বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Frudema

Frusemide

  • প্রস্তুতকারক Pacific Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Frusemide 40 mgট্যাবলেট · ৫ x ১০ ব্লিস্টার প্যাক৳৫.৩০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳০.৫৩বক্স (৫ x ১০): ৳২৬.৫০

ঔষধটি সম্পর্কে

Frusemide

ব্যবহার

ফ্রুসেমাইড (ফুরোসেমাইড নামেও পরিচিত) একটি শক্তিশালী প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ (ডাইইউরেটিক)। হার্ট ফেইলিউর, লিভারের রোগ ও নেফ্রোটিক সিনড্রোমের মতো কিডনির রোগে শরীরে জমা অতিরিক্ত পানি ও ফোলা (ইডিমা) কমাতে এবং ফুসফুসে পানি জমার চিকিৎসায় এটি ব্যবহার হয়। কখনও উচ্চ রক্তচাপেও দেওয়া হয়। ইনজেকশন জরুরি অবস্থায় ও হাসপাতালে ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি কিডনিতে কাজ করে প্রস্রাবের সাথে বেশি লবণ ও পানি বের করে দেয়। এতে শরীরে পানির পরিমাণ কমে, ফলে ফোলা ও শ্বাসকষ্ট কমে। ট্যাবলেট খাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে কাজ শুরু হয় এবং প্রায় ৬ ঘণ্টা থাকে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্ক, ফোলা: সাধারণত শুরুতে সকালে দিনে একবার ২০ থেকে ৪০ mg; ডাক্তার ফল দেখে মাত্রা ঠিক করেন।
  • প্রাপ্তবয়স্ক, উচ্চ রক্তচাপ: সাধারণত দিনে ২০ থেকে ৪০ mg, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।
  • বেশি মাত্রা (যেমন কিডনির গুরুতর অকার্যকারিতায়), শিশু ও ইনজেকশন (ডাক্তার বা নার্স দেন): ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

সকালে খান, দ্বিতীয় ডোজ থাকলে বিকেলের মধ্যে খান, যাতে রাতে প্রস্রাবের জন্য উঠতে না হয়। ডাক্তারকে না জিজ্ঞেস করে ঔষধ বন্ধ করবেন না বা মাত্রা বদলাবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

জেন্টামাইসিন ও এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক শ্রবণশক্তি ও কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এটি লিথিয়ামের মাত্রা বাড়ায়। ফ্রুসেমাইডের কারণে পটাসিয়াম কমে গেলে ডিগোক্সিনের বিষক্রিয়া বাড়তে পারে। আইবুপ্রোফেন ও ডাইক্লোফেনাকের মতো ব্যথানাশক (এনএসএআইডি) এর কাজ কমাতে ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। এনালাপ্রিল বা লোসার্টানের মতো রক্তচাপের অন্য ঔষধের সাথে রক্তচাপ বেশি কমে যেতে পারে। স্টেরয়েড ও কিছু হাঁপানির ঔষধ পটাসিয়াম আরও কমাতে পারে। এটি রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে, তাই ডায়াবেটিসের ঔষধের মাত্রা বদলাতে হতে পারে। সুক্রালফেট এর শোষণ কমায়; অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধানে খান।

কারা খাবেন না

  • ফ্রুসেমাইড, সালফোনামাইড বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • একেবারেই প্রস্রাব না হলে (অ্যানুরিয়া) বা শরীরে তীব্র পানিশূন্যতা থাকলে।
  • রক্তে সোডিয়াম বা পটাসিয়াম খুব কম থাকলে।
  • লিভার অকার্যকর হয়ে বিভ্রান্তি বা চেতনা কমে গেলে (হেপাটিক কোমা বা প্রিকোমা)।
  • চিকিৎসা না হওয়া অ্যাডিসন্স ডিজিজ থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ঘন ঘন প্রস্রাব, পিপাসা, দাঁড়ালে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, মাংসপেশিতে টান এবং রক্তে পটাসিয়াম, সোডিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কমে যাওয়া। এটি ইউরিক অ্যাসিড বাড়িয়ে গেঁটেবাত করতে পারে, রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে এবং ত্বককে রোদে বেশি সংবেদনশীল করতে পারে।

জরুরি চিকিৎসা নিন যদি: তীব্র পিপাসা, মুখ খুব শুকিয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া; দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন; মাংসপেশিতে তীব্র দুর্বলতা বা টান; কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ বা শুনতে কম পাওয়া; খুব কম প্রস্রাব; পেটে তীব্র ব্যথা; ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া; অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তপাত; অথবা তীব্র ফুসকুড়ি, ফোস্কা, বা মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ডাক্তার প্রয়োজন মনে না করলে গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি শিশুর কাছে রক্তপ্রবাহ কমাতে পারে। এটি বুকের দুধে যায় এবং দুধ কমাতে পারে; শুধু ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করুন।

সতর্কতা

কিডনির কার্যকারিতা ও রক্তের লবণ দেখার জন্য নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা দরকার। ডায়াবেটিস, গেঁটেবাত, লিভার বা কিডনির রোগ, প্রোস্টেট বড় হওয়া বা প্রস্রাবে কষ্ট, অথবা নিম্ন রক্তচাপ থাকলে ডাক্তারকে জানান। বয়স্কদের পানিশূন্যতা ও মাথা ঘোরার ঝুঁকি বেশি। ডাক্তার বললে নিয়মিত ওজন মাপুন এবং হঠাৎ ওজন বদলালে জানান। কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে পানিশূন্যতা, রক্তচাপ খুব কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়া, বিভ্রান্তি এবং রক্তের লবণে বিপজ্জনক পরিবর্তন হতে পারে, যা হৃদযন্ত্রে প্রভাব ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

লুপ ডাইইউরেটিক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Frusemide এর সব ব্র্যান্ড

Frusemide এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।