ঔষধের ব্র্যান্ড

Etoricoxib-120

Etoricoxib

  • প্রস্তুতকারক Premier Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Etoricoxib 120 mgDGDA 071-0118-064ট্যাবলেট৩ x ১০ ব্লিস্টার প্যাক৳১২০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳১২বক্স (৩ x ১০): ৳৩৬০

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Etoricoxib

ব্যবহার

ইটোরিকক্সিব একটি প্রদাহনাশক ব্যথানাশক। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, এঙ্কিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস (মেরুদণ্ডের প্রদাহ) ও গোবাতের হঠাৎ আক্রমণে ব্যথা ও ফোলা কমাতে, এবং দাঁতের অপারেশনের পর অল্প সময়ের মাঝারি ব্যথায় এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

ইটোরিকক্সিব একটি সিলেক্টিভ কক্স-২ ইনহিবিটর। এটি কক্স-২ এনজাইমকে আটকে দেয়, যা ব্যথা ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরি করে। পাকস্থলী সুরক্ষাকারী কক্স-১ এনজাইমে এর প্রভাব অনেক কম বলে পুরনো প্রদাহনাশক ঔষধের চেয়ে আলসার কম হয়, তবে ঝুঁকি একেবারে নেই তা নয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস: দিনে একবার ৩০ থেকে ৬০ mg।
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও এঙ্কিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস: দিনে একবার ৬০ থেকে ৯০ mg।
  • গোবাতের হঠাৎ আক্রমণ: দিনে একবার ১২০ mg, শুধু আক্রমণের সময় এবং ৮ দিনের বেশি নয়।
  • দাঁতের অপারেশনের পর ব্যথা: প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী, শুধু অল্প দিনের জন্য।

খাবারের আগে বা পরে মুখে খাওয়া যায়। লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবচেয়ে কম মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করুন। ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য নয়। লিভারের সমস্যায় ডাক্তারের পরামর্শে কম মাত্রা লাগে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ওয়ারফারিন ও অন্য রক্ত পাতলা করার ঔষধের সাথে রক্তপাতের ঝুঁকি, এবং অ্যাসপিরিন, অন্য প্রদাহনাশক, স্টেরয়েড ও কিছু বিষণ্ণতার ঔষধের সাথে পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। রক্তচাপের ঔষধের (এনালাপ্রিলের মতো এসিই ইনহিবিটর, লোসারটানের মতো এআরবি ও প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ) কাজ কমাতে পারে এবং এগুলোর সাথে কিডনির ক্ষতি করতে পারে। লিথিয়াম, মেথোট্রেক্সেট ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির হরমোনের মাত্রা বাড়াতে পারে। রিফাম্পিসিন ইটোরিকক্সিবের মাত্রা কমায়।

কারা খাবেন না

  • ইটোরিকক্সিবে এলার্জি, অথবা অ্যাসপিরিন বা অন্য প্রদাহনাশক খেলে হাঁপানি, নাকে পলিপ, আমবাত বা ফোলা হলে।
  • হৃদরোগ (এনজাইনা, হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর), স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোক, অথবা পায়ের ধমনী ব্লক থাকলে।
  • অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ।
  • সক্রিয় পেপটিক আলসার বা রক্তক্ষরণ, বা ইনফ্লামেটরি বাউয়েল ডিজিজ।
  • লিভারের গুরুতর রোগ বা কিডনির গুরুতর রোগ।
  • গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো; ১৬ বছরের কম বয়সী।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বদহজম, পেটব্যথা, বুক জ্বালা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, গোড়ালি ফোলা, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা ও মাথাব্যথা।

বুকে ব্যথা, শরীরের এক পাশ হঠাৎ দুর্বল বা অবশ হওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, রক্তবমি, শ্বাসকষ্ট, মুখ, ঠোঁট বা গলা ফোলা, ফোসকা বা চামড়া ওঠা র‍্যাশ, ত্বক বা চোখ হলুদ, অথবা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম প্রস্রাব হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে শেষ তিন মাসে, এটি খাবেন না, কারণ এতে শিশুর ক্ষতি হতে পারে ও প্রসবে সমস্যা হতে পারে। এটি গর্ভধারণেও বাধা দিতে পারে। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় খাবেন না।

সতর্কতা

অন্য প্রদাহনাশকের মতো এটিও হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে বেশি মাত্রায় বা দীর্ঘদিন খেলে। শুরুর প্রায় ২ সপ্তাহের মধ্যে এবং পরে নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত। বয়স্ক, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, ধূমপান, পানিশূন্যতা, কিডনি বা লিভারের সমস্যা, বা আগে পেপটিক আলসার থাকলে বাড়তি সাবধানতা দরকার। অন্য প্রদাহনাশক ব্যথানাশকের সাথে খাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে পেটব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, ঘুম ঘুম ভাব এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কিডনি বা হৃৎপিণ্ডের সমস্যা হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ঔষধ (এনএসএআইডি), সিলেক্টিভ কক্স-২ ইনহিবিটর।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Etoricoxib এর সব ব্র্যান্ড

Etoricoxib এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।