেন। বুকের দুধ: সামান্য পরিমাণ দুধে যায়; সাধারণত চালিয়ে যাওয়া যায়, তবে শিশুর ডায়রিয়া, মুখে ছত্রাক বা র‍্যাশ হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন।

সতর্কতা

আগে পেনিসিলিন বা অন্য অ্যান্টিবায়োটিকে অ্যালার্জি হয়ে থাকলে ডাক্তারকে জানান। কিডনির রোগে মাত্রা ঠিক করতে হয়, কারণ ঔষধ শরীরে জমে মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে বিভ্রান্তি বা খিঁচুনি করতে পারে, বিশেষ করে বয়স্কদের। দীর্ঘ কোর্সে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। আগে অন্ত্রের প্রদাহ (কোলাইটিস) হয়ে থাকলে সাবধানে ব্যবহার করতে হয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

কিডনির সমস্যা থাকলে মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যাতে বিভ্রান্তি, অলীক কিছু দেখা, খিঁচুনি ও অচেতনতা হতে পারে। এর চিকিৎসা হাসপাতালে হয়; ঔষধ বন্ধ করা হয় এবং ডায়ালাইসিস ঔষধ বের করতে সাহায্য করে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

চতুর্থ প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

না খোলা ভায়াল 30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেশানোর পর দ্রবণটি লিফলেট বা হাসপাতালের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবহার করা হয়।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Cefepime এর সব ব্র্যান্ড

Cefepime এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।