ঔষধের ব্র্যান্ড

Epirubin IV Injection

Epirubicin Hydrochloride

  • প্রস্তুতকারক Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ইনজেকশন
  • IV ইনফিউশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Epirubicin Hydrochloride 50 mg/250 mlDGDA 323-0641-010ইনজেকশন১ ভায়াল৳৩,৭০০প্রতি ভায়াল বা অ্যামপুল
Epirubicin Hydrochloride 2 mg/mlIV ইনফিউশনদাম শীঘ্রই

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Epirubin IV Injection 50 mg/250 ml · ইনজেকশন · ৳৩,৭০০ প্রতি ভায়াল বা অ্যামপুল

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Epirubicin Hydrochloride

ব্যবহার

এপিরুবিসিন হাইড্রোক্লোরাইড একটি ক্যান্সারের ঔষধ, সাধারণত অন্য ক্যান্সারের ঔষধের সাথে ব্যবহার হয়:

  • স্তন ক্যান্সারে, অপারেশনের পর ক্যান্সার ফিরে আসার সম্ভাবনা কমাতেও।
  • পাকস্থলী, ডিম্বাশয় ও ফুসফুসের ক্যান্সার, লিমফোমা এবং সফট টিস্যু সারকোমায়।
  • মূত্রথলির উপরিভাগের ক্যান্সারে, নল (ক্যাথেটার) দিয়ে সরাসরি মূত্রথলিতে দিয়ে।

শুধু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা হাসপাতালে এটি ব্যবহার করেন।

কীভাবে কাজ করে

এপিরুবিসিন অ্যান্থ্রাসাইক্লিন গোষ্ঠীর ঔষধ। এটি ক্যান্সার কোষে গিয়ে ডিএনএর সাথে যুক্ত হয় এবং ডিএনএ কপি করতে যে এনজাইম (টপোআইসোমারেজ II) লাগে তা আটকে দেয়। ফলে ক্যান্সার কোষ বাড়তে ও বিভাজিত হতে পারে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স এটি শিরায় স্যালাইন বা ইনজেকশন হিসেবে, অথবা ক্যাথেটার দিয়ে মূত্রথলিতে দেন।
  • শরীরের আকার (বডি সারফেস এরিয়া), রক্তকণিকা, লিভারের অবস্থা ও অন্য চিকিৎসা অনুযায়ী মাত্রা ঠিক হয়। সাধারণত চক্র আকারে, প্রায়ই প্রতি ৩ সপ্তাহে, ডাক্তারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেওয়া হয়।
  • হৃৎপিণ্ডের ঝুঁকির কারণে সারাজীবনে মোট কতটুকু দেওয়া যাবে তার একটি সীমা আছে; চিকিৎসক দল এটির হিসাব রাখেন।
  • বমি প্রতিরোধে সাধারণত প্রতিটি ডোজের আগে ঔষধ দেওয়া হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ট্রাস্টুজুমাব ও হৃৎপিণ্ডে প্রভাব ফেলে এমন অন্য ঔষধ, বা বুকে রেডিওথেরাপি, হৃৎপিণ্ডের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
  • সিমেটিডিন এপিরুবিসিনের মাত্রা বাড়াতে পারে, তাই এড়িয়ে চলা উচিত।
  • অন্য ক্যান্সারের ঔষধ (যেমন প্যাক্লিট্যাক্সেল, ডোসেট্যাক্সেল ও সাইক্লোফসফামাইড) রক্তকণিকা ও হৃৎপিণ্ডের উপর প্রভাব বাড়াতে পারে।
  • চিকিৎসার সময় জীবন্ত টিকা (লাইভ ভ্যাকসিন) দেওয়া যাবে না।
  • হৃদরোগ ও রক্তচাপের ঔষধসহ সব ঔষধের কথা চিকিৎসক দলকে জানান।

কারা খাবেন না

  • এপিরুবিসিন বা অন্য অ্যান্থ্রাসাইক্লিনে (যেমন ডক্সোরুবিসিন) এলার্জি থাকলে।
  • রক্তকণিকা খুব কম থাকলে (অস্থিমজ্জার গুরুতর দমন)।
  • লিভারের গুরুতর সমস্যা থাকলে।
  • গুরুতর হৃদরোগ থাকলে, যেমন গুরুতর হার্ট ফেইলিউর, সাম্প্রতিক হার্ট অ্যাটাক বা গুরুতর ছন্দের সমস্যা।
  • আগেই এপিরুবিসিন বা অন্য অ্যান্থ্রাসাইক্লিনের সর্বোচ্চ মোট মাত্রা নেওয়া হয়ে গেলে।
  • বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়।
  • মূত্রথলিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে: প্রস্রাবে সংক্রমণ, মূত্রথলিতে প্রদাহ, বা ক্যাথেটার ঢোকানোতে সমস্যা থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: চুল পড়া, বমি বমি ভাব ও বমি, মুখে ঘা, ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা, রক্তকণিকা কমে যাওয়া (সংক্রমণ, রক্তপাত ও রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি), মাসিক বন্ধ হওয়া, এবং প্রতিটি ডোজের পর ১ থেকে ২ দিন প্রস্রাব লালচে হওয়া (এটি ক্ষতিকর নয়)। মূত্রথলিতে দিলে প্রস্রাবে জ্বালা ও ঘনঘন প্রস্রাব হতে পারে।

নিচের যে কোনোটি হলে সাথে সাথে চিকিৎসক দলকে জানান বা দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • ৩৮°C বা বেশি জ্বর, কাঁপুনি বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ।
  • স্যালাইন দেওয়ার সময় বা পরে সুঁইয়ের জায়গায় ব্যথা, জ্বালা, লাল হওয়া বা ফোলা।
  • শ্বাসকষ্ট, গোড়ালি ফোলা, বুকে ব্যথা, বা দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন।
  • অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে দাগ।
  • স্যালাইনের সময় মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, র‍্যাশ বা শ্বাসকষ্ট।

হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি কয়েক মাস বা বছর পরেও দেখা দিতে পারে, এবং ক্ষেত্রবিশেষে রক্তের দ্বিতীয় ক্যান্সার (লিউকেমিয়া) হতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

এপিরুবিসিন গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। নারী ও পুরুষ উভয়েই চিকিৎসার সময় এবং পরে কয়েক মাস কার্যকর জন্মনিরোধক ব্যবহার করবেন (কতদিন, তা চিকিৎসক দল জানাবেন)। চিকিৎসার সময় বুকের দুধ খাওয়াবেন না। এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের সন্তান ধারণের ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে; চিকিৎসা শুরুর আগে এ বিষয়ে আলোচনা করুন।

সতর্কতা

  • চিকিৎসার আগে ও চলাকালে হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা (যেমন ইকোকার্ডিওগ্রাম) করা হয়।
  • প্রতিটি চক্রের আগে রক্তকণিকা, লিভার ও কিডনির পরীক্ষা করা হয়।
  • সংক্রমিত মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং জ্বর হলে দ্রুত জানান।
  • বয়স্ক এবং আগে হৃদরোগ বা বুকে রেডিওথেরাপি নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা দরকার।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

হাসপাতালে দেওয়া হয় বলে মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। হলে রক্তকণিকা খুব কমে যাওয়া, মুখে ঘা ও হৃৎপিণ্ডের সমস্যা হতে পারে, যা চিকিৎসক দল সামলাবেন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী ঔষধ; অ্যান্থ্রাসাইক্লিন (সাইটোটক্সিক অ্যান্টিবায়োটিক)।

সংরক্ষণ

হাসপাতাল বা ফার্মেসি এটি সংরক্ষণ করে। দ্রবণ রূপটি ফ্রিজে ২ থেকে ৮°C তাপমাত্রায়, আলো থেকে দূরে রাখতে হয়, জমানো যাবে না; পাউডার রূপ প্যাকেটের নির্দেশ অনুযায়ী রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Epirubicin Hydrochloride এর সব ব্র্যান্ড

Epirubicin Hydrochloride এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।