ঔষধের ব্র্যান্ড

Emetant-40

Aprepitant

  • প্রস্তুতকারক Biogen Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ক্যাপসুল

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Aprepitant 40 mgDGDA 139-0088-018ক্যাপসুলদাম শীঘ্রই

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Aprepitant

ব্যবহার

ক্যান্সারের কেমোথেরাপির কারণে বমি বমি ভাব ও বমি প্রতিরোধে অ্যাপ্রেপিট্যান্ট অন্যান্য বমিনাশক ঔষধের সাথে (সাধারণত ডেক্সামেথাসন ও অনডানসেট্রনের মতো একটি ঔষধ) দেওয়া হয়, বিশেষ করে যেসব কেমোথেরাপিতে বমির ঝুঁকি বেশি। এটি বমি প্রতিরোধের ঔষধ; বমি শুরু হয়ে গেলে তা থামানোর জন্য নয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি মস্তিষ্কের NK1 রিসেপ্টর বন্ধ করে দেয়। কেমোথেরাপির সময় সাবস্ট্যান্স P নামের একটি রাসায়নিক বের হয়, যা এই রিসেপ্টরের মাধ্যমে বমি ঘটায়। রিসেপ্টর বন্ধ থাকায় চিকিৎসার পরপর এবং কয়েক দিন পরের বমি দুটোই কম হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ যেভাবে লিখে দেন ঠিক সেভাবে খান। সাধারণত ৩ দিনের একটি ছোট কোর্স দেওয়া হয়: প্রথম দিন কেমোথেরাপির প্রায় ১ ঘণ্টা আগে প্রথম ডোজ, পরের দুই দিন সকালে বাকি ডোজ। ক্যাপসুল পানি দিয়ে আস্ত গিলে খান, খাবারের আগে বা পরে। শিশুদের ক্ষেত্রে শুধু ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • চিকিৎসার সময় এবং পরের ১ মাস জন্মনিয়ন্ত্রণের হরমোন পদ্ধতি (পিল, ইনজেকশন, ইমপ্লান্ট) কম কার্যকর হতে পারে; কনডমের মতো বাড়তি পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
  • এটি ডেক্সামেথাসন ও মিথাইলপ্রেডনিসোলনের মাত্রা বাড়ায়, তাই ডাক্তার সাধারণত সেগুলোর ডোজ কমিয়ে দেন।
  • ওয়ারফারিনের কার্যকারিতা কমাতে পারে; রক্ত জমাট বাঁধার পরীক্ষা (INR) করা লাগতে পারে।
  • কিটোকোনাজোল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভিরের মতো ঔষধ এর মাত্রা বাড়াতে পারে; রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন ও ফেনিটোইন কমাতে পারে।
  • পিমোজাইডের সাথে কখনোই খাওয়া যাবে না।

কারা খাবেন না

  • অ্যাপ্রেপিট্যান্ট বা ক্যাপসুলের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • পিমোজাইড, টারফেনাডিন, অ্যাস্টেমিজোল বা সিসাপ্রাইড খেলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ক্লান্তি, হেঁচকি, ক্ষুধা কমে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাতলা পায়খানা, বদহজম ও মাথাব্যথা।

এলার্জির লক্ষণ (মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, সারা শরীরে চুলকানিযুক্ত র‍্যাশ), ফোসকা পড়া বা চামড়া উঠে যাওয়া গুরুতর র‍্যাশ, বুকে ব্যথা বা বুক খুব ধড়ফড় করলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের তথ্য সীমিত, তাই ডাক্তার একান্ত প্রয়োজন মনে করলেই দেওয়া হয়। চিকিৎসার সময় বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। হরমোনজনিত জন্মনিয়ন্ত্রণ দুর্বল করে বলে বাড়তি সুরক্ষা ব্যবহার করুন।

সতর্কতা

লিভারের কোনো রোগ থাকলে এবং অন্য যেসব ঔষধ খাচ্ছেন সব ডাক্তারকে জানান, কারণ অনেক ঔষধের সাথে এর প্রতিক্রিয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে ডোজ খান; কেমোথেরাপির আগের প্রথম ডোজ বাদ পড়লে সুরক্ষা কমে যায়। ক্লান্ত বা মাথা ঘোরা লাগলে গাড়ি চালাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে ঝিমুনি ও মাথাব্যথা হতে পারে। ডাক্তার বা হাসপাতালে যোগাযোগ করুন; লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

বমিনাশক ঔষধ, NK1 রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। আসল প্যাকেটেই রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Aprepitant এর সব ব্র্যান্ড

Aprepitant এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।