বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Etropen

Ertapenem

  • প্রস্তুতকারক Techno Drugs Ltd., Satipara, Narshingdi
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Ertapenem 1 gm/vialইনজেকশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Ertapenem

ব্যবহার

আর্টাপেনেম একটি ব্রড-স্পেকট্রাম কার্বাপেনেম অ্যান্টিবায়োটিক। মাঝারি থেকে গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে এটি ব্যবহৃত হয়, যেমন জটিল পেটের সংক্রমণ, জটিল ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ (হাড়ের সংক্রমণ ছাড়া ডায়াবেটিক ফুটসহ), কমিউনিটি অ্যাকুইর্ড নিউমোনিয়া, জটিল মূত্রনালি ও কিডনির সংক্রমণ (ESBL উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়াসহ) এবং নারীদের তীব্র শ্রোণি সংক্রমণ। অন্ত্রের (কোলোরেক্টাল) অস্ত্রোপচারের পর সংক্রমণ প্রতিরোধেও এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

ব্যাকটেরিয়া একটি শক্ত কোষপ্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত থাকে। আর্টাপেনেম এই প্রাচীর তৈরির প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে প্রাচীর দুর্বল করে, ফলে ব্যাকটেরিয়া ফেটে মারা যায়। অন্য পেনিসিলিনজাতীয় ঔষধ নষ্ট করার অনেক এনজাইম এটিকে নষ্ট করতে পারে না। তবে সূডোমোনাস, অ্যাসিনেটোব্যাক্টার বা MRSA এর বিরুদ্ধে কাজ করে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

চিকিৎসক বা নার্স সাধারণত দিনে একবার প্রায় ৩০ মিনিট ধরে শিরায় ইনফিউশন বা মাংসপেশিতে ইনজেকশন হিসেবে এটি দেন। মাত্রা ও চিকিৎসার সময়কাল (প্রায়ই ৩ থেকে ১৪ দিন) চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। গুরুতর কিডনি রোগে কম মাত্রা লাগে, এবং শিশুদের মাত্রা ওজন অনুযায়ী ঠিক করা হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ভ্যালপ্রোয়িক অ্যাসিড (সোডিয়াম ভ্যালপ্রোয়েট): আর্টাপেনেম এর মাত্রা অনেক কমিয়ে খিঁচুনি আনতে পারে; একসাথে সাধারণত এড়ানো হয়।
  • প্রোবেনেসিড আর্টাপেনেমের মাত্রা বাড়াতে পারে; একসাথে সুপারিশকৃত নয়।
  • ওয়ারফারিনের কাজে প্রভাব ফেলতে পারে; INR পরীক্ষা লাগতে পারে।

কারা খাবেন না

  • আর্টাপেনেম বা অন্য কার্বাপেনেমে অ্যালার্জি থাকলে।
  • পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন বা অন্য বিটা-ল্যাকটামে আগে গুরুতর অ্যালার্জি (অ্যানাফিলাক্সিস) হয়ে থাকলে।
  • মাংসপেশিতে ইনজেকশনের ক্ষেত্রে: লিডোকেইনের মতো অ্যামাইড জাতীয় অবেদনানাশকে অ্যালার্জি থাকলে, কারণ পাউডার গলাতে এটি ব্যবহৃত হতে পারে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ডায়রিয়া, বমিভাব, বমি, মাথাব্যথা, ইনফিউশনের জায়গায় ব্যথা বা ফোলা, র‍্যাশ বা চুলকানি। রক্ত পরীক্ষায় লিভার এনজাইম বাড়তে পারে। কম দেখা যায়: মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, বিভ্রান্তি এবং মুখ বা যোনিতে ছত্রাক সংক্রমণ।

মুখ বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, তীব্র পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া (চিকিৎসার কয়েক সপ্তাহ পরেও), ফোসকা বা চামড়া উঠে যাওয়াসহ ছড়ানো র‍্যাশ, অথবা বিভ্রান্তি ও হ্যালুসিনেশন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় তথ্য সীমিত; চিকিৎসক লাভ বেশি মনে করলেই ব্যবহার করা হয়। সামান্য পরিমাণে বুকের দুধে যায়; দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে চিকিৎসক পরামর্শ দেবেন।

সতর্কতা

  • আগের অ্যান্টিবায়োটিক অ্যালার্জি, মৃগী বা মস্তিষ্কের অন্য রোগ এবং কিডনি রোগের কথা চিকিৎসককে জানান।
  • মস্তিষ্কের রোগ বা কিডনির সমস্যায় খিঁচুনির ঝুঁকি বেশি।
  • দীর্ঘ ব্যবহারে প্রতিরোধী সংক্রমণ, যেমন ক্লোস্ট্রিডিওইডিস ডিফিসিল ডায়রিয়া হতে পারে।
  • শুধু ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে ব্যবহার করুন এবং পুরো কোর্স শেষ করুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত হলে বমিভাব, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা এবং কদাচিৎ খিঁচুনি হতে পারে। হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়; ডায়ালাইসিসে এটি বের করা যায়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, কার্বাপেনেম (বিটা-ল্যাকটাম)।

সংরক্ষণ

হাসপাতালের ঔষধ: না খোলা ভায়াল প্যাকের নির্দেশনা অনুযায়ী ২৫°C এর নিচে রাখুন এবং তৈরি করা দ্রবণ দ্রুত ব্যবহার করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ertapenem এর সব ব্র্যান্ড

Ertapenem এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।