বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Eclamag

Magnesium

  • প্রস্তুতকারক Incepta Pharmaceuticals Ltd.
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • IM/IV ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Magnesium Sulfate 2.5 gm/5 mlIM/IV ইনজেকশন৳১১০প্রতি ভায়াল বা অ্যামপুলবাজার দর

ঔষধটি সম্পর্কে

Magnesium

ব্যবহার

  • রক্তে ম্যাগনেশিয়াম কমে যাওয়া প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়। দীর্ঘক্ষণ ডায়রিয়া, মদ্যপান, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ বা ওমিপ্রাজলের মতো অ্যাসিড কমানোর ঔষধ দীর্ঘদিন খেলে এটি হতে পারে।
  • মাল্টিভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্টের অংশ হিসেবে।
  • কখনও পেশিতে টান বা মাইগ্রেন প্রতিরোধে ডাক্তার এটি পরামর্শ দেন।
  • হাসপাতালে ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ইনজেকশন একলাম্পসিয়া (গর্ভাবস্থায় খিঁচুনি), হাঁপানির তীব্র টান ও হৃদ্‌স্পন্দনের কিছু সমস্যায় ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

ম্যাগনেশিয়াম একটি খনিজ, যা শত শত এনজাইমের কাজে লাগে। এটি পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজে, হৃদ্‌স্পন্দন স্থির রাখতে, হাড় মজবুত করতে এবং খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরে সাহায্য করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্কদের দিনে প্রায় ৩১০ থেকে ৪২০ mg লাগে, যার বেশিরভাগ আসে সবুজ শাকসবজি, বাদাম, ডাল ও আস্ত শস্য থেকে।
  • সাপ্লিমেন্ট (প্রাপ্তবয়স্ক): সাধারণত দিনে ১০০ থেকে ৩৫০ mg এলিমেন্টাল ম্যাগনেশিয়াম। এর বেশি শুধু ডাক্তারের পরামর্শে।
  • প্রমাণিত ঘাটতির চিকিৎসা ও শিশুদের ক্ষেত্রে: ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী।
  • ইনজেকশন: হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স দেন।

পেটের অস্বস্তি ও ডায়রিয়া কমাতে খাবারের সাথে খান। দৈনিক মাত্রা ভাগ করে খেলেও সুবিধা হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ম্যাগনেশিয়াম ডক্সিসাইক্লিন ও অন্যান্য টেট্রাসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও অন্যান্য কুইনোলোন, লেভোথাইরক্সিন, অ্যালেন্ড্রোনিক এসিডের মতো বিসফসফোনেট এবং গ্যাবাপেন্টিনের শোষণ কমায়। এগুলো অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধানে খান (কুইনোলোনের ক্ষেত্রে ৪ ঘণ্টা)।
  • স্পাইরোনোল্যাকটোন ও অ্যামিলোরাইড ম্যাগনেশিয়াম বাড়াতে পারে।
  • ফুরোসেমাইডের মতো প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ ও দীর্ঘদিন অ্যাসিড কমানোর ঔষধ ম্যাগনেশিয়াম কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • কিডনির গুরুতর অকার্যকারিতায়।
  • রক্তে ম্যাগনেশিয়াম বেশি থাকলে।
  • ইনজেকশন: হার্ট ব্লক ও মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস রোগে, যদি না ডাক্তার অন্যভাবে সিদ্ধান্ত নেন।
  • ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব ও পেটে মোচড়, বিশেষ করে বেশি মাত্রায়।

ম্যাগনেশিয়াম বেশি হওয়ার লক্ষণ, যেমন প্রবল দুর্বলতা, ঝিমুনি, বিভ্রান্তি, মুখ লাল হওয়া, খুব কম রক্তচাপ, ধীর শ্বাস, বা ধীর বা অনিয়মিত হৃদ্‌স্পন্দন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। তীব্র এলার্জি হলেও দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

সাধারণ মাত্রায় ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় নিরাপদ বলে ধরা হয়। গর্ভকালীন জটিলতায় প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ইনজেকশন দেওয়া হয়।

সতর্কতা

  • কিডনির রোগে সাবধানে ব্যবহার করুন, কারণ ম্যাগনেশিয়াম জমে যেতে পারে।
  • অ্যান্টাসিড, জোলাপ ও সাপ্লিমেন্টের লেবেল দেখে নিন, যেন একাধিক পণ্য থেকে একসাথে ম্যাগনেশিয়াম না খান।
  • শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মুখে বেশি ম্যাগনেশিয়াম খেলে সাধারণত ডায়রিয়া হয়। কিডনি দুর্বল হলে বা ইনজেকশনের ক্ষেত্রে রক্তে ম্যাগনেশিয়াম বিপজ্জনকভাবে বেড়ে দুর্বলতা, ঝিমুনি, ধীর শ্বাস ও হৃদ্‌স্পন্দনের সমস্যা হতে পারে। দেরি না করে চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

মিনারেল সাপ্লিমেন্ট; ইলেকট্রোলাইট পূরণকারী।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Magnesium এর সব ব্র্যান্ড

Magnesium এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।