Domperidone
কী কাজে ব্যবহার হয়
ডমপেরিডন বমিভাব ও বমি কমায়। এটি পাকস্থলী তাড়াতাড়ি খালি হতে সাহায্য করে।
কীভাবে খাবেন
প্রাপ্তবয়স্ক এবং 12 বছর বা বেশি বয়সী যাদের ওজন অন্তত 35 kg: খাবারের 15 থেকে 30 মিনিট আগে 10 mg, দিনে সর্বোচ্চ 3 বার। দিনে 30 mg এর বেশি খাবেন না, এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া 7 দিনের বেশি খাবেন না। 35 kg এর কম ওজনের শিশুদের সিরাপ দেওয়া হয়, মাত্রা ডাক্তার ওজন দেখে ঠিক করেন।
কারা খাবেন না
ডমপেরিডনে এলার্জি থাকলে, হৃদস্পন্দনের সমস্যা (যেমন লং QT), মাঝারি বা গুরুতর লিভারের রোগ, প্রোল্যাকটিন তৈরি করা পিটুইটারি টিউমার, অথবা পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, বাধা বা ছিদ্র থাকলে খাবেন না। কিটোকোনাজল, ইরিথ্রোমাইসিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন বা হৃদস্পন্দনে বড় প্রভাব ফেলে এমন ঔষধের সাথে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ: মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা ও ডায়রিয়া। কম দেখা যায়: স্তন ফোলা বা ব্যথা, স্তন থেকে দুধ বের হওয়া, এবং মাসিক বন্ধ বা অনিয়মিত হওয়া। বিরল ক্ষেত্রে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হতে পারে। বুক ধড়ফড় করলে, অজ্ঞান হলে বা খিঁচুনি হলে সাথে সাথে চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
বয়স 60 এর বেশি হলে, দিনে 30 mg এর বেশি খেলে এবং কিছু ঔষধের সাথে খেলে হার্টের ঝুঁকি বেশি। হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, বা রক্তে পটাশিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কম থাকলে ডাক্তারকে জানান।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
ডাক্তার না বললে গর্ভাবস্থায় খাবেন না। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়, তাই স্তন্যদানের সময় খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অনেক ঔষধ ডমপেরিডনের মাত্রা বাড়াতে পারে বা হৃদস্পন্দনে এর প্রভাব বাড়াতে পারে, যেমন কিছু ছত্রাকনাশক, অ্যান্টিবায়োটিক (ইরিথ্রোমাইসিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন), HIV এর ঔষধ, অ্যামিওডারোন ও কিছু বিষণ্ণতার ঔষধ। সব ঔষধের কথা ডাক্তারকে জানান।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ঔষধ আলো ফার্মেসি টিম যাচাই করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
Domperidone এর সব ব্র্যান্ড