ঔষধের ব্র্যান্ড

Forane

Isoflurane

  • প্রস্তুতকারক Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • নেবুলাইজার দ্রবণ

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Isoflurane 100% v/vনেবুলাইজার দ্রবণদাম শীঘ্রই

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

ঔষধটি সম্পর্কে

Isoflurane

ব্যবহার

আইসোফ্লুরেন একটি সাধারণ অ্যানেস্থেটিক (অজ্ঞান করার) গ্যাস। সাধারণত ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপারেশনের পুরো সময় রোগীকে অচেতন ও ব্যথামুক্ত রাখতে এটি শ্বাসের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অপারেশন থিয়েটারে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু উভয়ের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।

কীভাবে কাজ করে

আইসোফ্লুরেন একটি উদ্বায়ী তরল, যা ভেপোরাইজার নামের বিশেষ যন্ত্রে বাষ্পে পরিণত হয়। শ্বাসের সাথে এটি ফুসফুস থেকে রক্তে এবং পরে মস্তিষ্কে পৌঁছে স্নায়ুর কাজ শান্ত করে গভীর অচেতনতা তৈরি করে। এটি কিছুটা মাংসপেশিও শিথিল করে। গ্যাস বন্ধ করলে তা শ্বাসের সাথে বেরিয়ে যায় এবং রোগী তুলনামূলক দ্রুত জেগে ওঠেন।

মাত্রা ও সেবনবিধি

আইসোফ্লুরেন শুধু অ্যানেস্থেটিস্ট (অজ্ঞান করার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার) নির্দিষ্ট মাপের ভেপোরাইজার ও অ্যানেস্থেসিয়া মেশিনের মাধ্যমে দেন, সাধারণত অক্সিজেনের সাথে, কখনও নাইট্রাস অক্সাইড বা বাতাস মিশিয়ে। রোগীর বয়স, অবস্থা ও প্রতিক্রিয়া দেখে মাত্রা সারাক্ষণ সমন্বয় করা হয়। পুরো সময় শ্বাস, হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ ও অক্সিজেন পর্যবেক্ষণ করা হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ফেন্টানিল বা মরফিনের মতো ওপিওয়েড ব্যথানাশক, মিডাজোলামের মতো বেনজোডায়াজেপিন এবং নাইট্রাস অক্সাইড আইসোফ্লুরেনের প্রয়োজনীয় মাত্রা কমায়। এটি অ্যাট্রাকিউরিয়াম বা ভেকুরোনিয়ামের মতো মাংসপেশি শিথিলকারী ঔষধের প্রভাব বাড়ায়। বিটা ব্লকার ও ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার রক্তচাপ আরও কমাতে পারে। অ্যাড্রেনালিন হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত করতে পারে। অপারেশনের আগে ভেষজসহ সব ঔষধের কথা ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

  • রোগী বা পরিবারের কারও ম্যালিগন্যান্ট হাইপারথার্মিয়া (অ্যানেস্থেটিক গ্যাসে বিরল, বংশগত, প্রাণঘাতী প্রতিক্রিয়া) থাকলে বা সন্দেহ হলে।
  • আগে অ্যানেস্থেটিক গ্যাসের পর লিভারের সমস্যা বা অজানা জ্বর হয়ে থাকলে।
  • আইসোফ্লুরেন বা অনুরূপ হ্যালোজেনযুক্ত অ্যানেস্থেটিকে অ্যালার্জি থাকলে।
  • অ্যানেস্থেটিস্টের বিচারে সাধারণ অ্যানেস্থেসিয়া উপযুক্ত না হলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অ্যানেস্থেসিয়ার সময় সাধারণত রক্তচাপ কমে যায় ও শ্বাস ধীর হয়; চিকিৎসক দল এগুলো পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা করেন। জেগে ওঠার পর বমি বমি ভাব, বমি, কাঁপুনি, গলাব্যথা, কাশি, ঘুম ঘুম ভাব বা অল্প সময়ের বিভ্রান্তি হতে পারে, বিশেষ করে বয়স্কদের। শিশুরা জেগে ওঠার সময় অস্থির হতে পারে।

মাংসপেশি শক্ত হয়ে খুব বেশি জ্বর, দ্রুত হৃৎস্পন্দন, শ্বাসকষ্ট হলে, অথবা অপারেশনের পরে ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব বা তীব্র ক্লান্তি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন (হাসপাতালে থাকলে চিকিৎসক দল সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবেন)।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় অপারেশন অত্যাবশ্যক হলে এবং অ্যানেস্থেটিস্ট উপযুক্ত মনে করলে তবেই এটি দেওয়া হয়। বেশি মাত্রায় এটি জরায়ু শিথিল করে সিজারিয়ানের সময় রক্তপাত বাড়াতে পারে। গ্যাস বন্ধের পর বুকের দুধে খুব সামান্য যায়; মা পুরোপুরি জেগে ও সজাগ হলে সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শে আবার বুকের দুধ খাওয়ানো যায়।

সতর্কতা

আগে অ্যানেস্থেসিয়ায় কোনো প্রতিক্রিয়া, মাংসপেশির রোগ, হৃদরোগ, মাথার ভেতরে চাপ বৃদ্ধি, লিভার বা কিডনির রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান। অ্যানেস্থেসিয়ার পর অন্তত ২৪ ঘণ্টা গাড়ি চালাবেন না, যন্ত্র চালাবেন না, মদ্যপান করবেন না এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন না। ছোট শিশু ও গর্ভবতী নারীর দীর্ঘ বা বারবার অপারেশনে এর ব্যবহার ডাক্তাররা সতর্কভাবে বিবেচনা করেন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি মাত্রায় রক্তচাপ অনেক কমে যেতে পারে ও শ্বাস ধীর হতে পারে। অ্যানেস্থেটিস্ট গ্যাস বন্ধ করে বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেন এবং শ্বাস ও রক্তসঞ্চালন সহায়তা করেন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

সাধারণ অ্যানেস্থেটিক; উদ্বায়ী শ্বাসযোগ্য (হ্যালোজেনযুক্ত ইথার) অ্যানেস্থেটিক।

সংরক্ষণ

হাসপাতালের পণ্য: প্যাকের নির্দেশমতো রাখুন, সাধারণত ৩০°C এর নিচে, শক্ত করে বন্ধ বোতলে, আলো ও তাপ থেকে দূরে।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Isoflurane এর সব ব্র্যান্ড

Isoflurane এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।