Ondansetron
কী কাজে ব্যবহার হয়
অনডানসেট্রন ক্যান্সারের কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও অপারেশনের কারণে হওয়া বমিভাব ও বমি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করে। ডাক্তাররা কখনো কখনো অন্য কারণে তীব্র বমিতেও এটি দেন।
কীভাবে খাবেন
মাত্রা ডাক্তার ঠিক করবেন। কেমোথেরাপিতে প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা চিকিৎসার 1 থেকে 2 ঘণ্টা আগে 8 mg, তারপর প্রতি 12 ঘণ্টা পরপর 8 mg, সর্বোচ্চ 5 দিন। শিশুদের মাত্রা ওজন বা শরীরের আকার অনুযায়ী। মুখে গলে যাওয়া ট্যাবলেট জিহ্বার উপর রেখে গলতে দিন, পানি লাগে না।
কারা খাবেন না
অনডানসেট্রন বা একই ধরনের ঔষধে (যেমন গ্রানিসেট্রন) এলার্জি থাকলে, অ্যাপোমরফিন খেলে, বা জন্মগত লং QT হৃদস্পন্দনের সমস্যা থাকলে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ: মাথাব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, গরম লাগা বা মুখ লাল হওয়া, এবং ক্লান্তি। বিরল: অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, খিঁচুনি বা ঝাপসা দেখা। বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, অজ্ঞান হওয়া বা এলার্জির লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
হৃদস্পন্দনের সমস্যা, রক্তে পটাশিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কম, লিভারের রোগ (সাধারণত দিনে সর্বোচ্চ 8 mg), বা অন্ত্রে বাধার লক্ষণ থাকলে ডাক্তারকে জানান। অপারেশনের পর অন্ত্রে বাধার লক্ষণ এই ঔষধে চাপা পড়ে যেতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থার প্রথম 3 মাসে ডাক্তার না বললে খাবেন না, কারণ ঠোঁট বা তালু কাটা নিয়ে জন্মানোর ঝুঁকি সামান্য বাড়ার খবর পাওয়া গেছে। স্তন্যদানের সময় খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অ্যাপোমরফিনের সাথে খাবেন না। বিষণ্ণতার ঔষধ (SSRI বা SNRI) বা ট্রামাডলের সাথে খেলে বিরল ক্ষেত্রে সেরোটোনিন সিনড্রোম হতে পারে (অস্থিরতা, ঘাম, কাঁপুনি, দ্রুত হৃদস্পন্দন)। হৃদস্পন্দনে প্রভাব ফেলে এমন অন্য ঔষধে ঝুঁকি বাড়ে। কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন ও রিফাম্পিসিন এর কাজ কমিয়ে দিতে পারে।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ঔষধ আলো ফার্মেসি টিম যাচাই করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
Ondansetron এর সব ব্র্যান্ড