ঔষধের ব্র্যান্ড

Cetaxone 500 IM

Ceftriaxone

  • প্রস্তুতকারক Euro Pharma Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • IM ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Ceftriaxone 500 mgDGDA 337-0125-023IM ইনজেকশন২ ml অ্যাম্পুল৳১৩০প্রতি ভায়াল বা অ্যামপুল

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Ceftriaxone

ব্যবহার

সেফট্রিয়াক্সোন একটি অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন, যা ব্যাকটেরিয়ার গুরুতর সংক্রমণে ব্যবহার হয়, যেমন:

  • নিউমোনিয়া ও বুকের অন্যান্য সংক্রমণ
  • মেনিনজাইটিস (মস্তিষ্কের আবরণের সংক্রমণ)
  • টাইফয়েড জ্বর
  • কিডনি ও মূত্রনালির সংক্রমণ
  • গনোরিয়া
  • হাড়, জোড়া, ত্বক, নরম টিস্যু ও পেটের ভেতরের সংক্রমণ
  • রক্তে সংক্রমণ (সেপসিস)
  • কিছু অপারেশনের আগে সংক্রমণ প্রতিরোধ

সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইরাসজনিত রোগে এটি কাজ করে না।

কীভাবে কাজ করে

সেফট্রিয়াক্সোন সেফালোস্পোরিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যাকটেরিয়াকে তার সুরক্ষা দেয়াল (কোষপ্রাচীর) তৈরি করতে দেয় না, ফলে ব্যাকটেরিয়া ফেটে মারা যায়। শরীরে অনেকক্ষণ থাকে বলে সাধারণত দিনে একবার দেওয়া হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

সেফট্রিয়াক্সোন ডাক্তার বা নার্স দেন, শিরায় (ইনজেকশন বা স্যালাইনে) অথবা মাংসপেশির গভীরে। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত দিনে একবার ১ থেকে ২ g, আর মেনিনজাইটিসের মতো গুরুতর সংক্রমণে দিনে ৪ g পর্যন্ত। শিশুদের মাত্রা ওজন অনুযায়ী ঠিক করা হয়। সঠিক মাত্রা ও কতদিন চলবে তা সংক্রমণের ওপর নির্ভর করে, ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী। ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ক্যালসিয়ামযুক্ত স্যালাইন (যেমন রিঙ্গার্স ল্যাকটেট বা ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট) সেফট্রিয়াক্সোনের সাথে মেশানো বা একই লাইনে একই সময়ে দেওয়া যাবে না। নবজাতকের ক্ষেত্রে এ দুটি একসাথে একেবারেই দেওয়া যাবে না।
  • ওয়ারফারিনের কাজ বাড়াতে পারে, তাই রক্ত জমাট বাঁধার পরীক্ষা লাগতে পারে।
  • মাংসপেশির ইনজেকশনে ব্যথা কমাতে লিডোকেইন মেশানো হলে সেই মিশ্রণ কখনও শিরায় দেওয়া যাবে না।

কারা খাবেন না

  • সেফট্রিয়াক্সোন বা অন্য কোনো সেফালোস্পোরিনে এলার্জি থাকলে।
  • আগে পেনিসিলিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটাম অ্যান্টিবায়োটিকে তীব্র এলার্জি (অ্যানাফাইল্যাক্সিস) হয়ে থাকলে।
  • অপরিণত শিশু, এবং জন্ডিস আছে বা শিরায় ক্যালসিয়াম লাগবে এমন নবজাতক।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা বা শক্ত হয়ে যাওয়া, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, র‍্যাশ, লিভার ও রক্তের পরীক্ষায় পরিবর্তন, এবং মুখে বা যৌনাঙ্গে ছত্রাক সংক্রমণ। কখনও পিত্তথলিতে তলানি জমতে পারে, যা চিকিৎসা শেষে সাধারণত সেরে যায়।

মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হওয়ার মতো তীব্র এলার্জি, চিকিৎসার সময় বা পরে তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া, ফোসকাসহ বা চামড়া উঠে যাওয়া ছড়ানো র‍্যাশ, চোখ বা ত্বক হলুদ হওয়া, পেটের ডান ওপরের দিকে তীব্র ব্যথা, অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তপাত, অথবা প্রস্রাব অনেক কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

স্পষ্ট প্রয়োজন হলে গর্ভাবস্থায় সেফট্রিয়াক্সোন সাধারণত গ্রহণযোগ্য ধরা হয়, ডাক্তার উপকার ও ঝুঁকি বিবেচনা করবেন। অল্প পরিমাণে বুকের দুধে যায়; সাধারণত দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যাওয়া যায়, তবে শিশুর ডায়রিয়া, র‍্যাশ বা মুখে ছত্রাক হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন।

সতর্কতা

  • চিকিৎসার আগে পেনিসিলিন বা অন্য অ্যান্টিবায়োটিকে এলার্জি থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • লিভার ও কিডনি দুটোই দুর্বল হলে বাড়তি সাবধানতা দরকার।
  • দীর্ঘ কোর্সে রক্ত পরীক্ষা লাগতে পারে।
  • কুম্বস টেস্ট ও প্রস্রাবে চিনির কিছু পরীক্ষার ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

স্বাস্থ্যকর্মীরা দেন বলে মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। বেশি হলে বমি বমি ভাব, বমি ও ডায়রিয়া হতে পারে। হাসপাতালে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়; ডায়ালাইসিসে এটি ভালোভাবে বের হয় না।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

না খোলা ভায়াল ৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। দ্রবণ তৈরির পর ঔষধের লিফলেট অনুযায়ী দ্রুত ব্যবহার করতে হবে।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ceftriaxone এর সব ব্র্যান্ড

Ceftriaxone এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।