ঔষধের ব্র্যান্ড

Dexacare

Dexamethasone

  • প্রস্তুতকারক Pharmik Laboratories Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Dexamethasone .5 mgDGDA 179-0095-072ট্যাবলেট২০ x ১০ ব্লিস্টার প্যাক৳১০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳১বক্স (২০ x ১০): ৳২০০
Dexamethasone 0.5 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Dexamethasone

ব্যবহার

ডেক্সামেথাসোন একটি শক্তিশালী ও দীর্ঘক্ষণ কার্যকর কর্টিকোস্টেরয়েড (স্টেরয়েড) ঔষধ, যা অনেক রোগে ব্যবহার হয়, যেমন:

  • তীব্র এলার্জি, এবং হাঁপানি ও অন্যান্য ফুসফুসের রোগ হঠাৎ বেড়ে গেলে
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস এবং কিছু ত্বক ও অন্ত্রের রোগের মতো প্রদাহ ও অটোইমিউন রোগ
  • টিউমার বা আঘাতে মস্তিষ্ক ফুলে গেলে
  • শিশুদের ক্রুপ (শ্বাসনালি ফুলে কাশি ও শ্বাসকষ্ট)
  • ক্যান্সারের চিকিৎসায় বমি প্রতিরোধ, এবং কিছু রক্তের ক্যান্সারের চিকিৎসার অংশ হিসেবে
  • যেসব গুরুতর সংক্রমণে প্রদাহ ক্ষতিকর, যেমন কিছু মেনিনজাইটিস বা অক্সিজেন লাগে এমন গুরুতর কোভিড-১৯
  • সময়ের আগে প্রসবের আশঙ্কা থাকলে শিশুর ফুসফুস পরিপক্ব করতে (ইনজেকশন)
  • চোখ ও কানের প্রদাহ (ড্রপ)

কীভাবে কাজ করে

ডেক্সামেথাসোন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির তৈরি প্রাকৃতিক হরমোন কর্টিসলের মতো কাজ করে, তবে অনেক বেশি শক্তিশালী। এটি প্রদাহ ও ফোলা কমায় এবং অতিসক্রিয় রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শান্ত করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রোগভেদে মাত্রা অনেক আলাদা হয়, তাই সবসময় ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী খাবেন। মুখে খাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক রোগে দিনে প্রায় ০.৫ থেকে ৯ mg দেওয়া হয়; মস্তিষ্ক ফোলা বা ক্যান্সারের চিকিৎসার মতো বিশেষ ক্ষেত্রে বেশি মাত্রা লাগে। ইনজেকশন ডাক্তার বা নার্স দেন। চোখ ও কানের ড্রপ নির্দেশমতো ব্যবহার করুন।

  • ট্যাবলেট খাবারের সাথে বা পরে, সাধারণত সকালে খান।
  • প্রায় ৩ সপ্তাহের বেশি বা বেশি মাত্রায় খেয়ে থাকলে হঠাৎ বন্ধ করবেন না। ডাক্তার ধীরে ধীরে মাত্রা কমাবেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন ও ডাইক্লোফেনাকের মতো ব্যথানাশক পাকস্থলীতে আলসার ও রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন ও ফেনোবার্বিটাল এর কাজ কমায়।
  • কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভির এর কাজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে।
  • রক্তে চিনি বাড়াতে পারে, তাই ডায়াবেটিসের ঔষধের মাত্রা বদলাতে হতে পারে।
  • ফুরোসেমাইড বা হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইডের মতো প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধের সাথে পটাশিয়াম বেশি কমে যেতে পারে, যা ডিগক্সিনের সাথে ঝুঁকিপূর্ণ।
  • ওয়ারফারিনের কাজে পরিবর্তন আনতে পারে।
  • বেশি মাত্রায় চিকিৎসার সময় জীবন্ত টিকা এড়িয়ে চলতে হবে।

কারা খাবেন না

  • চিকিৎসা হয়নি এমন গুরুতর সংক্রমণে, বিশেষ করে শরীরে ছড়িয়ে পড়া ছত্রাক সংক্রমণে।
  • ডেক্সামেথাসোন বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমন করে এমন মাত্রা চলাকালে জীবন্ত টিকা।
  • চোখের ড্রপ: ভাইরাস, ছত্রাক বা চিকিৎসা না হওয়া ব্যাকটেরিয়ার চোখের সংক্রমণে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অল্প সময়ের ব্যবহারে: ক্ষুধা বাড়া, ওজন বাড়া, রক্তে চিনি বাড়া, মেজাজের পরিবর্তন, ঘুমের সমস্যা, বদহজম ও শরীরে পানি জমা। দীর্ঘদিন ব্যবহারে: ত্বক পাতলা হওয়া ও সহজে কালশিটে পড়া, মুখ গোল হয়ে যাওয়া, হাড় দুর্বল হওয়া, পেশি দুর্বলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ছানি ও গ্লুকোমা, ঘন ঘন সংক্রমণ, এবং শিশুদের বৃদ্ধি ধীর হওয়া।

কালো পায়খানা বা রক্তবমি, তীব্র পেটব্যথা, জ্বর বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ, আগে না হয়ে থাকলে জলবসন্ত বা হামের রোগীর সংস্পর্শে আসা, মেজাজের তীব্র পরিবর্তন, বিভ্রান্তি বা অস্থির চিন্তা, ঝাপসা দেখা বা চোখে ব্যথা, প্রচণ্ড পিপাসা ও ঘন ঘন প্রস্রাব, শ্বাসকষ্টসহ শরীর ফোলা, অথবা তীব্র এলার্জি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি হলে তবেই গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা হয়, আর অপরিণত শিশুর ফুসফুসের জন্য কখনও ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়। এটি বুকের দুধে যায়; অল্প দিনের কোর্স সাধারণত গ্রহণযোগ্য, তবে দুধ খাওয়ানোর সময় ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সতর্কতা

  • ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিউর, পাকস্থলীর আলসার, দুর্বল হাড়, গ্লুকোমা, আগে যক্ষ্মা, মৃগীরোগ, মানসিক রোগ, বা লিভার বা কিডনির রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • অসুস্থতা, আঘাত বা অপারেশনের সময় শরীরে বাড়তি স্টেরয়েড লাগতে পারে; যে ডাক্তারই চিকিৎসা করুন, তাঁকে জানান যে আপনি এটি খাচ্ছেন।
  • জলবসন্ত, হারপিস জোস্টার বা হামের রোগীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
  • দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়া শিশুদের বৃদ্ধি পরীক্ষা করা উচিত।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

একবারে বেশি খেলে সাধারণত বিপদ হয় না। দীর্ঘদিন বেশি খেলে ওপরে বলা দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন, এবং দীর্ঘদিনের চিকিৎসা হঠাৎ বন্ধ করবেন না।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

কর্টিকোস্টেরয়েড (গ্লুকোকর্টিকয়েড)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশন ও ড্রপ ফ্রিজে জমাবেন না।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Dexamethasone এর সব ব্র্যান্ড

Dexamethasone এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।